kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


'ছিঃ আমাকে ওরা রাস্তায় নামিয়ে দিল'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২১:৩৯



'ছিঃ আমাকে ওরা রাস্তায় নামিয়ে দিল'

কলকাতার 'মহানায়ক’ সিরিয়াল দেখে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ সুপ্রিয়া।   তিনি দাবি করেন এই সিরিয়াল নিয়ে যা হচ্ছে কুৎসা।

দেখতে শুরু করেছিলাম। কৌতূহল নিয়েই। খানিকটা দেখার পর আর সহ্য করতে পারলাম না। বন্ধ করে দিয়েছি। উত্তমকুমারের বলেই আর পারলাম না। ওর জীবন নিয়ে ধ্যাষ্টামো হচ্ছে এখানে। প্রথম এপিসোড থেকেই। তিনি বলেন,  আরম্ভটাই তো আপত্তিকর। মহিলা-কণ্ঠের ন্যারেশন। বলছে, তাঁর চারপাশে ভিড় করতে লাগলেন ইচ্ছা-পূরণের নায়িকারা। ধরে ধরে এক এক করে দেখানো হল রমাদি (সুচিত্রা সেন), সাবু (সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়) আর আমাকে। আমরা আমাদের ইচ্ছে-পূরণের জন্য উত্তমকুমারের চারপাশে ভিড় জমিয়েছিলাম? ছিঃ!

আপত্তিটা কেন এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন,  রমাদিকে একেবারে ‘ককেট’ বানিয়ে দিয়েছে। সাদা বাংলায় ‘ছেনাল’। চন্দ্রনাথ সেন নাম দিয়ে ওর স্বামী দিবানাথ সেনকে জোকার। কেবল তাই নয়, প্রচণ্ড ডিগনিফায়েড সুচিত্রা সেন। তিনি ‘শাওনদেবী’ অর্থাৎ কাননদেবীর মুখে সাবিত্রীর প্রশংসায়, আর উত্তমকুমারের সঙ্গে তাঁর অভিনয়ের কথায় হিংসায় জ্বলে উঠছে। ঠেস দিয়ে কথা বলছে। এমনকী ডিরেক্টরের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে প্ল্যান কষে উত্তম-সুচিত্রা জুটির নতুন ছবির বিশ্রী পাবলিসিটি স্টান্ট দিচ্ছে। তাতে সমান তালে তাল দিচ্ছে মহানায়ক। কোন উন্মাদের মস্তিষ্কপ্রসূত এ সব!  ভাবতেও লজ্জা করে। ভাগ্যিস, দু’জনের কেউই আজ এ জিনিস দেখার জন্য বেঁচে নেই!  তিনি এক সাক্ষাতকারে বলেন, এই সিরিয়ালে আমাকে তো একেবারে প্রথম থেকেই রাস্তায় নামিয়ে দিয়েছে। ঘরে-বাইরে আমি রাস্তার মেয়ে। আমার এন্ট্রিটাই তো অতি নিম্নরুচির। অপমানজনক। ভাষ্যকার আমার পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে দর্শকের সঙ্গে।


মন্তব্য