kalerkantho


'২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপিকে ক্ষমতার বাইরে রাখতে হবে'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৬ ডিসেম্বর, ২০১৭ ২২:০০



'২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপিকে ক্ষমতার বাইরে রাখতে হবে'

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, দেশের উন্নয়নে ২০১৮ সালের নির্বাচনে খালেদা জিয়া ও বিএনপিকে ক্ষমতার বাইরে রাখতে হবে। আজ বুধবার রাজধানীর কাকরাইলে স্থানীয় একটি হোটেলে ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি- বিশ্বময় বাঙালি চেতনার জাগরণ’- শীর্ষক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি যতদিন থাকবে ততদিন রাজাকার উৎপাদন হবে। এ দুটো বাদ না দিলে দেশের রাজনীতির মীমাংসা হতে পারে না। তারা রাজাকার, জঙ্গি ও জামায়াতের সাথে জোট বেঁধে দেশের রাজনীতি হত্যা করছে। পাকিস্তানের চারাগাছ আবারো রোপণের চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া ও বিএনপি বিষবৃক্ষ। আর রাজাকার, জঙ্গি ও জামায়াত বিষাক্ত বৃক্ষের ডালপালা। যতই ডালাপালা ছাঁটাই করা হোক না কেনো, যতক্ষণ পর্যন্ত বিষবৃক্ষ উপড়ে ফেলা না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত বাংলাদেশ সঠিকভাবে এগুতো পারবে না। ’

ইনু বলেন, ‘৭ মার্চের ভাষণ বর্তমানে দেশে জনগণের কাছে দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ। নতুন রাষ্ট্রের জন্ম দেওয়ার ভাষণ।

৮ মার্চ থেকেই তা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়ে যায়। এদিন থেকেই বঙ্গবন্ধু সব কর্তৃত্ব নিজের হাতে নিয়ে নেন এবং নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে দেশের রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেন। তিনি প্রশাসন, বেতার, টেলিভিশন সব নিজের আওতায় নিয়ে নেন। সুতরাং তৎকালীন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ৭ মার্চের ভাষণ প্রাসঙ্গিক হলেও সবসময়ের জন্য তা প্রাসঙ্গিক ভাষণ। ’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের জনগণ তার নেতৃত্ব স্বীকার করে একসঙ্গে কাজ করার শপথ নেন। শুধু বাকি ছিলো আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা। বঙ্গবন্ধু স্বশাসিত স্বাধীন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু করেন। ’

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যাকাণ্ডের পর এই স্বাধীনতার ভাষণকে ধামাচাপা দিয়েছে খন্দকার মোশতাক ও জিয়াউর রহমান- এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের ইতিহাস বিকৃত করে সঠিক ইতিহাসকে ধামাচাপা ও বিকৃত করে দিয়েছে তারা। পরবর্তীতে সামরিক শাসনের ধারাবাহিকতায় বিএনপি ও বেগম খালেদা জিয়া এই ভাষণকে বিকৃত করেছে। তারা বঙ্গবন্ধুকে স্বীকার করে না। ৭ মার্চের ভাষণের তাৎপর্যকে অস্বীকার করে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ হাঁটতে শুরু করেছে। তখন ঐতিহাসিক এ ভাষণকে নিয়ে আমরা আলোচনা করি। সঠিক ইতিহাস চর্চা করি। সঠিক ইতিহাস চর্চা করা হলে সাড়ে চার হাজার বছরের বাঙালি ঐতিহ্যের ইতিহাস ও শেকড়ের চর্চা করা হবে। এই চর্চাও প্রাসঙ্গিক। যাদের ইতিহাস নাই তারা সঠিক ইতিহাসকে বিকৃত ও ধামাচাপা দেওয়ার পাঁয়তারা করে।


মন্তব্য