kalerkantho


বাড়ির নিচে গুপ্তধন, পুলিশের অভিযান চলছে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ জুলাই, ২০১৮ ১২:১৮



বাড়ির নিচে গুপ্তধন, পুলিশের অভিযান চলছে

রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বর সেকশনের সি ব্লকের ১৬ নম্বর সড়কের একটি বাড়িতে গুপ্তধনের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। আজ শনিবার সকাল ১১ টা থেকে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়।

গুপ্তধন আছে, এমন তথ্যের ভিত্তিতে সিটি করপোরেশনের সহযোগিতায় সেখানে তল্লাশি অভিযান শুরু করে পুলিশ। সিটি করপোরেশনের কর্মীরা ওই বাড়ির একটি রুম খুঁড়ছেন। তল্লাশি অভিযানে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন।

জানা গেছে, গত ১৪ জুলাই বাড়িটির বর্তমান মালিক দাবিদার মনিরুল আলম মিরপুর থানায় একটি জিডি করেন। সেখানে তিনি বলেন, তার বাসার মাটির নিচে গুপ্তধন রয়েছে বলে এলাকার লোকজনের মধ্যে জনশ্রুতি রয়েছে। এ কারণে বাড়িটির সামনে প্রতিদিন লোকজন ভিড় করছে। যে কোনো সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। বাড়িটি দুই কাঠা জমির ওপর নির্মিত। আপাতত কোনো ভাড়াটিয়া নেই। একজন নিরাপত্তারক্ষী বাড়িটি দেখভাল করেন। যেহেতু জনশ্রুতি আছে বাসার মাটির নিচে গুপ্তধন রয়েছে, তাই বাড়ি খননে তার কোনো আপত্তি নেই। খননের খরচও তিনি বহন করবেন। যদি গুপ্তধন পাওয়া যায়, তাহলে তা বেওয়ারিশ সম্পত্তি হিসেবে গণ্য হবে। এ ছাড়া বিধি মোতাবেক তা সরকারি কোষাগারে জমা হবে।

পরে জিডির কথা উল্লেখ করে পুলিশের পক্ষ থেকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরকে চিঠি দেওয়া হয়। সেখানে বলা হয়েছে, বিষয়টি স্পর্শকাতর। তাই এ ঘটনার সত্যাসত্য যাচাই ও এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে বাড়িটি খনন করা প্রয়োজন।

তবে স্থানীয়দের কেউ কেউ মনে করেন, কোটি টাকা মূল্যের বাড়িতে গুপ্তধন থাকার কথা বলে দখল, হাতবদলের চেষ্টা করছে একটি পক্ষ।

বাড়িটির মূল তত্ত্বাবধায়ক শফিকুল ইসলাম বলেন, আড়াই বছর ধরে বাড়ির মূল মালিকের সঙ্গে তার দেখা নেই। শহীদুল্লাহ নামে মালিকের এক ঘনিষ্ঠ লোকের সঙ্গে তিনি যোগাযোগ রাখেন। বাড়ির ভালোমন্দ সব কিছু তাকে জানান। শহীদুল্লাহ পুলিশের সদস্য বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে মিরপুর বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার সাংবাদিকদের বলেন, যদি এখানে মাটি খনন করে কোনো কিছু পাওয়া যায় আইনগতভাবে তার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আদালতকে অবহিত করে ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুলিশের সামনেই বাড়িটি খনন করা হচ্ছে।



মন্তব্য