kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


‘রাজনীতিক হিসেবে দেয়া কথা রাখতে না পারা আজও দুঃখ দেয়’

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০১:৫৪



‘রাজনীতিক হিসেবে দেয়া কথা রাখতে না পারা আজও দুঃখ দেয়’

রাজনীতিতে নাম লেখানোর সময় আর পাঁচজন রাজনীতিকের মত প্রতিশ্রুতির বন্যা ছুটিয়েছিলেন। রাজনীতিকদের নিয়ম মেনেই তা রাখতে পারেননি।

কিন্তু সেই কথা দিয়ে কথা না রাখতে পারা আজও দুঃখ দেয় অমিতাভ বচ্চনকে। ১৯৮৪-তে দীর্ঘদিনের বন্ধু রাজীব গান্ধীর সমর্থনে এলাহাবাদ থেকে কংগ্রেসের টিকিটে ভোটে দাঁড়ান অমিতাভ। বিশাল ব্যবধানে জেতেনও। তবে মাত্র ৩ বছর পরে ইস্তফা দেয়ায় তাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ার দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ভোটপ্রচারের সময় রাজনীতির নিয়ম মেনেই অসংখ্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি। দিন বদলেছে। গঙ্গা দিয়ে বয়ে গেছে নানা সময়ের পানি। ভোটাররা তাঁর দেয়া প্রতিশ্রুতি কবেই ভুলে গেছেন। কিন্তু ভোলেননি বিগ বি।

৭৩ বছরের অভিনেতা জানিয়েছেন, ভোট চাওয়ার সময় দেয়া প্রতিশ্রুতি রাখতে না পারার দুঃখ এখনো তাঁর মধ্যে রক্তক্ষরণ ঘটায়। যদি প্রশ্ন করা হয়, জীবনে কী নিয়ে খেদ আছে, তাহলে তা এটাই। অমিতাভ বলেছেন, সামাজিকভাবে যতটুকু করা সম্ভব, তা করার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু তিনি জানেন, এলাহাবাদের মানুষ তাঁকে এ জন্য এখনো ক্ষমা করেননি।

মাত্র ৩ বছরের মধ্যেই কেন রাজনীতি নিয়ে মোহভঙ্গ ঘটল তাঁর? অমিতাভের কথায়, আবেগের মাথায় রাজনীতির ময়দানে পা রাখার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। পরে বোঝেন, রাজনীতিতে আবেগের কোনো জায়গা নেই। তাই নিজের অক্ষমতা বুঝে সেখান থেকে সরে যান।

তাঁর এই সিদ্ধান্ত কি গান্ধী পরিবারের কাছ থেকে তাঁকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে? অমিতাভ মনে করেন, রাজীব গান্ধীর সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব অক্ষয় ছিল, তা হারাতে হয়নি তাঁকে। তবে বন্ধুত্ব যেহেতু ব্যাখ্যার অতীত, তাই এ নিয়ে আর কথা বলেন না তিনি।

সূত্র: এবিপি আনন্দ


মন্তব্য