kalerkantho


মিরপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে কলেজছাত্রের আত্মহত্যা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ২১:৫৩



মিরপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে কলেজছাত্রের আত্মহত্যা

প্রতীকী ছবি

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী ডিওএইচএস এলাকায় লাবিবুল ইসলাম লাবিব (১৭) নামে এক কলেজছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে করেছে আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গুলশান ইউনাইটেড হাসপাতাল থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত লাবিব মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার গোয়ালগাও গ্রামের আনিসুল ইসলামের ছেলে। তিনি মিরপুর ডিওএইচএস’র ৭ নম্বর রোডের ৪০১ নম্বর বাড়ির ৪র্থ তলায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন।

লাবিবের বাবা আনিসুল ইসলাম অভিযোগ করে জানান, লাবিব আদমজী ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিল। দুই বোন এক ভাইয়ের মধ্যে লাবিব সবার ছোট।

মগবাজার টিঅ্যান্ডটি কলোনি এলাকার এক কলেজছাত্রীর সঙ্গে লাবিবের ছয়মাস যাবৎ প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিভিন্ন সময় তাদের মধ্যে ঝগড়া হত। আবার ঠিকও হয়ে যেত। ৩/৪ মাস আগে তাদের সম্পর্কে ফাটল ধরে। এ বিষয় নিয়ে লাবিব বিষণ্নতায় ভুগছিল।

পরে আমরা বিষয়টি জানতে পেরে ওই কলেজছাত্রীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে চাই।

সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) ওই কলেজছাত্রী নিজে লাবিবকে ফোন দিয়ে রাজধানীর মগবাজার স্কাইভিউ রেস্টুরেন্টে দেখা করতে বলে আমাদের। পরে সন্ধ্যায় লাবিবসহ, লাবিবের বন্ধু আজহারুল ইসলাম সিহাব ও লাবিবের মাকে সঙ্গে নিয়ে আমরা ওই রেস্টুরেন্টে যাই। সেখানে গিয়ে তাদের দেখতে না পেয়ে বারবার ফোনে চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। কিছুক্ষণ পর ২০/২৫ জন যুবক লাঠি, হকিস্টিক নিয়ে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা করে। এতে সবাই আহত হয়ে বাসায় ফিরে আসি। রাতে যার যার কক্ষে ঘুমাতে যাই।

আনিসুল ইসলাম অভিযোগ করে আরো বলেন, ওই কলেজছাত্রী সন্ত্রাসী দিয়ে আমাদের মারধর করিয়েছে এ কারণে আমার ছেলে আত্মহত্যা করেছে। আমরা ওই মেয়ের বিচার চাই।

পল্লবী থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) সেলিম রেজা জানান, ভোরে লাবিবকে অনেক ডাকাডাকি করে তার মা লায়লা ইসলাম। পরে কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলতে দেখে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে গুলশান ইউনাইটেড হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পরে খবর পেয়ে হাসপাতাল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বিকেলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।


মন্তব্য