kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


পাক ধারাবাহিক সম্প্রচার বন্ধের কথা ভাবছে ‘জি নেটওয়ার্ক’

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২২:৫২



পাক ধারাবাহিক সম্প্রচার বন্ধের কথা ভাবছে ‘জি নেটওয়ার্ক’

পাকিস্তান, মিশর, তুরস্কের মতো ভিনদেশের ধারাবাহিককে ভারতে জনপ্রিয় করেছে ‘জি নেটওয়ার্ক’-এর ‘জিন্দগি টিভি’-ই! চ্যানেলটির কল্যাণেই ভারতীয় দর্শকের ঘরে ঘরে সম্প্রচারিত এবং জনপ্রিয় হয়েছে ‘জিন্দগি গুলজার হ্যায়’ এবং ‘হামসফর’-এর মতো পাক ধারাবাহিক। এমনকী, ‘হামসফর’ ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তাই বলিউডে প্রতিষ্ঠিত করেছে ফওয়াদ খান, মাহিরা খানের মতো পাক শিল্পীদের! কিন্তু, এবার বোধহয় ধারাবাহিক সম্প্রচারের সেই ভারত-পাক মৈত্রীও শেষের মুখে এসে দাঁড়াল!
দিন দুই আগেই হুমকি দিয়েছিল মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা- ভারতে বসবাসকারী পাক শিল্পীদের অবিলম্বে পাততাড়ি গোটাতে হবে।

তার জন্য তাঁদের মেয়াদ দেওয়া হয়েছিল ৪৮ ঘণ্টার! সেই ঘোষণার পরেই জানালেন ‘জি নেটওয়ার্ক’-এর সর্বেসর্বা সুভাষ চন্দ্র, তাঁরা ‘জিন্দগি টিভি’তে পাক ধারাবাহিকের সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়ার কথা ভাবছেন। উরি হামলায় ভারতকেই দোষী সাব্যস্ত করা নিয়ে পাক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে টুইট করে এ কথা জানিয়েছেন সুভাষ চন্দ্র।
নিউ ইয়র্কে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ অধিবেশন সেরে ফেরার সময় পাক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ বলেন, “উরির ঘটনা হয়তো কাশ্মীরে ভারতের দীর্ঘদিনব্যাপী অত্যাচারেরই ফলশ্রুতি৷ উরির সেনা ছাউনিতে হামলার ১২ ঘণ্টার মধ্যে ভারত পাকিস্তানকে দোষারোপ করল৷ কোনও সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ এই অন্যায় অভিযোগ মেনে নেবেন না৷” তার পরেই টুইট করেন সুভাষ- “রাষ্ট্রসঙ্ঘের অধিবেশনে মিঞা শরিফের এই পক্ষাবলম্বন সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক! জি-এর এবার মনে হচ্ছে, জিন্দগিতে সম্প্রচারিত সব পাক ধারাবাহিক বন্ধ করে দেওয়া তো উচিতই, পাশাপাশি সব পাক শিল্পীরই এ দেশ ছেড়ে চলে যাওয়া উচিত!”
তবে, কবে থেকে ‘জিন্দগি টিভি’তে পাক ধারাবাহিকের সম্প্রচার বন্ধ হয়ে যাবে, তা নিয়ে কিছু জানাননি সুভাষ! তাঁর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত কি না, তা সময়ই বলবে!


মন্তব্য