kalerkantho

জানা-অজানা

গোমতী

[নবম ও দশম শ্রেণির ভূগোল ও পরিবেশ বইয়ের সপ্তম অধ্যায়ে গোমতী নদীর কথা উল্লেখ আছে]

২৩ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গোমতী

বাংলাদেশ-ভারতের একটি আন্তসীমান্ত নদী গোমতী। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের উত্তর-পূর্ব পার্বত্যাঞ্চলের ডুমুর নামক স্থানে উৎপন্ন হয়ে পার্বত্যভূমির মধ্য দিয়ে সর্পিল পথ প্রায় ১৫০ কিলোমিটার অতিক্রম করে কুমিল্লা সদর উপজেলার কটকবাজারের কাছে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এরপর কুমিল্লা শহরের উত্তর প্রান্ত ও ময়নামতির পূর্ব প্রান্ত অতিক্রম করে দাউদকান্দিতে মেঘনা নদীতে মিলিত হয়েছে। দৈর্ঘ্য ৯৫ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৬৫ মিটার। পানি উন্নয়ন বোর্ড বা ‘পাউবো’ কর্তৃক গোমতী নদীর পরিচিতি নম্বর দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদী নং ৪। গোমতী নদীটি তীব্র খরস্রোতা। কুমিল্লায় এর প্রবহমাত্রা ১০০ থেকে ২০০০০ কিউসেক পর্যন্ত ওঠা-নামা করে। আকস্মিক  বন্যা এ নদীর একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য এবং এ বন্যা মোটামুটি নিয়মিত বিরতিতে সংঘটিত হয়ে থাকে। এ জন্য এ নদী একসময় ‘কুমিল্লা শহরের দুঃখ’ হিসেবে পরিচিত ছিল।  বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড নদীটির ধ্বংসাত্মক প্রবণতা প্রতিরোধে এবং কুমিল্লা শহর রক্ষায় বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। বন্যা প্রতিরোধের জন্য বেড়িবাঁধ এবং নদীর গতিপথ ধরে রাখতে ১৯টি লুপকাট নির্মাণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক গৃহীত আরো কিছুসংখ্যক প্রকল্প বাস্তবায়নের পর বর্তমানে গোমতী দৃশ্যত নিয়ন্ত্রণাধীন।     

♦আব্দুর রাজ্জাক

মন্তব্য