kalerkantho

আজ বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস ২০১৯

৩০ শতাংশ ভোক্তা সচেতন হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৩০ শতাংশ ভোক্তা সচেতন হয়েছে

নিজেদের অধিকারের বিষয়ে জানাশোনায় তলানিতে থাকা ভোক্তারা সচেতন হচ্ছে ধীরগতিতে। গত এক দশকে ৩০ শতাংশ ভোক্তা সচেতন হয়েছে। সচেতন এসব ভোক্তার সংখ্যা শহরাঞ্চলে বেশি।

আজ শুক্রবার বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস ২০১৯। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশও ভোক্তাদের অধিকারের বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে দিবসটি উদ্‌যাপন করা হচ্ছে। ‘নিরাপদ মানসম্মত পণ্য’ স্লোগান সামনে রেখে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর (ডিএনসিআরপি) ও কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) যৌথভাবে দিবসটি উদ্‌যাপন করার কথা ছিল। তবে দেশের বিভিন্ন জেলায় ভোক্তা দিবসের অনুষ্ঠান হলেও ঢাকার অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়েছে।

ভোক্তা অধিদপ্তরের একটি সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর এ দিবসের অনুষ্ঠান উদ্বোধন করার কথা ছিল। কিন্তু অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন তিনি। এ কারণে ঢাকায় সব ধরনের অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়েছে। 

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ভোক্তা অধিদপ্তরের কার্যক্রম শুরু হয় ২০০৯ সালে। ভোক্তাদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিচার করা, গণশুনানি, ভোক্তা অধিকার আইনের বিষয়ে সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা, বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে ১০ বছর পার করার পথে প্রতিষ্ঠানটি। এই এক দশকের সফলতার বিষয়ে জানতে চাইলে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম লষ্কর কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নিজেদের অধিকার বিষয়ে তলানিতে থাকা ভোক্তার সচেতনতা তৈরিতে আমরা কাজ করছি। এ পর্যন্ত প্রায় ৩০ শতাংশ ভোক্তা তাদের অধিকার বিষয়ে সচেতন হয়েছে।’

২০০৯-১০ অর্থবছরে মোট সাতটি বাজারে অভিযান পরিচালনা করে প্রতিষ্ঠানটি। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাজারে অভিযান পরিচালিত হয়েছে তিন হাজার ৭৩৫টি। গত ১০ বছরে সারা দেশে সাড়ে ১৫ হাজারের বেশি বাজারে অভিযান পরিচালনা করে প্রতিষ্ঠানটি। এসব অভিযানে প্রায় ৫৪ হাজার প্রতিষ্ঠানকে দণ্ডিত করা হয়। দণ্ডিত প্রতিষ্ঠান থেকে জরিমানা হিসেবে আদায় করা অর্থের পরিমাণ ৪২ কোটি ৫১ লাখ টাকা।  প্রতিষ্ঠানটি বাজার অভিযানের চেয়েও বেশি পরিচিতি পেয়েছে গ্রাহকের অভিযোগ নিষ্পত্তির মাধ্যমে। কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয় করে প্রতারিত হয়ে অনেকে এই অধিদপ্তরে নির্দিষ্ট আইনে অভিযোগ দাখিল করে। কোনো ভোক্তা যদি অভিযোগ দায়ের করে এবং অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয় তবে দায়ী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জরিমানা করা হয়। আদায় করা জরিমানার ২৫ শতাংশ অভিযোগকারীকে দেওয়া হয়।

মন্তব্য