kalerkantho


আল মাহমুদ

কাব্যনামের কবিতায় কবির প্রতিবিম্ব

তুহিন ওয়াদুদ

৭ জুলাই, ২০১৭ ০০:০০



কাব্যনামের কবিতায় কবির প্রতিবিম্ব

আল মাহমুদ। ছয় দশকের অধিক সময় ধরে সাহিত্য সৃষ্টির পথে হাঁটছেন।

গদ্য-কবিতা মিলে তাঁর রচনাসম্ভারের পরিধি অনেক বিস্তৃৃত। দৃষ্টিভঙ্গিগত পরিবর্তনের কারণে তিনি গ্রহণযোগ্যতার ভিন্ন পর্যায়ে উন্নীত হন। নতুন দার্শনিকতায় নিজের অবস্থান স্থির করেছেন। ফলে পূর্বের অনুরক্তদের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব রচিত হয়েছে। নন্দিত-নিন্দিতকালের সাহিত্যে তাঁর দর্শনগত পরিবর্তন সহজবোধ্য। প্রকরণগত প্রসঙ্গের সঙ্গে বিষয়-বৈচিত্র্য দ্বান্দ্বিক না হলেও কবিতার বুননে পরবর্তীকালের কবিতায় কখনো কখনো শৈথিল্য লক্ষণীয়। তবে সেই শৈথিল্য সব সময়ের নয়।

আল মাহমুদের কবিতার বিবিধ কৌণিক আলোচনা করা যেতে পারে। তাঁর কবিতার উঠানজুড়ে আদি রসাত্মক বোধ, দেশবোধ, লোকায়ত জীবনবোধ, শাস্ত্রবাদিতা সূক্ষ অনুষঙ্গের হাত ধরে উঠে এসেছে।

তাঁর কবিচেতনার ছায়া পড়েছে আত্মকৃত শিল্পে। কবিতা তাঁর সেই চেতনাবাহী এক শিল্পকাঠামো।

কবি যখন কোনো কবিতার নামে কাব্যগ্রন্থের নামকরণ করেন, তখন বোঝা যায় সেই কবি নাম কবিতার প্রতি বিশেষ দৃষ্টি পোষণ করেন। আল মাহমুদের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম নয়। আল মাহমুদের কাব্যগ্রন্থের নাম কবিতায় তাঁর চেতনার স্বরূপ সন্ধানই এ আলোচনার মুখ্য চেষ্টা।

আমরা জানি আল মাহমুদ তাঁর কবিতার বিষয়গত দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন আনয়ন করেছেন। নাম কবিতাগুলোর মধ্য দিয়েও তাঁর পূর্বাপর চেতনার প্রকৃত রূপ সন্ধান করা যায়। ‘লোক লোকান্তর’ (১৯৬৩), ‘কালের কলস’ (১৯৬৬), ‘সোনালী কাবিন’ (১৯৭৩) কাব্যে আল মাহমুদকে আমরা যে মাত্রায় পাই, তাঁর পরবর্তী কাব্য ‘মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো’ (১৯৭৬), ‘অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না’ (১৯৮০), ‘বখতিয়ারের ঘোড়া’ (১৯৮৫), ‘আরব্য রজনীর রাজহাঁস’ (১৯৮৭), ‘প্রহরান্তের পাশফেরা’ (১৯৮৮)সহ অন্য কাব্যগ্রন্থগুলোতে আমরা তাঁকে সে রূপে পাই না। বরং ‘সোনালী কাবিন’-এর পরের কাব্যগুলো তাঁর অতি কল্পনা-নিদ্রাগতস্বপ্নসহ নানা ভাবাবুলতায় আক্রান্ত।

‘লোক লোকান্তর’, ‘কালের কলস’ ও ‘সোনালী কাবিন’ কাব্যে কবি আল মাহমুদ উত্তরোত্তর সমৃদ্ধির সোপানে আরোহণ করেছেন। এ তিন কাব্যগ্রন্থের নাম কবিতাই সেই বার্তা বহন করছে। প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কবিতা ‘লোক-লোকান্তর’-এ কবি নিজের চেতনাকে বলেছেন—‘আমার চেতনা যেন শাদা এক পাখি/ বসে আছে সবুজ অরণ্যে এক চন্দনের ডালে। ’

কবি শিল্পীজীবনের শুরুতে ভাবনার বিস্তর জগতে নিজের অস্তিত্ব নিয়ে ভাবিত ছিলেন। ভাবিত ছিলেন কবিতা নিয়ে। কবিতাকে উপজীব্য করে, কবির অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি বিভিন্ন কবিতায় পঙিক্তও রচনা করেছেন। ‘লোক লোকান্তর’ কবিতায় কবিতার জয়ও ঘোষণা করেন—‘যখনি উজ্জ্বল হয় আমার এ চেতনার মণি,/ মনে হয় কেটে যাবে, ছিঁড়ে যাবে সমস্ত বাঁধুনি/ সংসার সমাজ ধর্ম তুচ্ছ হয়ে যাবে লোকালয়। / লোক থেকে লোকান্তরে আমি যেন নিস্তব্ধ হয়ে শুনি/ আহত কবির গান। কবিতার আসন্ন বিজয়। ’

‘কালের কলস’ কাব্যগ্রন্থের নাম কবিতায় কবি কালের যাত্রাকে বুঝিয়েছেন কালের কলস দিয়ে। কলস যেন উবুড় হয়ে আলো ছড়াতে ছড়াতে চলে যায়। অনুভূতিকে প্রকাশ করার জন্য আমরা কখনো কখনো প্রতীক-রূপক-ইঙ্গিতের আশ্রয় নিয়ে থাকি। কবিও সময়ের গতি বোঝাতে, চলমানতা প্রকাশ করতে কালের কলসের আশ্রয় নিয়েছেন। প্রবহমান সময়গর্ভে সব কিছুই ঝরে পড়ে। কবি নিজেও এর থেকে ভিন্ন নন। কবি-মনে তাই নিজের অমরত্ব লাভের বাসনা নিছক কিছু নয়। ‘নিসর্গও ঝরে যায় বহুদূর অতল আঁধারে’ উল্লেখ করেছেন কবি নিজেই। কবিতার পঙিক্তমালায় সব কিছু নিঃশেষ হওয়ার কথাই যেন বলেছেন। তবে সেই নিঃশেষিত সময়ের বুকে কবির বিশেষ অভিলাষও আছে—‘এ বিষণ্ন বর্ণনায় আমি কি একটি পঙিক্তও হবো না/ হে নীলিমা, হে অবগুণ্ঠন?/লোকালয় থেকে দূরে, ধোঁয়া অগ্নি মসলার গন্ধ থেকে দূরে/ এই দলকলসের ঝোপে আমার কাফন পরে আর, কতকাল/ কাত হয়ে শুয়ে থেকে দেখে যাব সোনার কলস আর বৃষের বিবাদ?’

কবির বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে কবিতাশিল্পের সম্পর্ক আরো গাঢ়তর হচ্ছিল। কবিতার আঙ্গিক তখন আরো পরিণত। প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘লোক লোকান্তর’-এ কবি নিজের যে চেতনাকে ‘শাদা পাখি’র রূপে বিধৃত করেছিলেন, সেই চেতনা দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থে এসে বিষণ্ন প্রতিবেশেও একটি পঙিক্ত হিসেবে থাকতে চেয়েছে। প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কবিতায় কবি নিজেকে ‘আহত কবি’ বলে উল্লেখ করেছেন। এ কবিতায় বলছেন, ‘এ বিষণ্ন বর্ণনায় আমি কি একটি পঙিক্তও হবো না। ’ ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত ‘সোনালী কাবিন’ কাব্যগ্রন্থের নাম কবিতার ১৪টি অংশ। সংখ্যা দিয়ে ১৪ পর্যন্ত উল্লিখিত। এ কাব্যগ্রন্থেই কবিপ্রতিভার অনন্য প্রকাশ সাধিত হয়েছে। সনেট রূপে লিখিত নাম কবিতায় কবি আল মাহমুদ এক সামগ্রিক চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন। কবিচেতনা এ কাব্যগ্রন্থে আরো পরিণত। এ কাব্য পর্যন্ত আল মাহমুদের প্রথম পর্ব। এ কবিতায় কবি নারীর প্রতি নিবেদিত হয়েছেন একেবারেই নিরাভরণ। তবে কবিতার বুননগুণে অশ্লীলতার দায়মুক্তি ঘটেছে। ‘সোনালী কাবিন’ কাব্যগ্রন্থের নাম কবিতায় লিখেছেন—‘বিবসন হও যদি দেখতে পাবে আমাকে সরল/ পৌরুষ আবৃত করে জলপাইর পাতাও থাকবে না;/ তুমি যদি খাও তবে আমাকে দিও সেই ফল/ জ্ঞানে ও অজ্ঞানে দোঁহে পরস্পর হবো চিরচেনা/ পরাজিত নই নারী, পরাজিত হয় না কবিরা;/ দারুণ আহত বটে আর্ত আজ শিরা-উপশিরা। ’ ইতিহাস-ঐতিহ্য-সমাজ-সংসার এ কবিতায় স্থান করে নিয়েছে। ‘সোনালী কাবিন’-এ কবির চেতনা প্রথাগত বিশ্বাসের বুকে শাবল চালিয়েছে—‘মরণের পরে শুধু ফিরে আসে কবরের ঘাস। / যতক্ষণ ধরো এই তাম্রবর্ণ অঙ্গের গড়ন/ তারপর কিছু নেই, তারপর হাসে ইতিহাস। ’ আল মাহমুদ যেন কিছুটা ব্যঙ্গ করেছেন। ‘তাম্রবর্ণ অঙ্গের গড়নই’ তাঁর কাছে সত্য শুধু। কবি শুধু বিশ্বাসের প্রতি কটাক্ষ করেননি, কটাক্ষ করেছেন শিল্পীদের প্রতিও। ‘সোনালী কাবিন’ কবিতার ১১ সংখ্যক অংশের শেষে তিনি লিখেছেন—‘আমাদের কলাকেন্দ্রে, আমাদের সর্ব কারুকাজে/ অস্তিবাদী জিরাফেরা বাড়িয়েছে ব্যক্তিগত গলা। ’ শিল্পায়তনের অস্তিবাদী শিল্পীদের তিনি তাচ্ছিল্য করে জিরাফের সঙ্গে তুলনা করেছেন।

‘লোক লোকান্তরে’র কবি ‘কালের কলসে’ সওয়ার হয়ে ‘সোনালী কাবিন’ কাব্যে পৌঁছেছিলেন। সেই কবির পক্ষে মাত্র দু-তিন বছরের ব্যবধানে ‘মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো’র মতো কাব্যগ্রন্থ রচয়িতা হওয়াটা বিষ্ময়করই বটে। ‘সোনালী কাবিন’ কবিতার শেষে তিনি লিখেছেন—‘আমার চুম্বন রাশি ক্রমাগত তোমার গতরে/ ঢেলে দেবো চিরদিন মুক্ত করে লজ্জার আগল/ এর ব্যতিক্রমে বানু এ-মস্তকে নামুক লানৎ/ ভাষার শপথ আর প্রেমময় কাব্যের শপথ। ’ আল মাহমুদ এ শপথ ভুলে গিয়ে সব উদারনৈতিক চিন্তার বিপ্রতীপে যেন দাঁড়িয়ে গেলেন। কলাকেন্দ্রে যাদের জিরাফ বলে গালমন্দ করেছেন তাদেরই সারিতে নিজের আসন দৃঢ় করলেন। কবির ধারাবাহিকতায় নেমে আসে ছেদ। কবিকে চিনতে হয় নতুন করে। ভুলে যেতে হয় তাঁর শপথ, তাঁর পূর্ববৎ বিস্তার।

‘মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো’ কাব্যগ্রন্থের নাম কবিতাটি কবির অতি ভাবাবেগের সমষ্টি। কবির কল্পনাবিলাসও বলা যায়। কবি এখানে অলৌকিকতায় আচ্ছন্ন। কারাবাসে থাকার সময়ে কবি স্বপ্নে দেখেন প্রলয় ঘটে গেছে। কবির ভাষায়—পৃথিবীর সর্বশেষ ধর্মগ্রন্থটি বুকের ওপর রেখে/ আমি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। হয় এ ছিল সত্যিকার ঘুম/ কিংবা দুপুরে খাওয়ার পর ভাতের দুলুনি। আর ঠিক তখুনি/ সেই মায়াবী পর্দা দুলে উঠল, যার ফাঁক দিয়ে / যে দৃশ্যই চোখে পড়ে, তোমরা বলো, স্বপ্ন। ’

আল মাহমুদ এই যে অলৌকিকতার আশ্রয় নিলেন আজ অব্দি তিনি আর সেই অলৌকিকতার পরিমণ্ডল অতিক্রম করেননি।

অনুরূপভাবে ‘অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না’ কাব্যগ্রন্থের নাম কবিতায় বিদ্বেষে অন্ধ সমাজে শান্তি এনেছেন অলৌকিকতার মোড়কে। সোনালী কাবিন কবিতায় সাম্য প্রতিষ্ঠা প্রসঙ্গে লিখেছেন—‘শ্রমিক সাম্যের মন্ত্রে কিরাতের উঠিয়েছে হাত/ হিউয়েনসাঙের দেশে শান্তি নামে দেখো প্রিয়তমা,/ এশিয়ায় যারা আনে কর্মজীবী সাম্যের দাওয়াত/ তাদের পোশাকে এসো এঁটে দেই বীরের তকমা। ’ অথচ অল্পবিস্তর সময়ের ব্যবধানে সেই তকমাই তিনি দিলেন অদৃষ্টবাদীদের।

‘বখতিয়ারের ঘোড়া’ কাব্যগ্রন্থের নাম কবিতায় কবি ইতিহাস থেকে বখতিয়ার নামের একটি চরিত্র নিয়ে এসেছেন। ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি নামে যিনি সমধিক পরিচিত, ত্রয়োদশ শতকের শুরুতেই তিনি বঙ্গ দখল করেছিলেন। বখতিয়ার খিলজি মূলত সাম্রাজ্যবাদী ছিলেন। ধর্মপ্রচার তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষা ছিল তাঁর। বঙ্গদেশ জয় করার পর এখানে তিনি নৈরাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সে রকম একটি চরিত্রকে আল মাহমুদ দেখিয়েছেন বীরের বেশে। বখতিয়ার খিলজি সম্পর্কে মায়ের ভাষ্যে কবি লিখেছেন—‘মা পাখা ঘোরাতে ঘোরাতে হাসেন,/ আল্লার সেপাই তিনি দুঃখীদের রাজা। / যেখানে আজান দিতে ভয় পান মোমেনেরা,/ আর মানুষ করে মানুষের পূজা,/ সেখানেই আসেন তিনি। খিলজিদের শাদা ঘোড়ার সোয়ারি। ’ বখতিয়ার খিলজি সম্পর্কে এক প্রকার ভ্রান্ত ধারণা অনেকের মধ্যে এখনো আছে। অনেকেই তাঁকে ধর্ম প্রচারক জ্ঞান করেন। সেই ধারণার ওপর আল মাহমুদ ‘বখতিয়ারের ঘোড়া’ কবিতাটি রচনা করেছেন।

‘আরব্য রজনীর রাজহাঁস’ কাব্যগ্রন্থের নাম কবিতাটিরও বিষয়ভূমি অভিন্ন। ‘মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো’, ‘বখতিয়ারের ঘোড়া’ ও ‘আরব্য রজনীর রাজহাঁস’ তিনটি কবিতায় অবস্তুগত ভাবনার একরৈখিকতা বিদ্যমান। তিনটিতেই ঘুম-স্বপ্ন-কল্পনা মিলেমিশে একটি অলৌকিক বাতাবরণ সৃষ্টি করেছে। ‘আরব্য রজনীর রাজহাঁস’ কবিতাটির মধ্যেও বস্তুগত প্রসঙ্গ সুদূর পরাহত।

‘একচক্ষু হরিণ’ (১৯৮৯) ‘মিথ্যাবাদী রাখাল’ (১৯৯৩), ‘দোয়েল ও দয়াতী’ (১৯৯৬), ‘পাখির কাছে ফুলের কাছে’ (১৯৮০), ‘বিরামপুরের যাত্রী’ (২০০৪), ‘প্রেমপত্র পল্লবে’ (২০০৯)সহ অন্য কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম কবিতায় অলৌকিক ভাবাবেগের প্রাবাল্য অনুপস্থিত। ‘একচক্ষু হরিণ’ কবিতায় মূলত কবির ভেতরের আমিই প্রাধান্য লাভ করেছে। ‘মিথ্যাবাদী রাখাল’ কবিতায় সত্যবাদীদের জন্য সমাজ যে প্রতিকূল সেই প্রেক্ষাপট উঠে এসেছে। এককথায় বলা যায়, আল মাহমুদ জীবনের প্রথম পর্বের কবিতায় এক ধারায় বিকশিত হয়েছেন। পরবর্তী পর্বে প্রথম পর্বের বিরুদ্ধাচরণ করেছেন। এ দুই স্বভাবের রসায়নে নতুন যে মাত্রা তিনি লাভ করেছেন তার প্রকাশ হচ্ছে অন্য কাব্যগ্রন্থগুলো।

কবি যদি শাস্ত্রে বন্দি হন, তখন কবির স্বাধীনচেতা চরিত্রটি খর্ব হয়। একটি বিশেষ প্রবণতাকে প্রচারের উদ্দেশ্য থাকলে শিল্পমান অনেক সময় অটুট থাকে না। আল মাহমুদের কবিতার বিষয় প্রতিষ্ঠার চেষ্টায় কবিতার আঙ্গিক গৌণ হয়ে উঠেছে। আল মাহমুদের শাস্ত্রবাদী কবিতা এবং জীবনবাদী কবিতা উভয়ই রয়েছে। বস্তুত আল মাহমুদ যখন যে দর্শন ধারণ করেছেন, তারই প্রতিবিম্ব তাঁর শিল্পে প্রকাশিত। ১১ জুলাই কবির ৮২তম জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি।


মন্তব্য