• ই-পেপার

তিন তরুণ পরিচালকের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র

৪৭ বছর বয়সে মা হলেন অভিনেত্রী

বিনোদন ডেস্ক
৪৭ বছর বয়সে মা হলেন অভিনেত্রী
সংগৃহীত ছবি

৪৭ বছর বয়সে সন্তানের জন্ম দিলেন চীনা অভিনেত্রী তাং ওয়েই। তিনি একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রীর প্রতিনিধি।

জানা গেছে, মা ও নবজাতক দুজনেই সুস্থ আছেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার নির্মাতা কিম তে-ইয়ংয়ের সঙ্গে সংসার করছেন তাং ওয়েই। এটি তাঁদের দ্বিতীয় সন্তান। এর আগে ২০১৬ সালে এই দম্পতির ঘরে জন্ম নেয় কন্যাসন্তান সামার।

সন্তানের জন্মের সুখবরটি বুধবার চীনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম উইচ্যাট মোমেন্টসে নিজেই শেয়ার করেন তাং ওয়েই। প্রকাশিত ছবিতে পরিবারের চার সদস্যকে হাত ধরে থাকতে দেখা যায়। ছবির সঙ্গে নবজাতককে স্বাগত জানিয়ে কিম তে-ইয়ংয়ের আঁকা একটি ঘোড়াশাবকের ছবিও যুক্ত ছিল।

প্রথম সন্তান সামারের অনুভূতি তুলে ধরে তাং ওয়েই লেখেন, ‘এখন আমাদের চার সদস্যের পরিবারের যাত্রা শুরু হলো।’

এর আগে কয়েক মাস ধরেই তাং ওয়েইয়ের গর্ভধারণ নিয়ে আলোচনা চলছিল। চলতি বছরের এপ্রিলে সাংহাইয়ে একটি বিলাসবহুল ব্র্যান্ডের অনুষ্ঠানে তাঁকে বেবি বাম্পসহ দেখা যাওয়ার পর থেকেই গুঞ্জনের সূত্রপাত হয়।

পরে স্বামী কিম তে-ইয়ং ও মেয়ে সামারের সঙ্গে একটি ছবি প্রকাশ করে গর্ভধারণের খবর নিশ্চিত করেন অভিনেত্রী। সেই ছবিতে তাঁদের হাতে ছিল একটি ঘোড়ার খেলনা।

সেই সময় তাং ওয়েই লিখেছিলেন, ‘আমরা খুবই খুশি। আমাদের পরিবারে নতুন একজন সদস্য যোগ দিচ্ছে। সবাই শিশুটির সঙ্গে দেখা করার অপেক্ষায় আছে।’

গত মাসে হংকং সফরেও একসঙ্গে দেখা যায় তাং ওয়েই ও কিম তে-ইয়ংকে। এরপর থেকেই ধারণা করা হচ্ছিল, শিগগিরই দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দিতে যাচ্ছেন এই অভিনেত্রী।

১৯৭৯ সালে জন্ম নেওয়া তাং ওয়েই ২০০৪ সালে অভিনয়জগতে পা রাখেন। ২০১০ সালে ‘লেট অটাম’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় পরিচালক কিম তে-ইয়ংয়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। 

সেই পরিচয় থেকে প্রেম, পরে ২০১৪ সালে বিয়ে। দুই বছর পর তাঁদের প্রথম সন্তান সামারের জন্ম হয়। এবার দ্বিতীয় সন্তানের আগমনে পূর্ণতা পেল তাঁদের চার সদস্যের পরিবার।

বৃষ্টি উপেক্ষা করে আতিফ আসলামের কনসার্টে দর্শকের ঢল

বিনোদন প্রতিবেদক
বৃষ্টি উপেক্ষা করে আতিফ আসলামের কনসার্টে দর্শকের ঢল
সংগৃহীত ছবি

ঝুম বৃষ্টি যেন একটুও কমাতে পারেনি সংগীতপ্রেমীদের উচ্ছ্বাস। পাকিস্তানের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আতিফ আসলামের কনসার্ট ঘিরে শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাজধানীর মাদানী অ্যাভিনিউয়ে তৈরি হয় উৎসবের আমেজ। কনসার্ট শুরুর অনেক আগেই ভেন্যুর বাইরে জড়ো হন হাজারো দর্শক।

বিকেল ৩টা থেকে গেট খুলে দেওয়ার পর কনসার্ট ভেন্যুর আশপাশে দীর্ঘ সারিতে অপেক্ষা করতে দেখা যায় দর্শকদের। কেউ ছাতা হাতে, কেউ রেইনকোট পরে, আবার কেউ বৃষ্টিতে ভিজেই প্রবেশের অপেক্ষায় ছিলেন। প্রতিকূল আবহাওয়া সত্ত্বেও প্রিয় শিল্পীকে কাছ থেকে দেখার আগ্রহে ছিল না কোনো ভাটা।

কনসার্টে আসা দর্শকদের অনেকেই জানান, আতিফ আসলামের লাইভ পারফরম্যান্স দেখার সুযোগ খুব একটা আসে না। তাই বৃষ্টি কিংবা দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা তাদের কাছে কোনো বিষয় নয়।

দর্শকদের নির্বিঘ্ন প্রবেশ নিশ্চিত করতে ভেন্যুর বাইরে নেওয়া হয় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আয়োজকদের স্বেচ্ছাসেবক দল এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়। 

পর্দায় নতুন জুটি, আসছে ‘মায়াময়ী’

বিনোদন প্রতিবেদক
পর্দায় নতুন জুটি, আসছে ‘মায়াময়ী’
সংগৃহীত ছবি

মানুষ, প্রকৃতি এবং অন্যান্য প্রাণীর প্রতি মানুষের মমত্ববোধের গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে একক নাটক ‘মায়াময়ী’। সম্প্রতি রাজধানীর বিভিন্ন লোকেশনে নাটকটির শুটিং শেষ হয়েছে।

নাটকটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন শ্রাবণী ফেরদৌস। এতে প্রথমবারের মতো জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন আবিদ প্রান্ত ও ইন্দ্রানী নিশি। নতুন এই জুটিকে ঘিরে নির্মাতার প্রত্যাশাও বেশ।

নাটকটি প্রসঙ্গে শ্রাবণী ফেরদৌস বলেন, ‘গল্পটা মূলত মায়া নিয়ে। এখানে একদমই নতুন একটা জুটি অভিনয় করেছে প্রান্ত ও নিশি। এটা তাদের প্রথম একসঙ্গে কাজ। দুজনেই ভীষণ মিষ্টি এবং কাজও করেছে দারুণ। আমি সবসময় নতুনদের সঙ্গে কাজ করতে বেশ পছন্দ করি। শুরুর দিকে তো তারা একদম সাদা পাতার মতো থাকে, সেখানে একেকটা নতুন আঁচড় মানেই নতুন সৃষ্টি। গল্পভিত্তিক কাজে নতুনদের সঙ্গে কাজ করা বেশ চ্যালেঞ্জিং। সেখানে তারা দুজনেই ভালো করেছে। আশা করি গল্পটার কারণেই দর্শক পছন্দ করবে এই জুটিটাকে।’

নিশি-প্রান্ত

নির্মাতা জানান, নাটকটির গল্পে মানুষের সঙ্গে প্রকৃতি ও অন্যান্য প্রাণীর আবেগঘন সম্পর্ককে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মানবিক অনুভূতি ও মমত্ববোধের বার্তা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে এতে।

আগামী ৩০ জুলাই (বৃহস্পতিবার) এনটিভিতে প্রচারিত হবে ‘মায়াময়ী’। নাটকটিতে আরও অভিনয় করেছেন আশরাফুল নিশি, লিসা, খায়রুল আলম টিপুসহ আরো অনেকে।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে রাজনৈতিক রং দেওয়া উচিত নয় : সালমান

বিনোদন ডেস্ক
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে রাজনৈতিক রং দেওয়া উচিত নয় : সালমান
সংগৃহীত ছবি

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে চলমান শিক্ষার্থী আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে ‘অত্যন্ত গুরুতর’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেছেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে রাজনৈতিক রং দেওয়া উচিত নয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে সালমান খান আন্দোলনে আহত শিক্ষার্থী ও তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। 

একই সঙ্গে তিনি বলেন, দেশের তরুণদের উন্নত শিক্ষাব্যবস্থার দাবিতে একত্রিত হওয়া ইতিবাচক একটি বার্তা।

সালমান খান লিখেছেন, ‘এটি ছিল অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ একটি আন্দোলন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, শেষ পর্যন্ত এটি সহিংস রূপ নিয়েছে। যেসব শিক্ষার্থী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা আহত হয়েছেন, তাঁদের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা। প্রশ্নপত্র ফাঁস অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। আমাদের দেশের তরুণেরা উন্নত শিক্ষাব্যবস্থার দাবিতে একজোট হয়েছে এবং তাঁদের অভিভাবকেরাও পাশে দাঁড়িয়েছেন, এটি দেখে আমি আনন্দিত।’

তিনি আরো বলেন, সততা, নিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ গড়ার যে প্রত্যয় শিক্ষার্থীরা দেখিয়েছে, তা প্রশংসার দাবি রাখে।

তাঁর কথায়, ‘আন্দোলন বা প্রতিবাদ গণতান্ত্রিক অধিকারের অংশ। শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবেই তাদের দাবি জানিয়েছে। শিক্ষা নিয়ে উৎসাহী এই প্রজন্ম একদিন ভারতের মুখ উজ্জ্বল করবে।’

আন্দোলনকে রাজনৈতিকভাবে ব্যাখ্যা না করার আহ্বান জানিয়ে পোস্টের শেষাংশে সালমান খান লেখেন, ‘এটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষাব্যবস্থার বিষয়। একে রাজনৈতিক রং দেওয়া উচিত নয়। এই কৃতিত্ব দেশের শিক্ষার্থীদেরই প্রাপ্য। আমার বিশ্বাস, সরকারও তাঁদের পাশে থাকবে এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। যারা শিক্ষিত হতে চায়, ঈশ্বর তাদের সবার মঙ্গল করুন।’

সম্প্রতি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস, পরীক্ষা ব্যবস্থায় অনিয়ম এবং শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে দিল্লিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের একপর্যায়ে সংসদ অভিমুখে পদযাত্রা ঘিরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। 

অভিযোগ রয়েছে, লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহারে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন। যদিও এ ঘটনার জন্য উভয় পক্ষই একে অপরকে দায়ী করেছে।
 

তিন তরুণ পরিচালকের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র | কালের কণ্ঠ