kalerkantho


বলিউডের ব্যয়বহুল কয়েকটি ডিভোর্স

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৪ মার্চ, ২০১৭ ০২:১০



বলিউডের ব্যয়বহুল কয়েকটি ডিভোর্স

স্বপ্ন ফেরি করে বলিউড। কিন্তু, সে স্বপ্নও এক সময় ভেঙে যায়।

বলিউডের অন্দর মহলে কান পাতলে এমন ছেঁড়া স্বপ্নের কাহিনি হামেশাই শোনা যায়। রুপোলি পর্দার কাহিনির মতোই বলি-সেলেব্রেটদের জীবনের উত্থান-পতনের সে কাহিনিও কম নাটকীয় নয়। ভালবাসা বা ঘর বাঁধার পাশাপাশি রয়েছে ঘর ভাঙার কাহিনিও। ঘর ভাঙতে ভরণ-পোষণের গল্পটাও কম চমক জাগানো নয়। বলিউডি সেলেব্রেটদের বিয়ে ভাঙার পাশাপাশি রইল সবচেয়ে ব্যয়বহুল কয়েকটি ডিভোর্সের কাহিনি।

১. আমির খান ও রীনা দত্ত: প্রথম স্ত্রী রীনার সঙ্গে আমিরের বিয়ে হয় ১৯৮৬ সালে। আমিরের বয়স তখন মাত্র ২১ বছর। বাড়ি থেকে পালিয়ে বিয়ে করেন রীনাকে। সঙ্গে ছিলেন কয়েক জন বন্ধু।

এর পর ষোলো বছরের সুখী ঘরকন্না। তবে বিয়ে ভেঙে যায় ২০০২ সালে। ডিভোর্সের মামলা দায়ের করার পর ৫০ কোটির ভরণ-পেষণ চেয়েছিলেন রীনা। তবে শেষ পর্যন্ত ঠিক কত টাকায় রফা হয়েছিল তা জানাতে চায়নি কোনও পক্ষই।

২. সঞ্জয় দত্ত ও রিয়া পিল্লাই: বিবাহিত থাকাকালীন সময়ে দু'জনেই জড়িয়ে পড়েছিলেন পরকীয়ায়। সঞ্জয়ের সঙ্গে নাম জড়িয়েছে মান্যতার। অন্য দিকে, টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজের সঙ্গে প্রেম চলছিল রিয়ার। ১৯৯৮ সালে বিয়ের পর থেকেই তাঁদের নিয়ে নানা রসালো কাহিনিতে ট্যাবলয়েডের পাতা ভরে গিয়েছিল। ২০০২ সালে ডিভোর্সের সময় ৮ কোটি টাকা ভরণ-পেষণ পান রিয়া।

৩. হৃতিক রোশন ও সুজান খান: ১৩ তম বিবাহবার্ষিকীর আগেই সুজানের থেকে আলাদা হওয়ার কথা শুনিয়ে সকলকে চমকে দিয়েছিলেন হৃতিক। ২০০০ সালে বিয়ের পর তা শেষ হয় ২০১৪ সালে। ১৪ বছরের বিবাহিত জীবন শেষ করার আসল কারণ জানা না গেলেও তাঁরা যে এখনও পরস্পরের বন্ধু রয়েছেন তা স্বীকার করেন দু'জনেই। ডিভোর্সের সময় সবাইকে চমকে ৪০০ কোটি টাকার ভরণ-পেষণ চেয়েছিলেন সুজান।

৪. করিশ্মা কপূর ও সঞ্জয় কপূর: ১৩ বছরের দাপত্য জীবন যে এমন তিক্ততার মধ্যে শেষ হবে তা কে জানত। রণধীর কপূরের বড় মেয়ের সঙ্গে শিল্পপতি সঞ্জয়ের বিয়ে হয়েছিল ২০০৩ সালে। দু'তরফের দোষারোপের পালা গড়ায় আদালত পর্যন্ত। শেষমেশ গত বছরের জুনে তাঁদের ডিভোর্স হয়। সঞ্জয়ের একটি বাড়ি ছাড়াও ১৪ কোটি টাকার বন্ড পান করিশ্মা। তার বদলে ছেলে-মেয়ের সঙ্গে ছুটি কাটানোর সুযোগ পান সঞ্জয়।

৫. সাইফ আলি খান ও অমৃতা সিংহ: অমৃতাকে প্রথম দেখার পর তাঁকে ফোন করে ডিনারের প্রস্তাবটা দিয়েছিলেন সাইফই। কিন্তু, তাতে না বলে দেন অমৃতা। জেদ করেই তাঁর বাড়িতে চলে এসেছিলেন সাইফ। ডিনার সেরে আর নিজের বাড়ি ফেরেননি পটৌডি-পুত্র। নব্বইয়ের দশকে তাঁদের লিভ-টুগেদারের সেই শুরু। এর পর বিয়ে। ১৩ বছরের ছোট সাইফের সঙ্গে অমৃতার ঘরকন্না ১২ বছরের। সে সম্পর্ক শেষ হয়ে ২০০৪ সালে। ডিভোর্সের সময় ৭ কোটির ভরণ-পেষণ নিয়েছিলেন অমৃতা।


মন্তব্য