kalerkantho

অবাক পৃথিবী

২৪ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অবাক পৃথিবী

জগদ্দল এসইউভি

সংযুক্ত আরব আমিরাতের শৌখিন গাড়িসংগ্রাহক শেখ হামাদ বিন হামদান আল নাহিয়ান। তাঁর স্পোর্ট ইউটিলি ভেহিকল তথা এসইউভি যে একটু আলাদা হতেই হয়। আর তাই তৈরি করে ফেললেন ১০ চাকার এক অতিকায় দানব, নাম যার ধাবিয়ান।

মিলিটারি ট্রাকের সঙ্গে জিপ গাড়ির কাঠামো জুড়ে তৈরি করা হয়েছে এটি। আছে সুপরিসর ড্রাইভার কেবিন। ৬০০ হর্সপাওয়ারের গাড়িটিতে আছে ১৫.২ লিটার, ৬ সিলিন্ডার ক্যাটারপিলার সি-১৫ ডিজেল ইঞ্জিন। সব মিলিয়ে এ এসইউভির ওজন ২৪ টন। নির্মাতাদের দাবি, ১০ দশমিক ৮ মিটার লম্বা গাড়িটাই বিশ্বের সবচেয়ে বড় এসইউভি, যার প্রস্থ আড়াই মিটার ও উচ্চতা ৩ দশমিক ২ মিটার। শারজায় একটি অটোমোটিভ প্রদর্শনীতে এটি উন্মোচন করা হয়। দামটা অবশ্য ফাঁস করেননি হামাদ। তবে এটুকু জানা গেছে, হামাদের সংগ্রহে থাকা সবচেয়ে দামি গাড়ি নাকি এখন এটাই। গাড়িটির ভিডিও দেখার লোভ সামলাতে না পারলে ঢু মারো এই লিংকে https://youtu.be/oDgJtIUfTEs |

 

ষাঁড়ের ঘোড়ারোগ

গরু পিটিয়ে মানুষ না বানাতে পারলেও, ঘোড়া বানিয়ে ফেলেছেন ফ্রান্সের সাবিন রোয়া। ঘটনার শুরু পাঁচ বছর আগে। স্ট্রসবার্গ শহরের ঘোড়া প্রশিক্ষক সাবিন বেশ বিমর্ষ দিন পার করছিলেন। দীর্ঘ ২০ বছরের সঙ্গী ঘোড়াকে হারিয়ে মুষড়ে পড়েছিলেন খুব। এমন সময় বেড়াতে যান কাছের একটি গরুর খামারে। সেখানে অ্যাস্টন নামের একটি বিশালাকার ষাঁড়কে দেখে মনে ধরে তার। অ্যাস্টনকে কদিন পরেই প্রাণ দিতে হতো মাংসের জন্য। কিন্তু সাবিন খামারীকে অনুরোধ করেন, অ্যাস্টনকে যেন হত্যা না করা হয়। ঘোড়ার প্রতি মমত্বটা সাবিন ঢেলে দিতে থাকে অ্যাস্টনের প্রতি। সাবিনের মতো প্রশিক্ষক পেয়ে বর্তে যায় অ্যাস্টনও। ধীরে ধীরে সাবিনের দেখানো পথে ঘোড়ার মতোই আচরণ করতে শুরু করে ও। ঘোড়ার মতো পিঠে সহিস নিয়ে দৌড়ানো, উঁচু বাধা টপকে যাওয়া, শোয়া-বসা—সবই তার ঘোড়ার মতো। এখন অ্যাস্টনের কারণেই খামারের ব্যবসা রমরমা। তাকে একনজর দেখতে ছুটে আসছে অনেকেই।

ষাঁড়-ঘোড়া অ্যাস্টনকে দেখতে পাবে এই লিংকে- https://youtu.be/GRFAz_ftA1A |

     —ফারহান নাসের

মন্তব্য