kalerkantho


টিন তারকা

গান ছাড়া চলে নাকি!

গানের জগতে এরই মধ্যে তারকা সে। আছে কয়েকটি মিক্সড অ্যালবাম। নিয়মিত চর্চা চলছে ছায়ানটে। পড়ছে ঢাকা সিটি কলেজের একাদশ শ্রেণিতে। টিন তারকায় আজ থাকছে নুসরাত জহির আশফা

২১ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



গান ছাড়া চলে নাকি!

দলছুট : গানের শুরু যেভাবে।

আশফা : ছোট থাকতেই দাদির উত্সাহে আজিমপুর লেডিস ক্লাবে গানের ক্লাসে ভর্তি হই। এখন ছায়ানটে শিখছি। আমার দাদিও গান করতেন। মা-বাবারও পছন্দ।

দলছুট : গান গাও কেন?

আশফা : কারণ গান খাওয়া যায় না, গাইতে হয়। গান ছাড়া চলে নাকি! অন্যদের কথা বলতে পারব না। তবে আমার যখন মন খারাপ হয়, গান শুনলে বা গাইলে মন ভালো হয়ে যায়। আবার পছন্দের তিন-চারটি গান শুনলে ক্লান্তি কেটে যায়।

দলছুট : যা ভয় পাও না...।

আশফা : সত্য বলতে।

দলছুট : আর খুব ভয় পাও...।

আশফা : ইঁদুর আর কুকুর। তবে মিথ্যাকেও ভয় পাই। তাই মিথ্যা বলি না। মিথ্যা বলে ভালো সাজার চেয়ে সত্য বলে অপ্রিয় হওয়া ভালো।

দলছুট : গানের পাশাপাশি?

আশফা : আপাতত পড়াশোনা। মাঝেমধ্যে তবলা বাজাই। বই পড়ি।

দলছুট : একদিন সকালে শুনতে পেলে, জাস্টিন বিবার তোমার সঙ্গে ডুয়েট গাইতে চান...

আশফা : খুশিতে প্রথমে কয়েকটি লাফ দিয়ে ফেলব। অজ্ঞানও হয়ে যেতে পারি। পরে অবশ্য ভেবে দেখব যে হাতে সময় আছে কি না... হুম্ম্।

দলছুট : গান গাওয়ার মাঝে দেখলে দর্শকসারিতে কেউ নেই, তখন?

আশফা : কী আর করব, গান পুরোটা শেষ করব। তারপর চুপচাপ বাসায় চলে আসব।

দলছুট : প্রিয় গায়ক?

আশফা : মিতালী মুখার্জি, হৈমন্তী শুক্লা, সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, লতা মুঙ্গেশকর, কৌশিকী চক্রবর্তী ও ছায়ানটের শাকিল স্যার।

দলছুট : প্রিয় মুহূর্ত?

আশফা : যখন পরিবারের সবার সঙ্গে আড্ডা দিই। মা-বাবার মুখের হাসি যখন থাকে। আর অবশ্যই দাদির সঙ্গে কাটানো সময়। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়াটাই বা বাদ থাকবে কেন। আর আমার সাজতেও ভালো লাগে। সব সময় সাজুগুজু করে থাকি।

সাক্ষাত্কার নিয়েছেন গাজী খায়রুল আলম



মন্তব্য