kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


অবশেষে ‘অ্যায় দিল’ নিয়ে মুখ খুললেন করণ জোহর

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ অক্টোবর, ২০১৬ ২২:৫৪



অবশেষে ‘অ্যায় দিল’ নিয়ে মুখ খুললেন করণ জোহর

আগামী ২৮ অক্টোবর মুক্তির দিন ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’-এর । কিন্তু, চার রাজ্যে (মহারাষ্ট্র, গোয়া, গুজরাট ও কর্নাটক) ইতিমধ্যেই সিনেমা প্রদর্শন না করার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছে সিনেমা ওনার্স এক্সিবিটর্স অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়া।

কিন্তু, এত সবের পরও মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন ছবির পরিচালক করণ জোহর।

কিন্তু, আজ মুম্বাই পুলিশের যুগ্ম কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ-এর পর অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন ধর্মা প্রোডাকশনসের কর্ণধার। দুই মিনিটের এক ভিডিও ক্লিপিংসে গোটা বিতর্ক নিয়ে নিজের বক্তব্য রেখেছেন করণ।

তিনি বলেন, ‘আমার কাছে দেশ সবার আগে। আর কোনো কিছু নয়। কিন্তু, আমি বরাবর মনে করে এসেছি, দেশভক্তি দেখানোর সেরা উপায় হল ভালোবাসা। আর আমার ছবিগুলির মাধ্যমে আমি তাই করে এসেছি। ’ তাঁর নীরবতার কারণ ব্যাখ্যা করে করণ জানান, ‘সবাই প্রশ্ন করছিল যে, কেন আমি দু’সপ্তাহ ধরে চুপ করে আছি। কারণ আমাকে যেভাবে দেশদ্রোহী বানানোর চেষ্টা করা হয়েছে, তাতে আমি সত্যি খুব ব্যথিত’।

সম্প্রতি করণের সমর্থনে মুখ খুলেছিলেন বলিউডে তাঁর বন্ধুরা। তাঁদের মধ্যে অন্যতম পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ। বেশ কিছু টুইটে গত বছর প্রধানমন্ত্রীর লাহোর সফরের সমালোচনা করেন তিনি। বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর তো ক্ষমা চাওয়া উচিত। কারণ গত বছর ডিসেম্বরে যখন করণ জোহর ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’-এর শ্যুটিং শুরু করেন সেই সময়েই প্রধানমন্ত্রী লাহোরে গিয়েছিলেন’। আজ গত বছর শ্যুটিংয়ের প্রসঙ্গ তুলে করণ বলেন, ‘আমি যখন শ্যুটিং শুরু করেছিলাম, তখন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন ছিল। ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের উন্নতিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ করা হচ্ছিল। এখনকার পরিস্থিতি হলে আমি পাক শিল্পীদের সঙ্গে নিতাম না। ’ বক্তব্য শেষে আর্জি জানিয়ে করণ বলেন, ‘ভারতীয় সেনার প্রতি আমার অশেষ সম্মান রয়েছে। এবং যেকোনো ধরনের সন্ত্রাসবাদের আমি কড়া নিন্দা করি। কিন্তু, আমার টিমের ৩০০ জন কাজ করে। এবং তাঁরা কোনো সমস্যায় পড়ুক, এটা আমি চাই না। উচিতও নয়। ’

এদিকে, ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’ নিয়ে সম্প্রতি ট্যুইটারে ব্যঙ্গের মুখে পড়েন করণ। তাঁর ছবিকে ‘অ্যায় দিল’-এর পরিবর্তে ‘গে দিল’ বলে ট্যুইট করা হয়। সেটিকে রি-ট্যুইট করে পরিচালকের আক্ষেপ, ‘কখনও কখনও এই ধরনের ট্যুইটের কারণে ট্যুইটার ছেড়ে চলে যেতে ইচ্ছা করে। ’

সূত্র: এই সময়


মন্তব্য