kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


পুরুষদের সবচেয়ে বড় ভুল কী? বললেন সারাহ জেন ডায়াস

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১১:২৬



পুরুষদের সবচেয়ে বড় ভুল কী? বললেন সারাহ জেন ডায়াস

সারাহ জেন ডায়াস একাধারে একজন ভারতীয় অভিনেত্রী, চ্যানেল ভি’র সাবেক ভিজে এবং ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া ২০০৭ এর মুকুটজয়ী। সম্প্রতি ম্যানস ওয়ার্ল্ড ইন্ডিয়া ডটকমের সঙ্গে তিনি নারী স্বাধীনতা, দশ মাত্রিকভাবে চিন্তা করা এবং কীভাবে নারীরা দয়ালু, আবেগগতভাবে উদার এবং কঠোর পরিশ্রমী পুরুষদের প্রতি অনুরক্ত থাকেন বা আনুকূল্য দেখান সেসব বিষয়ে কথা বলেন।

সারাহ বলেন :

১. আমাদের নারীদের সকলেই এমনটা বিশ্বাস করেন না যে, পুরুষদেরকে অবশ্যই পরিবারের ভরণ-পোষণের ব্যয়ভার বহন করতে হবে। কারণ বিশেষ করে পুরুষরা ওই দায়িত্ব পালন করার মাধ্যমেই নারীদের ওপর নিজেদের কর্তৃত্ব ফলানোর সুযোগ নেন। কেন আমরা কারো ওপর নির্ভরশীল হতে যাব যখন ওই নির্ভরশীলতা আমাদেরকে নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হবে? এ জন্যই নোয়েল বিয়ন্সে বলেন, "আমি বরং নিজের দুই পায়ের ওপর দাঁড়াবো। নিজের জীবনযাপনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ নিজেই আয় করব। এবং নিজের গহনা নিজেই কিনব। "

২. পুরুষরা দ্বিমাত্রিকভাবে চিন্তা করে। আর আমরা নারীরা চিন্তা করি দশ মাত্রিকভাবে।

৩. সমাজে এতটা গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থাকার পরও পুরুষরা যে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে তা খুবই বিদ্রুপাত্মক। আর এ বিষয়টি আমাদের নারীদেরকে সব সময়ই বিস্মিত করে।

৪. আমরা আমাদের ঘর গুছিয়ে রাখতে পছন্দ করি। ঘরের জিনিসপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকুক তা আমরা পছন্দ করি না। কিন্তু কোনো নারী যদি আপনাকে এর উল্টোটা বলে তাহলে বুঝবেন সে মিথ্যা বলছে।

৫. কোনো পুরুষের ব্যাপারে নিজেদের বন্ধুদের মতামতকে আমরা গুরুত্ব দেই। কিন্তু পুরুষরা তা করেন না।

৬. আমাদেরকে রিলাক্স করার কথা বললে কোনো কাজ হয় না। এতে বরং আমাদের ওপর উল্টো প্রভাব পড়ে।

৭. আমরা চিন্তাশীল হতে চাই। হৃদয়ের গভীর থেকে যে উপহারটি দেওয়া হয় সেটিকেই আমরা সেরা উপহার মনে করি। যেমন দিনের শত কর্মব্যস্ততার মধ্যেও একসঙ্গে সিনেমা দেখার জন্য সময় বের করা।

৮. যখন কোনো পুরুষ আমাদের জিজ্ঞেস করে আমরা ঠিক আছি কিনা, তখন আমরা বলি, 'ভালো আছি,' আমরা আসলে মিথ্যা কথা বলি। সত্যি কথাটা হলো আমরা ভালো নেই। কিন্তু শান্তি বজায় রাখার জন্য আমরা মিথ্যা বলি। অথবা এ কথা বলার মধ্য দিয়ে আমরা আসলে চাই পুরুষটি যেন আপনাতেই বুঝে নেয় কিছু একটা গণ্ডগোল আছে বা সমস্যা হয়েছে।

৯. আমাদের বেশির ভাগই পুরুষরা কত টাকা আয় করে বা না করে তা নিয়ে সত্যিই খুব একটা মাথা ঘামাই না। অন্তত ততক্ষণ না যতক্ষণ পুরুষরা দয়ালু থাকেন, আবেগগতভাবে উদার হন এবং কঠোর পরিশ্রম করেন।

১০. আমরা নারীরা স্বাধীনতা এবং একান্তে বেশি সময় কাটাতে পছন্দ করি। যা হয়ত পুরুষরা কখনোই জানতে পারবে না।
সূত্র : ম্যানসওয়ার্ল্ড ইন্ডিয়া ডটকম


মন্তব্য