kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ভিড়ের চাপে থমকে কঙ্গনা-শহিদদের ট্রেন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৬ মার্চ, ২০১৬ ১৪:১৭



ভিড়ের চাপে থমকে কঙ্গনা-শহিদদের ট্রেন

এই জনপদে ভোরের আলো ফোটে অনেকটা আগে। সাড়ে ৪টা থেকেই আকাশের কালো রং মুছতে শুরু করে প্রথম সূর্যের আলো।

রাস্তাঘাটে ভিড়ের বালাই থাকে না।

গত দুই-তিন দিনে অবশ্য ছবিটা বদলে গিয়েছে উত্তর-পূর্ব ভারতের অজ গ্রামটায়। সৌজন্যে বলিউড। অরুণাচল-অাসামের সীমানায় ধেমাজি জেলার ডিপা স্টেশনে এখন ভিড় করছেন হাজার দশেক মানুষ। সারা রাত। কারণ আর কিছুই না, কঙ্গনা রানাউত-শহিদ কাপুরের মতো তারকাদের নিয়ে সেখানে হাজির বিশাল ভরদ্বাজ। 'রেঙ্গুন' ছবির শ্যুটিং করতে। আর তাতেই পাগলপারা এলাকা। রীতিমতো মেলা বসে গিয়েছে স্টেশনের আশপাশে। বিক্রি হচ্ছে খেলনা, ঘুরছে নাগরদোলা। অনেকে আবার চড়ে বসেছেন গাছের মগডালেও।

কথা ছিল, পাঁচ দিন ধরে একটি গানের শুটিং হবে এই স্টেশনে। 'রেঙ্গুন' ছবির কাহিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আবহে গড়া। যেহেতু ওই যুদ্ধের অনেকটাই হয়েছিল অরুণাচল-মণিপুর-মিয়ানমার মিলিয়ে। তাই শুটিংয়ের জন্যও বিশাল দলবল নিয়ে সেখানেই হাজির সবাই। কিন্তু ভিড় সামলায় কে! ট্র্যাকের ওপর উঠে যাচ্ছে জনতা! মাইকে বার বার ঘোষণা হচ্ছে, 'দয়া করে আপনারা সরে যান। না হলে আমাদের অন্যত্র চলে যেতে হবে। ' কিন্তু কে শোনে কার কথা? ভোর সাড়ে ৪টায় 'কল টাইম' থাকলেও শহিদ-কঙ্গনা অধিকাংশ সময় বেরোতেই পারছেন না। গানের অন্য অংশগুলির অল্প শুটিং হয়েছে। যতক্ষণ শুটিং করেন শহিদ-কঙ্গনা, ততক্ষণ ভিড় সামলাতে নাকাল হয় পুলিশ। ভিড়ের চাপে প্রথম দফার চার দিনের শুটিং কোনোমতে সেরে কঙ্গনা-শহিদ রওনা হয়ে যান গুয়াহাটি হয়ে মুম্বাই। ক'দিন পরে তাঁরা ফিরলে আবার শুটিং শুরু হবে অরুণাচলের অন্য জায়গায়। টিম রেঙ্গুনের সদস্যদের উদ্বেগ, সেখানেও না আবার এমন কাণ্ডই হয়!


মন্তব্য