kalerkantho

জানা-অজানা

সৌর পঞ্জিকা

[নবম ও দশম শ্রেণির বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বইয়ের দ্বিতীয় অধ্যায়ে সৌর পঞ্জিকার কথা উল্লেখ আছে]

১৯ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



সৌর পঞ্জিকা

সভ্যতা বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে দিন-ক্ষণ-মাস-বছর নির্ধারণের জন্য সূর্যের ওপর নির্ভর করে গণনার মাধ্যমে যে পঞ্জিকা বানানো হয়, তা সৌর পঞ্জিকা নামে পরিচিত। সর্বপ্রথম মিসরীয়রা পৃথিবীতে সৌর পঞ্জিকার প্রচলন করেন। এর আগে বছর গণনা করা হতো চাঁদের আবর্তনকে কেন্দ্র করে। খ্রিস্টপূর্ব ৪৬ অব্দে জুলিয়াস সিজার প্র্রাচীন সৌর পঞ্জিকা পরিমার্জন করে একটি ঐতিহ্যবাহী পঞ্জিকা প্রবর্তন করেন, যা জুলীয় বর্ষপঞ্জি হিসেবে পরিচিত। জুলীয় পঞ্জিকায় বছর হিসাব করা হতো ৩৬৫ দিনে এবং দিনগুলো ১২টি মাসে বিভক্ত ছিল। প্রতি চার বছর পর ফেব্রুয়ারি মাসকে অধিবর্ষ ধরা হতো। এটি ছিল একটি সম্পূর্ণ সৌরভিত্তিক বর্ষপঞ্জি। কালের পরিক্রমায় এ বর্ষপঞ্জি সংস্কারের প্রয়োজন পড়ে। ১৫৮২ সালে পোপ ত্রয়োদশ গ্রেগরি এটি উন্নতিসাধন করে ‘গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি’ রূপে প্রবর্তন করেন। বর্তমানে  গ্রেগরিয়ান বা ইংরেজি বর্ষপঞ্জিই বিশ্বের বেশির ভাগ দেশে চালু রয়েছে।

♦ আব্দুর রাজ্জাক

মন্তব্য