• ই-পেপার

বর্ধিত সময়ে পাঠকের পদচারণায় জমে উঠেছে বইমেলা

ঢাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা, কমতে পারে গরম

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা, কমতে পারে গরম

রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় দুপুরের মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টি ঝরতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ ছাড়া তাপমাত্রা কমতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। 

শনিবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়েছে, আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। সেই সঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। এ ছাড়া দিনের তাপমাত্রা হালকা কমতে পারে। 

এদিকে সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৭ দশমিক ৬০ সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৮৯ শতাংশ।
 

শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক
শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

নানা প্রয়োজনে মানুষ দোকানপাট ও মার্কেটে যায়। কিন্তু তীব্র যানজট পেরিয়ে গিয়ে যদি দেখতে পায় সব দোকানপাট বন্ধ, তাহলে বিফলে যাবে সব। তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক শনিবার রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে।

যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে
শ্যামবাজার, বাংলাবাজার, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজারীবাগ, দোলাইপাড়, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেণ্ডারিয়া, দয়াগঞ্জ, স্বামীবাগ, ধোলাইখাল, জয়কালী মন্দির, যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ, গুলিস্তানের দক্ষিণ অংশ, ওয়ারী, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ, কোতোয়ালি থানা, বংশাল, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, শাঁখারি বাজার, চানখারপুল।

যেসব মার্কেট বন্ধ থাকবে
ফুলবাড়িয়া মার্কেট, সান্দ্রা সুপার মার্কেট, আজিমপুর সুপার মার্কেট, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট, শ্যামবাজার পাইকারি দোকান, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার, ধূপখোলা মাঠবাজার, চকবাজার, বাবুবাজার, নয়াবাজার, কাপ্তান বাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ইসলামপুর কাপড়ের দোকান, ছোট কাটরা, বড় কাটরা হোলসেল মার্কেট, শারিফ ম্যানশন।

যে দর্শনীয় স্থান বন্ধ থাকবে 
শিশু একাডেমি জাদুঘর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি।

আগামীকাল রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

রাজধানীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৫৪

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৫৪
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর মিরপুর মডেল থানা ও মুগদা থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৫৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানান।

মিরপুর মডেল থানার বরাত দিয়ে নিয়াজ মেহেদী বলেন, শুক্রবার মিরপুর মডেল থানা পুলিশ অত্র থানাধীন বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৪২ জনকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. আল আমিন (১৯), মো. সজল (১৯), মো. ফয়সাল খান (২৪), নকিব মাহমুদ (৪০), মো. সোলায়মান (১৯), মো. রুবেল মোল্লা (৩৫), মো. সিজিল মিয়া (৪০), মো. বাবুল মোল্লা (৩৮), সাফওয়ান (১৮), মো. শাওন হৃদয় (২৬), নিলয় (২২), মো. আলমাস (২২), গোলাম মোর্শেদ (২১), মো. রজব আলী (২৭), মো. সজীব (২২), মো. শামীম (২৪), মো. রনি (২২), মো. হাসান (৩০), মো. রিয়াদ হোসেন (২৮), মো. শারপিন (১৪), মো. সাইফুর রহমান (২৫), মো. আল আমিন (২৫), মো. আতিকুল ইসলাম আতিক (২৮), জহিরুল ইসলাম রনি (৩৪), মো. বাবু (২৮), মো. জাহিদুল ইসলাম (২৭), মো. সোয়েব আক্তার (২৬), মো. ইব্রাহিম গাজী (২৫), মো. রবিউল ইসলাম হিরা (২৭), মো. আরিফ আজিজ (২৬), মো. জুয়েল (২৮), মো. হানিফ (২৯), মো. নুর আলম (২০), মো. রমজান (২০), মো. রিয়াজ (২১), মো. সিরাজুল ইসলাম (৩৯), আল মাজিদ (২০), মো. নিজাম উদ্দিন রাব্বী (২৫), মোহাম্মদ উল্লাহ খান রুবেল, জান্নাতুল ফেরদৌস (৩৩), মোছা. নুরজাহান (৫০) ও মো. বান্ধি (২৮)।

মুগদা থানার বরাত দিয়ে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী বলেন, একই দিন মুগদা থানা পুলিশ অত্র থানাধীন বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. ইমন ওরফে টাইগার ইমন (২৪), মো. মামুন ভূঁইয়া, খাদিজা আক্তার, মো. রিজাউল মাতুব্বর (২৭), মো. সাজ্জাত মোল্লা শিশির (২৮), মো. রাহাত (২৬), রেজাউল করিম ওরফে রিয়াজ (৩৫), মো. ইউনুস (৪৪), মো. রমজান (২৫), মো. রানা (২৭), মো. শফিকুল ইসলাম ওরফে সাইফুল (৪২) ও মো. নাহিদুল ইসলাম লিখন (২৫)।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী।

নভোএয়ারের উড়োজাহাজে যান্ত্রিক ত্রুটি, ঢাকায় জরুরি অবতরণ

ভেতরে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির

নিজস্ব প্রতিবেদক
নভোএয়ারের উড়োজাহাজে যান্ত্রিক ত্রুটি, ঢাকায় জরুরি অবতরণ

ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী নভোএয়ারের বিকিউ-৯৩৫ ফ্লাইট উড্ডয়নের প্রায় ১৫ মিনিট পর যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় জরুরি অবতরণ করেছে। ল্যান্ডিং গিয়ার স্বাভাবিকভাবে উঠাতে না পারায় প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট আকাশে চক্কর দিয়ে উড়োজাহাজটি নিরাপদে ঢাকায় অবতরণ করে। একটি প্রোগ্রামে যোগ দিতে উড়োজাহাজটিতে যাত্রা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র ও বেসামরিক বিমান পরিবহন উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

শুক্রবার (৩ জুন) সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের ফ্লাইটে নভোএয়ারের উড়োজাহাজটি ঢাকা ছেড়ে উড়াল দেয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা কালের কণ্ঠকে বলেন, উড্ডয়নের প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট পরই উড়োজাহাজে যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে। ল্যান্ডিং গিয়ার স্বাভাবিকভাবে ওপরে উঠছিল না। ক্যাপ্টেন বারবার চেষ্টা করলেও সেটি প্রত্যাহার করা সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতি বিবেচনায় তিনি উড়োজাহাজটি ঢাকায় ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেন। প্রায় ৪৫ মিনিট আকাশে অবস্থান করার পর উড়োজাহাজটি নিরাপদে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে।

হুমায়ুন কবির বলেন, আমি উড়োজাহাজ চলাচল বিষয়ে বিশেষজ্ঞ নই। তবে আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হয়েছে, ক্যাপ্টেনের সিদ্ধান্তটি একেবারেই সঠিক ছিল। যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই তিনি ঢাকায় ফিরে আসেন। তবে এ সময় উড়োজাহাজের ভেতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে শিশুদের কান্নাকাটি এবং যাত্রীদের উদ্বেগ পরিস্থিতিকে আরো অস্বস্তিকর করে তোলে।

তিনি বলেন, ল্যান্ডিং গিয়ার ওপরে উঠছিল না বলে ক্যাপ্টেনকে অবতরণের আগে কিছু সময় আকাশে থাকতে হয়েছে। তিনি ধীরে ধীরে উড়োজাহাজের গতি কমিয়ে নিরাপদ অবতরণের প্রস্তুতি নেন। শেষ পর্যন্ত উড়োজাহাজটি নিরাপদেই অবতরণ করে, আল্লাহর রহমতে বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি।

এ ঘটনার পর পুরোনো উড়োজাহাজের ফিটনেস পরীক্ষা আরো কঠোর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, বেসরকারি এয়ারলাইন্সগুলো যে পুরোনো উড়োজাহাজ পরিচালনা করছে, সেগুলোর ফিটনেস আরো কঠোরভাবে পরীক্ষা করা প্রয়োজন। যাত্রীবাহী উড়োজাহাজের ক্ষেত্রে নিরাপত্তার সঙ্গে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই। নিয়মিত ও কার্যকর ফিটনেস পরীক্ষা নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে আরো গুরুতর দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এটি শুধু বিমান চলাচল নয়, যাত্রীদের জীবন ও নিরাপত্তার সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত।