• ই-পেপার

রুবেলের বিরুদ্ধে মামলা চালাবেন না হ্যাপি

কঙ্গনার সিনেমার বিরুদ্ধে ২৫০ কোটির মামলা

বিনোদন ডেস্ক
কঙ্গনার সিনেমার বিরুদ্ধে ২৫০ কোটির মামলা
সংগৃহীত ছবি

আইনি জটিলতায় পড়েছে কঙ্গনা রানাউত অভিনীত বহুল আলোচিত সিনেমা ‘কুইন ২’। শুটিং শেষ হওয়ার পরই ছবিটির বিরুদ্ধে ২৫০ কোটি রুপির মামলা করেছে ‘কুইন’-এর মূল প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ফ্যান্টম স্টুডিওস।

ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ‘কুইন’-এর মেধাস্বত্ব (আইপি) লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে জিওস্টারের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছে ফ্যান্টম স্টুডিওস। 

সংস্থাটির দাবি, তাদের অনুমতি ছাড়াই ‘কুইন’-এর সিক্যুয়াল নির্মাণ করা হয়েছে, যা কপিরাইট ও মালিকানার শর্তের পরিপন্থী।

ফ্যান্টম স্টুডিওসের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার আগে জিওস্টার এবং পরিচালক বিকাশ বহেলের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করে আপত্তির বিষয়টি জানানো হয়েছিল। এমনকি আইনি নোটিশও পাঠানো হয়। কিন্তু তাতে কোনো ইতিবাচক সাড়া না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নেয় প্রতিষ্ঠানটি।

চলতি বছরের শুরুতে ‘কুইন ২’-এর শুটিং শুরু হয়। সম্প্রতি সিনেমাটির দৃশ্যধারণ শেষ হয়েছে এবং বর্তমানে পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ চলছে। ফ্যান্টমের দাবি, এসব অগ্রগতির বিষয়েও তারা অবগত ছিল। তাই অনুমতি ছাড়া কাজ এগোনোর অভিযোগেই দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘কুইন’ সমালোচক ও দর্শক—উভয়ের কাছেই ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছিল। সিনেমাটিতে অভিনয়ের জন্য কঙ্গনা রানাউত জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সেরা অভিনেত্রীর সম্মান অর্জন করেন। ছবিটি মোট দুটি জাতীয় পুরস্কার জিতেছিল। সিনেমাটির প্রযোজনায় ছিল ভায়াকম১৮ মোশন পিকচার্স ও ফ্যান্টম ফিল্মস।

২০১৮ সালে ফ্যান্টম ফিল্মসের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। পরে ২০২১ সালে ফ্যান্টম স্টুডিওস নামে নতুনভাবে যাত্রা শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। তাদের দাবি, ‘কুইন’-এর মেধাস্বত্বের ৫০ শতাংশ মালিকানা এখনো তাদের কাছেই রয়েছে। ফলে সিক্যুয়াল নির্মাণের আগে তাদের অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল।

জানা গেছে, বিষয়টি আদালতে যাওয়ার আগে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার একাধিক চেষ্টা হয়েছিল। তবে আলোচনায় সমাধান না আসায় শেষ পর্যন্ত আইনি লড়াইয়ের পথই বেছে নিয়েছে ফ্যান্টম স্টুডিওস।

অ্যাঞ্জেলিনার পর নতুন প্রেমিকা নিয়ে প্রকাশ্যে ব্র্যাড পিট

বিনোদন ডেস্ক
অ্যাঞ্জেলিনার পর নতুন প্রেমিকা নিয়ে প্রকাশ্যে ব্র্যাড পিট
সংগৃহীত ছবি

হলিউড অভিনেতা ব্র্যাড পিটের ব্যক্তিগত জীবন আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। দীর্ঘদিন ধরেই গয়না ডিজাইনার ইনেস ডি র‍্যামনের সঙ্গে তার সম্পর্কের গুঞ্জন চলছিল। এবার একটি তারকাবহুল অনুষ্ঠানে একসঙ্গে উপস্থিত হয়ে সেই আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন তারা।

সম্প্রতি সংগীত তারকা টেইলর সুইফট ও এনএফএল তারকা ট্রাভিস কেলসির বিয়ের অনুষ্ঠানে ব্র্যাড পিট ও ইনেস ডি র‍্যামনকে একসঙ্গে দেখা যায়। অনুষ্ঠানের বেশ কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তাদের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়। ছবিগুলোতে দুজনকে বেশ স্বচ্ছন্দ ও ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে দেখা গেছে।

ব্র্যাড পিট ও ইনেস ডি র‍্যামনের সম্পর্ক নিয়ে প্রথম গুঞ্জন ওঠে ২০২২ সালে। এরপর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে একসঙ্গে দেখা গেলেও তারা কখনোই নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেননি। ফলে সাম্প্রতিক এই উপস্থিতিকে অনেকেই তাদের সম্পর্কের সবচেয়ে প্রকাশ্য মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন।

এর আগে অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলির সঙ্গে ব্র্যাড পিটের সম্পর্ক ছিল হলিউডের সবচেয়ে আলোচিত প্রেমের গল্পগুলোর একটি। ২০০৫ সালে প্রেমের সূচনা হওয়ার পর ২০১৪ সালে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। তবে দুই বছর পর, ২০১৬ সালে বিচ্ছেদের আবেদন করেন জোলি। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে ২০২৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়।

ব্র্যাড পিট ও অ্যাঞ্জেলিনা জোলির ছয় সন্তান রয়েছে। বিচ্ছেদের পর সন্তানদের অভিভাবকত্ব, সম্পত্তি এবং আইনি বিরোধ নিয়ে বছরের পর বছর আলোচনায় ছিল এই সাবেক তারকা দম্পতি।

অন্যদিকে, ইনেস ডি র‍্যামন এর আগে অভিনেতা পল ওয়েসলির স্ত্রী ছিলেন। ২০১৯ সালে তাদের বিয়ে হলেও ২০২২ সালে সেই সম্পর্কের ইতি ঘটে।

প্রায় চার বছর ধরে সম্পর্কের গুঞ্জন শোনা গেলেও এবার একসঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা যাওয়ায় ভক্তদের অনেকেই মনে করছেন, ব্যক্তিগত জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন ব্র্যাড পিট।

আর্জেন্টিনার সমর্থক হয়ে মিশরের জয় চান নায়িকা বর্ষা

বিনোদন প্রতিবেদক
আর্জেন্টিনার সমর্থক হয়ে মিশরের জয় চান নায়িকা বর্ষা
সংগৃহীত ছবি

ফুটবল বিশ্বকাপজুড়ে আর্জেন্টিনার একনিষ্ঠ সমর্থক হিসেবে পরিচিত অভিনেত্রী আফিয়া নুসরাত বর্ষা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত প্রিয় দলের খেলা নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যায় তাকে। তবে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভিন্ন এক বার্তা দিয়ে আলোচনায় এসেছেন এই অভিনেত্রী।

আজ রাত ১০টায় বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে আটলান্টা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও মিশর। ম্যাচটি ঘিরে নিজের অবস্থান জানাতে গিয়ে বর্ষা জানান, প্রিয় দল হারলেও তার কষ্ট হবে না। কারণ হিসেবে তিনি তুলে ধরেছেন ধর্মীয় অনুভূতির বিষয়টি।

ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে বর্ষা লিখেছেন, ‘আজ প্রিয় দল আর্জেন্টিনা হারলেও আমার মনে কষ্ট লাগবে না। কারণ মন থেকে চাই দুনিয়ার বুকে মুসলিমদের জয় হোক; আমিন।’

May be an image of text

বর্ষার এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। একদল অনুসারী তার অনুভূতির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। আবার অনেকে মনে করছেন, খেলাধুলার সঙ্গে ধর্মীয় পরিচয়কে যুক্ত করা উচিত নয় এবং এ ধরনের মন্তব্য অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক তৈরি করতে পারে।

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে চলচ্চিত্রে অভিষেকের পর থেকে আফিয়া নুসরাত বর্ষাকে মূলত স্বামী অনন্ত জলিল প্রযোজিত ও অভিনীত সিনেমাগুলোতেই দেখা গেছে। গত বছর তারা অভিনয়জীবন থেকে সরে গিয়ে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার ঘোষণা দিলেও পরে সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আনেন। 

বর্তমানে হাতে থাকা চলচ্চিত্রগুলোর কাজ শেষ করার পাশাপাশি নতুন কিছু প্রকল্পেও তাদের যুক্ত হওয়ার খবর রয়েছে। শিগগিরই ‘কিল হিম ২’-এর শুটিংয়ে অংশ নেওয়ার কথাও শোনা যাচ্ছে।

পলির অভিযোগ নিয়ে মুখ খুললেন শিবা শানু

বিনোদন প্রতিবেদক
পলির অভিযোগ নিয়ে মুখ খুললেন শিবা শানু
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন শেষ হলেও তা ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা থামেনি। ভোটগ্রহণ ও ফল ঘোষণার পর বিভিন্ন অভিযোগ সামনে এনেছেন কয়েকজন শিল্পী। এর মধ্যে নির্বাচনে অর্থের প্রভাব ছিল বলে অভিযোগ করেন চিত্রনায়িকা পলি। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এবার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নবনির্বাচিত সভাপতি শিবা শানু।

তিনি মনে করেন, নির্বাচনে জয়-পরাজয় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ এবং পরাজয়ের পর অনেক সময় হতাশা বা অভিমানের জায়গা থেকে বিভিন্ন মন্তব্য আসে। তাই অভিযোগগুলোকে তিনি সেভাবেই দেখছেন।

শিবা শানু বলেন, ‘নির্বাচনে পরাজয় হলে স্বাভাবিকভাবেই মন খারাপ হয়। আবার বিভিন্ন ধরনের কথা শুনতে হলে সেই কষ্ট আরো বেড়ে যায়। আমি বিশ্বাস করি, সময়ের সঙ্গে এই খারাপ লাগা কেটে যাবে।’

নবনির্বাচিত কমিটির পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি জানান, শিল্পী সমিতির কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করতে একাধিক উপকমিটি গঠন করা হবে। সেখানে শুধু বিজয়ী সদস্যরাই নন, নির্বাচনে অংশ নেওয়া পরাজিত প্রার্থীদেরও যুক্ত করা হবে, যাতে সবাই মিলে শিল্পীদের কল্যাণে কাজ করতে পারেন।

তিনি বলেন, ‘যারা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, তারা সবাই শিল্পীদের জন্য কাজ করার ইচ্ছা নিয়েই এসেছেন। তাই তাদের অভিজ্ঞতা ও আগ্রহকে কাজে লাগাতে চাই। উপকমিটিগুলোতে তাদের সম্পৃক্ত করা হবে, যাতে সবাই মিলে শিল্পী সমিতিকে এগিয়ে নেওয়া যায়।’

চিত্রনায়িকা পলির অর্থের প্রভাব সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়েও নিজের অবস্থান তুলে ধরেন শিবা শানু। অভিযোগটি সরাসরি অস্বীকার না করলেও তিনি মনে করেন, এটি হয়তো নির্বাচনে পরাজয়ের হতাশা থেকেই এসেছে। পাশাপাশি পলির বক্তব্য বিস্তারিতভাবে শুনে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

তার কথায়, তিনি যে অভিযোগ করেছেন, আমার মনে হয় না কেউ টাকার জন্য এখানে এসেছে। হয়তো পরাজয়ের কষ্ট থেকে এমন কথা বলেছেন। তিনি প্রকাশ করেছেন, কিন্তু বিষয়টি নিয়ে আগে তার সঙ্গে কথা বলতে চাই। তিনি কী বলতে চাচ্ছেন, সেটা শুনে তারপর প্রয়োজন হলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সবশেষে নবনির্বাচিত সভাপতি বলেন, নির্বাচন শেষ হয়েছে। এখন ব্যক্তিগত মতভেদ ভুলে শিল্পীদের স্বার্থে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার সময়। ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমেই শিল্পী সমিতিকে আরো শক্তিশালী ও কার্যকর সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলাই তার লক্ষ্য।

রুবেলের বিরুদ্ধে মামলা চালাবেন না হ্যাপি | কালের কণ্ঠ