kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বাংলাদেশে শিলাজিতের প্রথম গান ‘অসহায়’

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৭:২৫



বাংলাদেশে শিলাজিতের প্রথম গান ‘অসহায়’

শিলাজিৎ। গেল ২২শে শ্রাবণ মানুষটির বয়স ৫০ পেরিয়েছে।

কলকাতার মানুষ যাকে আদর করে ডাকেন প্রথাবিরোধী শিল্পী। নিজের কথা-সুর-গায়কী দিয়েই তিনি স্রোতের বিপরীতে ছুটছেন গেল প্রায় ৩০ বছর ধরে। করেছেন একাধিক ছবিতে অভিনয়ও। অথচ কী আশ্চর্য, বাংলায় গেয়েও এতকাল বাংলাদেশের গান গাওয়া হলো না তার! গেল বছর একটি এফএম রেডিওর আমন্ত্রণে প্রথম বাংলাদেশে এসেছেন ক্ষণিকের জন্য। ফিরে যাওয়ার আগে বলেছিলেন, ‘আমি এই দেশের জন্য গান গাইতে চাই। এই মানুষের সামনে প্রাণভরে পারফর্ম করতে চাই। বাঙ্গালি হিসেবে এটাও আমারই দেশ, কাঁটাতার এখানে ফ্যাক্টর হতে পারে না। ’

পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় এই সংগীত শিল্পীর সেই ইচ্ছে পূর্ণ হতে যাচ্ছে আসন্ন ঈদ উৎসবে। সম্প্রতি তিনি প্রথমবারের মতো গাইলেন বাংলাদেশের গান। দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী-সুরকার জয় শাহরিয়ারের সুরে এবং মাহমুদ মানজুরের কথায় এই গানটির শিরোনাম ‘অসহায়’। যা এই ঈদে এক্সক্লুসিভ সিঙ্গেল হিসেবে প্রকাশ পাচ্ছে সিএমভির ব্যানার হয়ে জিপি মিউজিক অ্যাপস-এ।  

সম্প্রতি কলকাতার স্টুডিওতে গানটি রেকর্ড শেষে শিলাজিৎ বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের গান গাইতে পেরে স্বস্তি পেয়েছি। আসলে গাইলে তো সবখানেই গাওয়া যায়। কিন্তু গাইবার মতো গানইবা কোথায় পাই? সে হিসেবে এই গানটির কথা-সুর আমাকে টেনেছে, ভাবিয়েছে খুব। তাই মনভরে গাইলাম, তৃপ্তি পেলাম। এই গানটি দিয়ে বাংলাদেশের শ্রোতাদের কাছে আমার খানিক ঋণ শোধ হবে হয়তো। কারণ, সেখানে অসংখ্য শ্রোতা আছেন, যারা গেল দুই দশক ধরেই বলছিলেন, বাংলাদেশে কেন আসিনা কেন গাই না? তাদের বলছি- এটাই শেষ নয় বরং এখান থেকেই শুরু করলাম। চিয়ার্স। ’          

এদিকে গানটির সুরকার-সংগীত পরিচালক জয় শাহরিয়ার বলেন, ‘গেল দুই যুগ ধরে উনার গান মুগ্ধ হয়ে শুনছি। প্রথম থেকেই ইচ্ছে ছিল উনার সঙ্গে একটা গান করার। সেটি এবার হয়ে গেল। গানটি করতে গিয়ে বুঝলাম শিলুদা শুধু শিল্পী হিসেবেই নন, মানুষ হিসেবে অনেক বড় হৃদয়ের। ভাবতে ভালো লাগছে, তিনি বাংলাদেশের প্রথম গান গাইলেন আমার সুর-সংগীতে। এই গানটি আমার সংগীত ক্যারিয়ারের অন্যতম অর্জন। ’

শিলাজিৎ মজুমদার গেল ৩০ বছরের ক্যারিয়ারে প্রকাশ করেছেন এক ডজন একক অ্যালবাম। অভিনয়ের সঙ্গে গান করেছেন প্রায় ২০টি চলচ্চিত্রে। তার জনপ্রিয় হওয়া গানের মধ্যে রয়েছে- লাল মাটির সরানে, ঝিন্টি তুই বৃষ্টি হতে পারতিস, ভগবান, এক্স ইকুয়্যালটু প্রেম, তোদের ঘুম পেয়েছে বাড়ি যা কিংবা ‘হেমলক সোসাইটি’র ‘জলফড়িং’ প্রভৃতি।  

 


মন্তব্য