kalerkantho


জানা-অজানা

মার্টিন লুথার কিং

[বিভিন্ন শ্রেণির বইয়ে মার্টিন লুথার কিংয়ের কথা উল্লেখ আছে]

আব্দুর রাজ্জাক   

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



মার্টিন লুথার কিং

বিখ্যাত মানবাধিকারকর্মী মার্টিন লুথার কিং (১৯২৯-১৯৬৮)। তাঁর জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ায়। প্রথমে তাঁর নাম ছিল মাইকেল কিং। পরে নাম পরিবর্তন করে মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র রাখা হয়। লুথারকে অল্প বয়স থেকেই সইতে হয়েছে বর্ণবাদের বঞ্চনা। কৃষ্ণাঙ্গ হওয়ায় তাঁকে যেতে হয় আলাদা বিদ্যালয়ে। ১৯৫৫ সালে তিনি বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। মার্টিন লুথার কিংয়ের মূল আন্দোলনের শুরু ১৯৫৫ সালে বাসে এক নারীর বর্ণবৈষম্যের শিকার হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে। লুথার কিং ও অন্য নেতারা এ ঘটনার প্রতিবাদে বাস সার্ভিস বর্জনের সিদ্ধান্ত নেন। টানা ৩৮৫ দিন এই অবস্থা চলে। একপর্যায় যানবাহনে বর্ণবৈষম্য বেআইনি ঘোষণা করা হয়। গান্ধীর অহিংস আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ হয়ে মার্টিন ১৯৫৯ সালে ভারত সফর করেন। ১৯৬৩ সালে এক সমাবেশে তিনি পৃথিবীর অন্যতম সেরা বক্তব্য দেন। ভাষণটি ‘আই হ্যাভ এ ড্রিম’ নামে পরিচিত। জীবনের শেষ দিকে তিনি দারিদ্র্য বিমোচনে উদ্যোগের পাশাপাশি ভিয়েতনাম যুদ্ধের বিপক্ষে সোচ্চার ছিলেন। তিনি আমেরিকায় নাগরিক ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় অহিংস আন্দোলনের জন্য ১৯৬৪ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান। নোবেল শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্ত কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে তিনিই সর্বকনিষ্ঠ।

          



মন্তব্য