'কঙ্গনার জন্মের পর মনে হয়েছিল গ্রামে-334926 | বিনোদন | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১৪ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৬ জিলহজ ১৪৩৭


'কঙ্গনার জন্মের পর মনে হয়েছিল গ্রামে কেউ মারা গেছে'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১২ মার্চ, ২০১৬ ০০:১৭



'কঙ্গনার জন্মের পর মনে হয়েছিল গ্রামে কেউ মারা গেছে'

জীবনের অন্যতম কঠিন সত্যি যে জন্মের সময় তাঁর বাবা-মা তাঁকে চাননি, একথা সম্প্রতি দুনিয়াকে বলে দিয়েছেন কঙ্গনা রানাউত। মেয়ের সেই বক্তব্যের জবাবে সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আজ কঙ্গনার বাবা অমরদ্বীপ রানাউত জানান হিমাচল প্রদেশের যে গ্রামে তাঁরা থাকতেন সেখানে সেইসময় মেয়ে হওয়াকে খুব খারাপ নজরে দেখা হত। তাই মেয়ের জন্মের পর তাঁদের গ্রামে কোনও আনন্দ উৎসব হয়নি। চারিদিকে এতটাই স্তব্ধতা ছিল, মনে হয়েছিল যেন কারও মৃত্যুর পর পারলৌকিক ক্রিয়া চলছে, জানিয়েছেন অমরদ্বীপ রানাউত।

বলিউডে আজ নিজের অভিনয়ের জোরে তিনি অনায়সেই যেকোনও নারী কেন্দ্রিক ছবিকে নিজের একার কাঁধে বয়ে নিয়ে যেতে পারেন। সাহসী স্বীকারোক্তি, নিজের মনের কথা অকপটে বলার সাহস এসব কিছুর জন্যেই মেয়েরা আজ তাঁকে অনুসরণ করেন।’কুইন’-এ তাঁকে দেখে বহু মেয়ে শিখেছে পুরুষ ছাড়াও বাঁচা যায়। আজ তিনি যা পারিশ্রমিক দাবি করেন বা পান, তা একসময় বলিউডে অভিনেত্রীরা ভাবতেও পারতেন না।

অথচ সেই মেয়েকেই চাননি তাঁর বাবা-মা। কঙ্গনার দিদি রঙ্গোলি যিনি বর্তমানে অভিনেত্রীর ম্যানেজারও, জানিয়েছেন বোনের জন্মের পর তাঁদের বাড়িতে এলাকার বিভিন্ন মানুষ ও আত্মীয়-স্বজনরা এসে হতাশা প্রকাশ করে গিয়েছিল। তাঁদের মা মন থেকে কখনোই মেনে নিতে পারেননি তাঁর ফের একটি কন্যা সন্তান হয়েছে। জীবনের এই প্রতিটি ঘটনাই কঙ্গনার ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে, দাবি তাঁর দিদির। এমনকি এখনও তাঁদের গ্রামের পরিস্থিতির এতটুকু পরিবর্তন হয়নি। তাই কঙ্গনা কন্যাভ্রুণ হত্যার বিপক্ষে এতটা সরব, জানিয়েছেন রঙ্গোলি।

সূত্র: এবিপি আনন্দ

মন্তব্য