kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


গাঁজার কারণেই কি অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ও ব্র্যাড পিটের বিচ্ছেদ?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৭:২১



গাঁজার কারণেই কি অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ও ব্র্যাড পিটের বিচ্ছেদ?

অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ও ব্র্যাড পিট তারকা দম্পতিকে একত্রে ব্র্যাঞ্জেলিনা বলা হয়। তাদের সম্পর্ক বিচ্ছেদের কথা শুনে ব্যথিত হয়েছেন বহু ভক্তই।

তবে জানা গেছে, অ্যাঞ্জেলিনা জোলিই তাদের সম্পর্ক বিচ্ছেদের আবেদন করেছেন। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে গার্ডিয়ান।
গাঁজার কারণে অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ও ব্র্যাড পিট তারকা দম্পতির দাম্পত্য বিচ্ছেদের শিকার হতে হচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে এ ঘটনার সূত্রপাত এখন নয়, বহু আগেই ঘটেছিল।
আদালতে বিচ্ছেদের আবেদনের মধ্য দিয়ে ১২ বছরের সম্পর্কের ইতি টানলেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ও ব্র্যাড পিট। এর মধ্য দিয়ে আলোচিত ‘ব্র্যাঞ্জেলিনা’ জুটিকে ভেঙে দিলেন ব্র্যাড ও অ্যাঞ্জেলিনা। গত মঙ্গলবার বিচ্ছেদের প্রথম আরজি এল স্ত্রী জোলির কাছ থেকে। আর গতকাল বুধবার স্বামী ব্র্যাড পিট গণমাধ্যমে নিজের বিবৃতিও প্রকাশ করলেন। হলিউডের সবচেয়ে প্রভাবশালী দম্পতির এই বিচ্ছেদের খবরে সাড়া পড়ে গেছে পুরো বিশ্বে।
বিচ্ছেদের আবেদনে বলা হয়েছে, অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ব্র্যাড পিটের গাঁজা ও মদ্যপানে আসক্তির কারণে অত্যন্ত হতাশ। আর এ কারণেই তিনি বিচ্ছেদ চাইছেন।
সম্প্রতি ব্র্যাড পিট জানিয়েছেন তার গাঁজা আসক্তির ইতিহাস। তিনি ১৯৯০ সালে গাঁজায় আসক্ত ছিলেন। তিনি এক সাক্ষাৎকারে হলিউড রিপোর্টারকে বলেন, ‘আমি অতিরিক্ত ডোপ ধূমপান করতাম। আমি কোথাও বসে নিজেকে প্রায় ডগনাটে পরিণত করতাম। এরপর আমি এক পর্যায়ে নিজেকে নিয়ে নিজেই বিরক্ত হয়ে পড়তাম। ’
তবে ২০০৯ সালে তিনি গাঁজার নেশা বাদ দিতে সক্ষম হন বলে জানান। সে সময় ব্র্যাড পিট বলেন, ‘আমি এখন একজন বাবা। আপনার সতর্ক থাকতে হবে। ’
আর বাবা হওয়ার পর গাঁজার নেশা ত্যাগ করেছেন বলেই জানান ব্র্যাড পিট। তাহলে কী কারণে তাদের বিচ্ছেদ? এ প্রসঙ্গে আইনজীবী জানান, ক্যালিফোর্নিয়ার আইন অনুযায়ী এক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট কারণ প্রয়োজন নেই। কোনো দম্পতির মাঝে একজন যদি সম্পর্ক বিচ্ছেদ চান তাহলে বিশ্বাসভঙ্গ, বিসর্জন ইত্যাদি কোনো কারণ দেখানোর বাধ্যবাধকতা নেই।
তাহলে গাঁজার বিষয়টি কেন এল? এ প্রসঙ্গে আইনজীবী বলছেন, এটি হতে পারে নিছক একটি অভিযোগ, যা জনগণের সামনে উপস্থাপিত হচ্ছে কিংবা অন্য কোনো কারণে।

 


মন্তব্য