kalerkantho


ভোটার তালিকা হালনাগাদ

নতুন ভোটার ২৪,৩৭,৩৩১

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১১ আগস্ট, ২০১৭ ১১:০২



নতুন ভোটার ২৪,৩৭,৩৩১

লক্ষ্যমাত্রা পুরোপুরি অর্জন সম্ভব না হলেও চলমান ভোটার তালিকা হালনাগাদ প্রক্রিয়ার তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম নিয়ে সন্তুষ্ট নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসি সচিবালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত নতুন ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন ২৪ লাখ ৩৭ হাজার ৩৩১ জন।

মৃত ভোটার কর্তন হয়েছে ১৩ লাখ ৩৩ হাজার ২ জন। স্থানান্তর বা ঠিকানা পরিবর্তনের আবেদন করেছেন ৬০ হাজার ৮৭৬ জন ভোটার।

গতকাল বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ের ইসি সচিবালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব বলেন, নতুন ভোটারের টার্গেট ছিল ৩৫ লাখ। এর মধ্যে ৭০ শতাংশ অর্জিত হয়েছে। শতকরা হিসেবে টার্গেট ছিল ৩.৫ শতাংশ, যার মধ্যে অর্জিত হয়েছে ২.৪ শতাংশ। তিনি আরো বলেন, ভোটার হালনাগাদে প্রতিবছর একটা টার্গেট থাকে। সেই টার্গেট পূরণে যতটুকু পেরেছি তাতে আমরা সন্তুষ্ট।

ভারপ্রাপ্ত ইসিসচিব জানান, এ কাজে ৫৫ হাজার তথ্য সংগ্রহকারী এবং ১১ হাজার সুপারভাইজার নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। প্রত্যেক বিভাগে, জেলা-উপজেলায় কমিটি কাজ করেছে।

তিনি বলেন, ব্যাপকভাবে পোস্টার ও হ্যান্ডবিল বিলি করেছি। মোটামুটি টার্গেট যেটা আশা করেছিলাম তার চেয়ে বেশি অর্জন করেছি। তার পরও কোনো তথ্যসংগ্রহকারীর বিরুদ্ধে বাড়ি বাড়ি না যাওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গত বুধবার চলতি বছরের ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহের কাজ শেষ হয়েছে। আগামী ২০ আগস্ট থেকে নতুন ভোটারদের ছবি তোলাসহ নিবন্ধনের কাজ শুরু হবে। তিন ধাপে এ কাজ শেষ হবে আগামী ৫ নভেম্বরে।

তথ্য সংগ্রহকারীদের বাড়ি বাড়ি না যাওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে হেলালুদ্দীন বলেন, আমরা এ বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেব। তথ্য সংগ্রহের সময় বাড়ানো হবে কি না জানতে চাইলে ইসিসচিব বলেন, কমিশনের এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেই। তবে ভোটার হওয়ার জন্য এখনো যথেষ্ট সময় আছে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। যারা বাদ পড়েছেন, নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করলে তাদের ভোটার করা হবে। তিনি আরো বলেন, ২০১৫ সালে অপ্রাপ্তবয়স্ক যাদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল তাদের ২০১৮ সালের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

এদিকে ইসি জানায়, তথ্য সংগ্রহ শেষে ২০ আগস্ট নিবন্ধন কেন্দ্রে কম্পিউটার ডাটা এন্ট্রি কাজ তিন ধাপে শুরু হবে। প্রথম ধাপে ১৮৩টি উপজেলায় ২২ দিনে, দ্বিতীয় ধাপে ২১৬টি উপজেলায় ২৮ দিনে, তৃতীয় ধাপে ১১৮টি উপজেলায় ২১ দিনে, মোট ৫১৭টি উপজেলায় নিবন্ধনের কাজ সম্পন্ন করা হবে। ২৫ নভেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত উপজেলা থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন গ্রহণ, মৃত ভোটারের নাম কর্তন করা যাবে।

এরপর ২ জানুয়ারি হালনাগাদ খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। দাবি আপত্তি ও সংশোধনের জন্য আবেদন দাখিলের শেষ তারিখ ১৭ জানুয়ারি। দাবি আপত্তি ও সংশোধন নিষ্পত্তির শেষ তারিখ ২২ জানুয়ারি। দাবি, আপত্তি ও সংশোধনীর জন্য দাখিলকৃত আবেদনের ওপর গৃহীত সিদ্ধান্ত সন্নিবেশনের শেষ তারিখ ২৭ জানুয়ারি। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে আগামী বছরের ৩১ জানুয়ারি।

 


মন্তব্য