kalerkantho


খিলগাঁওয়ে লাশ উদ্ধার

হত্যার আগে অপহরণ করা হয়েছিল সুমনকে!

ম্যানেজার ও দুই কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক    

১৪ নভেম্বর, ২০১৮ ০২:৫৩



হত্যার আগে অপহরণ করা হয়েছিল সুমনকে!

প্রতীকী ছবি

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার কাপড় ব্যবসায়ী সুমন খানকে হত্যা করার আগে রাজধানীর বিমানবন্দর সড়ক থেকে অপহরণ করা হয়েছিল বলে মনে করছে পুলিশ। তবে তাঁকে কোথায়, কারা, কেন হত্যা করেছে সে বিষয়ে এখনো অন্ধকারে রয়েছেন তদন্তসংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা। অবশ্য তাঁদের ধারণা, সুমনকে অপহরণের পর পথেই তাঁকে ছুরি মেরে হত্যা করার পর হাত ও চোখ বেঁধে লাশ ফেলা হয় খিলগাঁওয়ের ডেমরা রোডের নাগদারপার এলাকার একটি নির্জন জায়গায়। 

ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত কেউ এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। তবে ঘটনা সম্পর্কে তথ্য পেতে সুমন খানের ম্যানেজার নুরুল হুদা মিস্টার এবং দুই কর্মচারী আল আমিন ও তাঁরা মিয়াকে খিলগাঁও থানায় গত চার দিন ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাঁরা কেউই সমুন হত্যাকাণ্ড ও অপহরণের বিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।  

সুমন খানের বড় ভাই পিন্টু খান গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সুমনের মৃত্যুতে পরিবাবের যে ক্ষতি হয়েছে তা কখনো পূরণ হওয়ার নয়। তবে খুনি কে বা কারা, কেন তাকে হত্যা করা হলো সে বিষয়ে আমরা জানতে চাই।’ খুনিদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন তিনি। 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খিলগাঁও থানার উপপরিদর্শক আব্দুর রহিম বলেন, হত্যাকাণ্ডে কে বা কারা জড়িত তা এখনো জানা যায়নি। পরিবারসহ বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে।

কাপড় কেনার জন্য গত ৫ নভেম্বর ভোরে দেওয়ানগঞ্জের বাসা থেকে ঢাকার উদ্দেশে বেরিয়েছিলেন সুমন। সেদিন দুপুরের মধ্যেই ঢাকা হয়ে গাজীপুরে পৌঁছেন তিনি। নিজের কর্মচারী তাঁরা মিয়ার শ্বশুরের কাছ থেকে সুমন এক লাখ ৯৭ হাজার ৫০০ টাকার কাপড় কেনেন। 

আরো কিছু টাকার কাপড় অন্য জায়গা কেনার পর তিনি কর্মচারী তাঁরা মিয়া ও আল আমিনের মাধ্যমে দেওয়ানগঞ্জে পাঠিয়ে দেন। এরপর তিনি পুরান ঢাকার বাবুবাজার ব্রিজের পার্শ্ববর্তী এলাকায় মেজ ভাই রুবেল খানের বাসায় যাওয়ার কথা বলেছিলেন কর্মচারীদের। ওই বাসায় যাওয়ার পথে নিখোঁজ হন সুমন।



মন্তব্য