kalerkantho


বসুমতী আবাসিক প্রকল্পের নামে শত বিঘা জমি দখল

পৈতৃক সম্পত্তি ফিরে পেতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ১২:৪২



পৈতৃক সম্পত্তি ফিরে পেতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে মানববন্ধন

পৈতৃক সম্পত্তিটুকু ফিরে পেতে মানববন্ধন করেছে হাজারো মানুষ

এবার হীরাঝিল বসুমতী আবাসিক প্রকল্পের কর্ণধার ভণ্ড পীর নাসির উদ্দিন নাসুর বিরুদ্ধে জেগে উঠেছে ভাটারার নির্যাতিত মানুষরা। অবৈধভাবে জমি দখল করে নাসু যে প্রকল্পটি গড়ে তুলেছে, তার সবটুকুই জবর-দখল করা। জমি হারানো বাসিন্দারা ফিরে চায় তাদের শেষ সম্বলটুকু। রেহায় চায় নাসুর লেলিয়ে দেওয়া মাস্তান ও আনসার বাহিনীর হাত থেকে। এজন্য মানববন্ধন করেছে তারা। 

মানববন্ধনে তারা বলেছেন, ‘আমাদের পিঠ এখন দেয়ালে ঠেকেছে। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে কোনো সমাধান না আসলে, আরো কঠোর কর্মসূচীর ঘোষণা দেওয়া হবে।’

ভাটারা মৌজার ছোলমাইদ এলাকাবাসীর ক্ষতিগ্রস্ত ও নির্যাতিত জমি রক্ষার কমিটির ব্যানারে আজ রবিবার সকালে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা সংলগ্ন বসুমতি আবাসিক প্রকল্পের সামনে শান্তিপূর্ণ এই মানববন্ধনে অংশ নেন কয়েক হাজার মানুষ। গ্রামবাসীরা বলেন, তাদের পৈতৃক সম্পত্তি জোর করে দখলে নিয়েছে হীরাঝিল বসুমতী আবাসিক প্রকল্প। প্রায় ১৮/২০ বছর ধরে দখলে রাখা এই জমি ফেরত পেতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তারা। 

ভাটারা মৌজার ছোলমাইদ এলাকাবাসীর ক্ষতিগ্রস্ত ও নির্যাতিতদের জমি রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম ঢালীর নেতৃত্বে মানববন্ধনে অংশ নেন, কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক সিদ্দিকুর রহমান ঢালী, আতাউর রহমান ঢালী, হাজী মোশারফ হোসেন খন্দকার, দেলোয়ার হোসেন, সিরাজ, আতাউর রহমান মাতবর, রুহুল আমীন, আসাদুজ্জামান, দিলু খন্দকার ও গোলাম মোস্তফা। 

আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সদস্য শফিকুল ইসলাম ঢালী, সিরাজ ঢালী, আনোয়ার হোসেন, মোক্তার হোসেন, আশবুর রহমান, মিলন, ফারুক, মাসুম, মাহাবুবুর রহমান ও রফিকুল ইসলাম। এ ছাড়াও জমি হারানো কয়েক শ ভুক্তভোগী তাদের জমির মূল কাগজ ও দলিলাদি নিয়ে মানববন্ধনে অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, হীরাঝিল বসুমতী আবাসিক প্রকল্পের নামে ভণ্ড পীর নাসির উদ্দিন নাসু শতাধিক বিঘা জমি জোরপূর্বক করে দখল করে রেখেছে। এই প্রকল্পে নাসুর এক শতাংশ জমিও নেই। জবরদখল করা জমিতে নাসু স্থাপন করেছে আনসার ক্যাম্প। ওই প্রকল্পে জমির মালিকরা ঢুকতে চাইলেও আনসার ও নাসুর ভাড়াটিয়া মাস্তানদের নির্যাতনের শিকার হতে হয়। ওই নির্যাতনের হাত থেকে নারী, পুরুষ এমনকি বৃদ্ধ মানুষও রেহায় পায় না। নাসুর এই নির্যাতনের হাত থেকে রেহায় চান তারা, ফিরে চান বাপ-দাদার পৈতৃক সম্পত্তি।



মন্তব্য