kalerkantho


আওয়ামী লীগে সুপ্ত আগুন, বিএনপির বিভক্তি উত্তরাধিকারে

মনু ইসলাম, বান্দরবান    

২৬ আগস্ট, ২০১৭ ১০:৪১



আওয়ামী লীগে সুপ্ত আগুন, বিএনপির বিভক্তি উত্তরাধিকারে

বান্দরবানে আওয়ামী লীগের ধারাবাহিক বিজয়ের পেছনে বিএনপির অন্তর্দ্বন্দ্বই বড় প্রভাবক বলে মনে করেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। কেননা বিএনপির শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিত্তি থাকার পরও তারা জিততে পারছে না কেবল দলীয় বিভক্তির কারণে।

বিএনপির এই বিভক্তি বোমাং রাজপরিবার থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া।

আর আওয়ামী লীগ ধারাবাহিকভাবে জিতে এলেও তাদের ঘরেও যে আগুন নেই, তা নয়। সেই আগুন দাউদাউ করে জ্বলে উঠলে আগামী নির্বাচনে তার প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।  

এ ছাড়া আঞ্চলিক দল হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি ও ইউপিডিএফের ব্যাপক জনসমর্থন রয়েছে এ এলাকায়। তবে পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনীতিতে আঞ্চলিক দলগুলো খুব একটা সুবিধা করে উঠতে পারছে না।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেছেন, ১৪তম বোমাং রাজা মং শৈ প্রু চৌধুরীর দুই ছেলে বর্তমানে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। এর বাইরে রাজপরিবারের অন্য সবাই বিএনপি সমর্থক।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজার আসনে বসা নিয়ে বোমাং রাজপরিবারের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ১৯৬০ সাল থেকেই। সে সময়ে অং শৈ প্রুকে পেছনে ফেলে রাজার আসনে বসেন মং শৈ প্রু চৌধুরী।

মং শৈ প্রু চৌধুরী স্বাধীনতাযুদ্ধে বাংলাদেশের পক্ষে ভূমিকা নেন। সংগত কারণেই অং শৈ প্রু ছিলেন পাকিস্তানের পক্ষে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বিপাকে পড়েন তিনি। কিন্তু সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলে দাবার ঘুঁটি উল্টে দিয়ে তিনি আবার চলে আসেন ক্ষমতার কাছাকাছি। জিয়ার সরকারে তিনি খাদ্য প্রতিমন্ত্রীও নিযুক্ত হন।

মং শৈ প্রু চৌধুরীর মৃত্যুর পর অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে এবং আদালতে লড়াই করে অং শৈ প্রু রাজা হয়েছেন সত্যি; কিন্তু রাজপরিবারের দ্বন্দ্বের অবসান ঘটেনি।

জেলা বিএনপির এক পক্ষের কাণ্ডারি সাচিং প্রু জেরী, যিনি অং শৈ প্রু চৌধুরীর ছেলে এবং আরেক পক্ষের কাণ্ডারি মাম্যা চিং, যিনি ১৩তম রাজার ক্য জ সাইন প্রু চৌধুরীর পুত্রবধূ। ফলে রাজনৈতিকভাবে একই দল হলেও তাঁরা রাজপরিবারের বিভাজন থেকে মুক্ত হতে পারেননি। স্থানীয় লোকজন মনে করে, রাজপরিবারের এই দ্বন্দ্বই মূলত বিএনপিকে দুই ভাগে বিভক্ত করে রেখেছে।

১৯৯০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বীর বাহাদুর উ শৈ সিংয়ের বিপরীতে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন কে এস প্রু। সে সময়ে অং শৈ প্রু ও সাচিং প্রু জেরী সমর্থন দেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী বীর বাহাদুরকে। নব্বইয়ের নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠন করলে মাম্যা চিং সংরক্ষিত আসনে নারী সংসদ সদস্য হন।

১৯৯৬ সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হন সাচিং প্রু জেরী। পাল্টা হিসেবে রাজপরিবারের আরেক অংশ তাঁর বিপক্ষে মাঠে নামে। ২০০১ সালে সাচিং প্রু জেরী ও মাম্যা চিং দুজনই সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামেন এবং দুজনই বীর বাহাদুরের কাছে পরাজিত হন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি দলীয় মনোনয়ন পান মাম্যা চিং। তখন সাচিং প্রু নির্বাচন না করলেও পেছন থেকে কলকাঠি নাড়ার কারণে মাম্যা চিং অল্প ভোটে বীর বাহাদুরের কাছে হেরে যান।

২০১৪ সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেয়নি। এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের একজন শক্তিশালী বিদ্রোহী প্রার্থী থাকলেও বীর বাহাদুর পঞ্চমবারের মতো তাঁর ধারাবাহিক বিজয় অক্ষুণ্ন রাখতে সক্ষম হন।

বিবদমান বিএনপি : আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জেলা বিএনপিতে আবারও বিরোধ চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। সাচিং প্রু জেরী ও মাম্যা চিং সাংগঠনিক তৎপরতা চালাচ্ছেন আলাদাভাবে।

জেলা বিএনপির শীর্ষস্থানীয় একটি সূত্র জানায়, এবার সাচিং প্রু জেরীর মনোনয়ন পাওয়া অনেকটা নিশ্চিত। ফলে মাম্যা চিং গ্রুপ বিদ্রোহী প্রার্থী দিয়ে তাঁর বিপক্ষে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। অথবা অন্য কোনো প্রার্থীকে গোপনে সমর্থন দিতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপির এ দ্বন্দ্বের কারণে আগামী নির্বাচনেও বর্তমান সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর বাড়তি সুযোগ পেয়ে যেতে পারেন।

বিএনপির সাচিং প্রু জেরী সমর্থকরা এমন মত মেনে নিলেও এর সঙ্গে একমত নন বান্দরবান জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রেজা। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, 'এবার সারা দেশে বিএনপির পালে বাতাস লেগেছে। অন্তর্দ্বন্দ্ব থাকলেও আমরা সবাই বিএনপির আদর্শের রাজনীতি করি। কেন্দ্রীয় সংসদীয় বোর্ড যাঁকে মনোনয়ন দেবে, আমরা তাঁর পক্ষেই কাজ করব। '

অন্যদিকে সাচিং প্রু জেরী সমর্থক হিসেবে পরিচিত বান্দরবান পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বলেন, 'এবার সাচিং প্রু জেরীই মনোনয়ন পাচ্ছেন, এটি নিশ্চিত। অন্য কাউকে মনোনয়ন দিলে আমরা মেনে নেব না। '

আওয়ামী লীগের ঘরেও আগুন : জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদ থেকে প্রসন্ন কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাকে বহিষ্কার করে বীর বাহাদুরের স্ত্রীর বড় ভাই ক্য শৈ হ্লা ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব নেন। এর প্রতিশোধ হিসেবে ২০১৪ সালের সংসদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামেন প্রসন্ন কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা। তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে একতরফা ওই নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের প্রার্থী বীর বাহাদুরের বিজয় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। সর্বশেষ ওই নির্বাচনে খুব কম ভোটের ব্যবধানে বীর বাহাদুর জয়লাভ করেন।

বছর দুয়েক আগে দলীয় ক্ষমতার দ্বন্দ্বে বহিষ্কৃত হন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মজিবুর রহমান। ফলে প্রসন্ন কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা ও কাজী মজিবুর রহমান এক হয়ে বিরোধী মোর্চা গড়ে তুলেছেন। কাজী মজিবুর রহমান আগামী নির্বাচনী যুদ্ধে নামছেন বলেও শোনা যাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি বেশ কয়েকটি নির্বাচনী প্রচারসভায়ও অংশ নিয়েছেন।

কাজী মজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠজনরা দাবি করে, সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটার এলাকা লামা, আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়িতে মজিবুর রহমানের পক্ষে জনজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। বাঙালি হিসেবে জেলা সদরসহ আশপাশের এলাকার আওয়ামী লীগ সমর্থক বাঙালি ভোটাররাও গোপনে তাঁকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন। এ অবস্থায় আগামী নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাইবেন। নৌকা প্রতীক না পেলেও তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন।

অন্যদিকে প্রসন্ন কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য না করলেও তাঁর ঘনিষ্ঠজনরা বলছে, এবারও মাঠে নামবেন প্রসন্ন তঞ্চঙ্গ্যা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেছেন, প্রসন্ন তঞ্চঙ্গ্যা ও কাজী মজিবুর নির্বাচনী লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকলে এবারের নির্বাচনে বীর বাহাদুরের নিরঙ্কুশ বিজয় কঠিন হবে।

তা ছাড়া টানা দুই মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার কারণে বান্দরবান আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরে বেশ কিছু সুবিধাবাদীর অনুপ্রবেশ ঘটেছে। অভিযোগ রয়েছে, দলীয় নেতাকর্মীদের চেয়ে ব্যবসায়ী-ঠিকাদারদের সঙ্গে বীর বাহাদুর ও জেলা নেতাদের সম্পর্ক বেশি। এর ফলে জেলা পর্যায়ের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতারা উপেক্ষিত হচ্ছেন। এ নিয়ে ভেতরে ভেতরে তাঁরা ক্ষুব্ধ।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, একই অবস্থা বিরাজ করছে তৃণমূলেও। মূল সংগঠন ও অঙ্গসংগঠনগুলোর পদবঞ্চিত নেতারা আগামী নির্বাচনী মাঠে নেতিবাচক ভূমিকা নিলে ফল উল্টো হয়ে যেতে পারে।

তবে বীর বাহাদুরের বিজয় শতভাগ নিশ্চিত দাবি করে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইসলাম বেবী কালের কণ্ঠকে বলেন, ১৯৯০ সাল থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে বারবার দায়িত্ব পালনকালে বীর বাহাদুর বান্দরবানের ব্যাপক উন্নয়ন ঘটিয়েছেন। এ ছাড়া দুইবার পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বান্দরবানের সব কটি প্রান্তিক এলাকায় তিনি উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছেন। ব্যাপক উন্নয়ন, শিক্ষা ও পর্যটন প্রসারে অনবদ্য ভূমিকায় তিনি ভোটারদের কাছে অপ্রতিদ্বন্দ্বী বলে দাবি মোহাম্মদ ইসলাম বেবীর।

সুবিধা করতে পারছে না জনসংহতি সমিতি ও ইউপিডিএফ : ব্যাপক জনসমর্থন থাকার পরও পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনীতিতে আঞ্চলিক দলগুলো খুব একটা সুবিধা করে উঠতে পারছে না। ১৯৭২ সালে মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার পর ২০১৪ সালের নির্বাচনে রাঙামাটি আসন থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির নেতা উষাতন তালুকদার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। অপর আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি (ইউপিডিএফ) বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি আসনে প্রার্থী দেওয়ায় দুটি সংগঠনের কেউই খুব একটা ভালো অবস্থানে যেতে পারেননি।

আওয়ামী লীগের একজন তৃণমূল নেতা অপহরণের ঘটনায় আসামি হওয়ায় বান্দরবান জেলা জনসংহতির শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা ঘরছাড়া। পালিয়ে বেড়াচ্ছেন জনসংহতি সমিতির সম্ভাব্য এমপি প্রার্থী কে এস মংও।

অন্যদিকে কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে থাকলেও সাংগঠনিক শক্তি ততটা জোরদার না হওয়ায় ইউপিডিএফ নেতা ছোটন কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা খুব একটা নাড়া দিতে পারবেন—এমনটাও আশা করা যায় না।

তবে জনসংহতি সমিতি প্রার্থী না দিলেও মামলার প্রতিশোধ হিসেবে আওয়ামী লীগবিরোধী একটি শক্ত প্রতিপক্ষ তারা গড়ে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে নিজের ঘরের শত্রু, এক সময়ের রাজনৈতিক মিত্র জনসংহতি সমিতির বিরোধিতার কারণে নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়া আওয়ামী লীগের পক্ষে কঠিন হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

মামলার কারণে জেলা শহর থেকে দূরে সরে থাকা পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির নেতা কে এস মং কালের কণ্ঠকে বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি বান্দরবান আসনে কাকে মনোনয়ন দেবে—এটি এখনই বলা সম্ভব নয়। তবে তাঁকে প্রার্থী করা হলে তিনি নির্বাচনী লড়াইয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিপক্ষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারবেন।

কে এস মং আরো বলেন, বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি জুম্ম জাতির কাছে তাদের সমর্থন আরো সুদৃঢ় করেছে। নির্বাচনে ভোটাররা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারলে বান্দরবানসহ পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি আসনের সব কটিতেই আওয়ামী লীগের ভরাডুবি ঘটবে বলে তিনি দাবি করেন।

জামায়াতের জায়গা জনসংহতির দখলে : জনসংখ্যা অনুপাতে বান্দরবানে জামায়াতের খুব একটা সমর্থক না থাকলেও বিগত নির্বাচনগুলোতে প্রার্থী দিয়ে বা অন্য প্রার্থীর পক্ষে সমর্থন দিয়ে আওয়ামী লীগবিরোধী একটি শক্ত প্রতিপক্ষ ছিল জামায়াতে ইসলামী। নিবন্ধন বাতিল হওয়ায় আগামী নির্বাচনে তারা দলীয় প্রার্থী নিয়ে মাঠে নামতে পারবে না। অন্যদিকে মামলায় জড়িয়ে জামায়াত নেতাদের অনেকেই এখন কোণঠাসা। এই সুযোগে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে জনসংহতি শক্ত প্রতিপক্ষ হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

পার্বত্য চট্টগ্রামের ১১টি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সবারই বাস বান্দরবানে। এর বাইরে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ (বড়ুয়া) ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী এবং চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ এখানে বসবাস করে। সব অঙ্ক মিলিয়ে কে ভোটারদের মন জয় করতে পারেন তা দেখতে অপেক্ষা আগামী নির্বাচনের।


মন্তব্য