kalerkantho


৭ রেকর্ড গড়ে এগিয়ে যাচ্ছে 'রইস'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৫:২৬



৭ রেকর্ড গড়ে এগিয়ে যাচ্ছে 'রইস'

একই সাথে কাবিলও মুক্তি পেয়েছে। কিন্তু শাহরুখ আর কাবিলের মধ্যে এগিয়ে কে? এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য কিছুদিন অপেক্ষা তো করতেই হবে। শাহরুখের রইস কেন এই রেকর্ড গড়ে ফেলেল? ২৫ জানুয়ারি রিলিজ করেছে রইস। ছবিতে প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করেছেন শাহরুখ খান। তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন পাকিস্তানি অভিনেত্রী মাহিরা খান। এ ছাড়া আছেন নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি। ছবিটি পরিচালনা করেছেন রাহুল ঢোলাকিয়া। প্রযোজনা করেছেন রীতেশ সিধওয়ানি ও ফারহান আখতার। যেসব রেকর্ড রইসের থলিতে।

১. ২৬ জানুয়ারির সেরা ওপেনিং। এখনও পর্যন্ত ২৬ জানুয়ারি যতগুলো ছবি রিলিজ করেছে, তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয় করেছে রইস।

২. জানুয়ারি মাসে মুক্তি পাওয়া ছবিগুলির মধ্যে উইকএন্ডের আয়ের বিচারেও এগিয়ে আছে রইস। সপ্তাহশেষে সবচেয়ে বেশি আয় যে ছবিগুলো করেছে তার মধ্যে রইস এক নম্বরে।

৩. যখন দুই বা ততধিক ছবি একই দিনে রিলিজ করেছে, তার প্রভাব পড়েছে বক্স অফিসে। ওই ছবি দুটির মধ্যে যেটি সবচেয়ে বেশি আয় করেছে, তারও একটি লিস্ট আছে। সেই লিস্টেও প্রথম নাম রইসের।

৪. এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি আয় সপ্তাহে যে ছবিগুলো করেছে, তার মধ্যেও রইস আছে প্রথমে।

৫. সালমানের জয় হো'র রেকর্ড ভেঙেছে রইস। জয় হো মুক্তির প্রথম দিন যত আয় করে তার চেয়ে বেশি করে শাহরুখের রইস। রইস প্রথমদিন ব্যবসা করে ২৬.৩০ কোটি জয় হো করেছিল ২৬.২৫ কোটি রুপি।

৬. গ্যাংস্টারদের জীবনী নিয়ে নির্মিত কোনো এক সপ্তাহে ছবি এত আয় করেনি।

৭. মুক্তির প্রথম ঘণ্টাতেই বি-টাউনে রীতিমতো সাড়া ফেলে দেয় ট্রেলার। মুক্তির পর মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই ইউটিউবে ট্রেলারটির ভিউ আড়াই লাখ অতিক্রম করে।

জীবনীভিত্তিক ছবি 'রইস' গুজরাটের গ্যাংস্টার আবদুল লতিফের জীবনের ছায়া অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে। চিত্রনাট্য নিয়ে গবেষণার সময়ই তার পরিবারকে সেটি জানানো হয়। ছবির প্রচার প্রচারণার সময় আবদুল লতিফের ছেলে, মুস্তাক আহমেদের মনে হয়েছে ছবিতে তার বাবাকে সঠিকভাবে চিত্রায়িত করা হয়নি।  

'রইস' ছবিটিতে শাহরুখ খান ছাড়াও অভিনয় করেছেন নওয়াজ উদ্দিন সিদ্দিকি, মাহিরা খান। ছবিতে আশির দশকে গুজরাটে রইস নামে এক চোরাকারবারীর গল্প বলা হয়েছে। বড় ধরনের ঝামেলা না হলে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে ছবিটি মুক্তি দেওয়া কথা রয়েছে।

আবদুল লতিফ প্রায় এক ডজন হত্যা মামলা, অপহরণ ও চোরাকারবারির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ধারণা করা হয় দাউদ ইবরাহিমের দলের একাংশের সদস্য তিনি। ১৯৯৫ সালে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর জেল থেকে পালাতে গিয়ে ১৯৯৭ সালে পুলিশের গুলিতেই মারা যান তিনি।

 


মন্তব্য