kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


আমি অন্তত পর্নস্টার নই...

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৫:২১



আমি অন্তত পর্নস্টার নই...

সেন্সর বোর্ডকে একহাত নিলেন রাখি সাওয়ান্ত। তাঁর ছবি এক কাহানি জুলি কি 'এ' সার্টিফিকেট পেয়েছে।

সেন্সর বোর্ডের এই সিদ্ধান্ত পছন্দ হয়নি রাখির। সেই সম্পর্কে বলতে গিয়েই তিনি বোর্ড এবং সানি লিওনকে কটাক্ষ করেছেন।

রাখি জানিয়েছেন, ওরা শুধু বিগ ব্যানারগুলো থেকে টাকা নিতে পারে। আর যে সব প্রোডিউসারের কম টাকা আছে তাদের টিজ করতে পারে। এর বেশি কিছু করতে পারে না সেন্সর বোর্ড। বোর্ডের যাঁরা সদস্য তাঁরা তাঁদের পদমর্যাদার ফায়দা তুলছেন। আসলে তাঁদের শিক্ষাগত যোগ্যতা অসম্পূর্ণ। তাঁরা অশিক্ষিত। তিনি বলেছেন, আমি পহেলাজ নিহলানির বাড়িতে যাব আর তাঁকে চেয়ারম্যানের সিট থেকে টেনে নামাব। তিনি যদি কিছু না জানেন, তাহলে তাঁর পদত্যাগ করা উচিত। আমি ওই জায়গায় বসব। আমার মনে হয় আমি কাজটা ভালো করতে পারব। প্রযোজকদের ক্যাটাগরি আর ব্যানার দেখে অন্তত সার্টিফিকেট দেব না।

রাখির মনে হয়, তাঁর ছবি এ সার্টিফিকেট পেয়েছে কারণ সেটি তাঁর ছবি। রাখি সাওয়ান্তের ছবি। একজন আইটেম গার্ল হিরোইন হয়েছে, সেই নিয়েই হয়ত বোর্ডের আপত্তি আছে। এমনই মনে হয় রাখির। আমি এই দেশের মেয়ে। বলিউড স্টার। অভিনেত্রী। আইটেম গার্ল। কিন্তু আমি অন্তত পর্নস্টার তো নই। মন্তব্য রাখির।

তবে এখানেই থেমে থাকেননি রাখি। সানি লিওনকেও কটাক্ষ করেছেন তিনি। বলেছেন, আমি বিদেশ থেকে আসিনি, আর আমি পর্নস্টারও নই। ওরা এক পহেলি লীলাকে U/A সার্টিফিকেট দিতে পারল। যেখানে একজন পর্নস্টার নগ্ন হয়েছে, ছোটো জামাকাপড় পরেছে। ছবির বিষয়বস্তুও অশ্লীল। অথচ এক কাহানি জুলি পেল এ। আমি ১২ বছর ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে স্ট্রাগল করছি। কিন্তু আমার ছবিতে কোনো অ্যাডাল্ট কনটেন্ট নেই।

রাখি এও জানিয়েছেন, ইস্যুটি নিয়ে তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। বলেছেন,  সেন্সর বোর্ডকে আমি শিক্ষা দেব। হাইকোর্টে আমি আবেদন করেছি। আশা করি, আদালত এটা নিজের হাতে নেবে আর দেশ থেকে সেন্সর বোর্ডকে মুছে ফেলবে।


মন্তব্য