kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


এক বলিউড তারকার সাথে দাউদের যোগাযোগ রয়েছে!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৪:৪৭



এক বলিউড তারকার সাথে দাউদের যোগাযোগ রয়েছে!

বলিউডের সঙ্গে দাউদ ইব্রাহিমের যোগাযোগের কথা অজানা নয়। কিন্তু এবার ইন্টেলিজেন্স এজেন্সিগুলোর হাতে উঠে এসেছে এক নতুন তথ্য।

বলিউডের এক প্রথমসারির অভিনেতার সঙ্গে দাউদের যোগাযোগ আছে। সেই অভিনেতার হয়ে দাউদ বিদেশে টাকা পাচার করেন।

দাউদ ইব্রাহিমের নতুন কোড নেম 'বড়ে হজরত'। এই নামেই এখন ডি-কম্পানির লোকরা ব্যবসা চালায়। ভারতের এক বলিউড স্টার ও কিছু বড় 'হোয়াইট কলার' মানুষের টাকা পানামা ও কানাডায় পাচার করে তারা।

ভারতের ইন্টেলিজেন্স এজেন্সিগুলো এই কালো টাকা আবার ভারতে ফিরিয়ে আনার তোড়জোড় শুরু করেছে। সেই বলিউড স্টারের সম্পর্কে জানা গেছে। তাকে চিহ্নিত এখনও করা যায়নি। কিন্তু সেই স্টার কে হতে পারে, সেই সম্পর্কে একটা ধারণা তাদের আছে। কিন্তু বাকিদের এখনও চিহ্নিত করা যায়নি। তবে এটুকু জানা গেছে তাদের মধ্যে কয়েকজন রাজনীতিবিদ। ২০১২ সালে তাদের কালো টাকা বিদেশে গিয়েছিল।

এইসব রাজনীতিবিদ ও বলিউড স্টারের কালো টাকা সাদা করার ব্যবসা চালায় ডি-কম্পানি। এদের পাকিস্তানের এক অপারেটক ও শারজাহের এক অপারেটরের টেলিফোনিক কনভার্শেসন ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির হাতে এসেছে। সেখান থেকে জানা গেছে, ২০১২ সালে পানামা ও কানাডায় প্রায় ৪৫ কোটি বা ৪৫ হাজার কোটি কালো টাকা পাচার করা হয়েছিল। সেটি সাদা টাকায় রূপান্তরিত করে দেশে ফেরানোর তোড়জোড়ও নাকি চলছে।

আবার এও শোনা যাচ্ছে যেই ব্যক্তি সেই টাকা পানামা ও ক্যানাডায় পাচার করেছিল, সে কিছু ভুল করে ফেলে। ফলে ব্যাংক সেই টাকা ব্লক করে দেয়। ডি-কম্পানির শারজাহের অপারেটিভ নাকি সেই টাকা ছাড়ানোর জন্য তার দুই কর্মচারীকে গত বছর ১৬ নভেম্বর কানাডা পাঠায়। গোটা ঘটনায় দাউদ একেবারেই খুশি ছিল না। সেই ভারতীয়দের টাকা কেন ব্লক করা হয়, তা জানতে চেয়েছিল দাউদ।

এজেন্সির পক্ষ থেকে জানা গেছে, এই সব 'হোয়াইট কলার' ভারতীয়দের পরিচয় পাওয়া আগে দরকার। তবে তারা মনে করছে খুব শিগগিরই প্রমাণ তাদের হাতে আসবে।  


মন্তব্য