kalerkantho


সম্প্রীতি বাংলাদেশের সেমিনারে বক্তারা

৭ই মার্চের ভাষণই ছিল মুক্তিযুদ্ধের নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০



১৯৭১ সালের ৭ই মার্চে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ভাষণই ছিল মুক্তিযুদ্ধের নির্দেশনা, যার মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে স্বাধীনতা। এর আগে বাঙালি জাতি মুখিয়ে ছিল স্বাধীনতার ঘোষণার জন্য। বাঙালির মনের খবর জানতেন বলেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণে সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিকসহ সব বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন। তাঁর ১৯ মিনিটের ভাষণে এমন কোনো বিষয় নেই যা বলেননি। এ ভাষণের প্রতিটি শব্দ ও বাক্য আলাদা করে গবেষণা করা যেতে পারে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের মাওলানা আকরাম খাঁ মিলনায়তনে সম্প্রীতি বাংলাদেশের আয়োজনে ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণই মুক্তিযুদ্ধের নির্দেশনা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন গণপূর্তমন্ত্রী শ  ম রেজাউল করিম।

মন্ত্রী বলেন, ‘রবীন্দ্রসংগীত রচনা করা যায় না। কিন্তু পাকিস্তানিরা আমাদের দিয়ে তা করাতে চেয়েছিল। ঠিক তেমনি ইতিহাসও রচনা করা যায় না। বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ভাষণ কেউ রচনা করতে পারে না। এই ভাষণ ছিল কোটি মানুষের কষ্ট ও ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।

সম্প্রীতি বাংলাদেশের সভাপতি পিযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংগঠনটির সদস্যসচিব অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল। আলোচনা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক কামরুল হাসান খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আ ব ম ফারুক, বাংলাদেশ পোস্ট সম্পাদক শরীফ সাহাবুদ্দীন, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ, নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) এ কে মোহাম্মদ আলী শিকদার, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. উত্তম বড়ুয়া প্রমুখ।



মন্তব্য