kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সময় গড়ালেও বয়স ছুঁতে পারেনি রেখাকে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১০ অক্টোবর, ২০১৬ ২৩:২৯



সময় গড়ালেও বয়স ছুঁতে পারেনি রেখাকে

বলিউডের এভারগ্রিন বিউটি তিনি। পর্দা থেকে তিনি যতবার দর্শকের চোখে চোখ রেখেছেন, ‘খুবসুরত’ রেখায় আছন্ন হয়েছে প্রজন্ম।

সময় আবিষ্ট হয়েছে তাঁর চার্মে, আর সময়কে বিবশ করে রেখেই তিনি ছুঁয়ে ফেললেন ৬২’র মাইলস্টোন। কিন্তু কে না জানে, সিনেমার ঢং বদলায়, নায়িকারা আসেন ও যায়, কিন্তু রেখার বয়স বাড়ে না।

ভানুরেখা গণেশন থেকে বলিউডের এভারগ্রিন ডিভা হয়ে ওঠার পথটি সোজা ছিল না। সিনেমার ঝকঝকে উপস্থাপনার নেপথ্যে যেমন থাকে বহু সংগ্রামের কাহিনী, ঘাম রক্তের ইতিহাস, রেখার ব্যক্তিগত জীবনের সেই ইতিহাসটিও কারও অজানা নয়। এ এক আশ্চর্য সমাপতন যে সংগ্রামে-সাফল্যে যিনি হিন্দি সিনেমার দুনিয়ায় নারী শক্তির ক্ষমতায়নের প্রতিভূ হয়ে উঠেছেন, তাঁর জন্মদিনও দেবীপক্ষেই।

জীবিকার প্রয়োজনে একাধিক এমন ছবি করতে হয়েছে, যা নিম্নমানের। মানুষ সে ছবির কথা মনে রাখেনি। কিন্তু মনে রেখেছে মানুষকে। যে জেদ ও অধ্যবসায় তিনি দেখিয়েছেন। বি-গ্রেড সিনেমার নায়িকা থেকে নিজেকে আর্ট হাউসের অন্যতম প্রধান ভূমিকায় তুলে নিয়ে আসাকে কুর্নিশ জানিয়েছে হিন্দি সিনেমার দুনিয়া। নারী প্রধান সিনেমার যে পথ তিনি তৈরি করেছিলেন, আজ তারই সুফল যে বলিউড পাচ্ছে তা অনস্বীকার্য।

গসিপ, সম্পর্কের ভাঙা-গড়া সব মিলিয়ে ছবির মতোই তাঁর জীবন বর্ণময়। বলা বাহুল্য তিনি নিজেই এক প্রতিষ্ঠান। পুরস্কার বা সিনেমার সংখ্যায় তাই রেখার পরিমাপ হয় না। সংগ্রামের যে সৌন্দর্য, লালিত্যা-কমনীয়তার সঙ্গে ব্যক্তিত্বের কাঠিন্য মিশলে যে অনমনীয় আভিজাত্য ফুটে ওঠে তার নামই রেখা। দেবীপক্ষে যখন নারীশক্তির আরাধনা গোটা দেশজুড়ে, তখন তাঁর জন্মদিনে সেই নারী শক্তির অন্য সৌন্দর্যকেই কুর্নিশ জানাচ্ছে দেশবাসী।


মন্তব্য