kalerkantho

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন

বয়স কত হলে প্রার্থীকে বয়স্ক বলা যাবে!

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২০ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সপ্ততিপর বৃদ্ধ (৭০ থেকে ৭৯ বছর বয়সী ব্যক্তি) ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন আরেকবার ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন, তখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে নতুন এক প্রশ্নের উদয় হয়েছে। প্রশ্নটা হলো—প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর বয়স আরো কত বেশি হলে তাঁকে বয়স্ক বলা যাবে? এই প্রশ্নের রসদ শুধু ট্রাম্পের বয়সই নয়; আগামী নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে যে দুজনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা শোনা যাচ্ছে, তাঁরাও সপ্ততিপর বৃদ্ধ।

রিপাবলিকান প্রার্থী হিসেবে ট্রাম্প আগামী নির্বাচনে (২০২১) জয়ী হলে ক্ষমতায় গেলে তাঁর বয়স দাঁড়াবে ৭৪ বছরে। ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স এবং সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। আগামী নির্বাচনের সময় স্যান্ডার্সের বয়স দাঁড়াবে ৭৯ বছরে এবং বাইডেনের ৭৮ বছরে। প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে আছেন সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেনও। কিন্তু তাঁর বয়সও ৭১ বছরে গিয়ে ঠেকবে।

তুলসি গ্যাবার্ড (৩৭), পিট বুটিজিয়েগ (৩৭) ও জুলিয়ান কাস্ত্রো (৪৪)—এই তিন ‘তরুণ’ নির্বাচনে প্রার্থী হতে চাইলেও ডেমোক্রেটিক পার্টি তাতে আগ্রহ দেখায়নি।

৫৫ বছরের চেয়ে বেশি বয়সী কোনো ব্যক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট বানিয়েছিল ১৯৪৮ সালে। দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ইতিহাস বলছে, সেখানকার ভোটাররা তরুণ প্রার্থীদের প্রতিই তুলনামূলক বেশি আকৃষ্ট হয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রার্থীর বয়স বেশি হলো এর ইতিবাচক ও নেতিবাচক—দুই ধরনের প্রভাবই আছে। প্রবীণ প্রার্থীদের অভিজ্ঞতা বেশি থাকে এবং এই অভিজ্ঞতা তাঁদের ব্যালটে বেশি ভোট পড়তে সহায়তা করে। আর নেতিবাচক দিকটা হলো, প্রবীণ প্রার্থীদের অনেকেই তরুণ ভোটারদের মনোভাব ঠিকঠাক বুঝতে পারেন না। আবার ফেসবুক বা টুইটারের মতো আধুনিক প্রচারযন্ত্রের ওপরও খুব বেশি দখল থাকে না তাঁদের।

বাইডেন ও স্যান্ডার্সের কট্টর সমর্থকরা অবশ্য মনে করে, তাঁদের বয়স কোনো সমস্যা নয়। গ্যারিক ডোডসন (১৭) নামের এক তরুণ জানায়, নির্বাচন আসতে আসতে সে ভোটার হয়ে যাবে। আর প্রথম ভোটটা সে দেবে স্যান্ডার্সকে। কারণ হিসেবে সে বলে, ‘তাঁর বয়স আমার কাছে কোনো সমস্যা নয়। তিনি সুস্বাস্থ্যের অধিকারী কি না, সেটাও আমার কাছে বিবেচ্য নয়। আমি স্যান্ডার্সকে পছন্দ করি এবং তাঁকেই ভোট দেব। কারণ তরুণ প্রজন্মকে তিনি উৎসাহ দিতে পারেন। এ ছাড়া সম্পদের সমতায়নে তাঁর অঙ্গীকার প্রশংসনীয়।’ সূত্র : এএফপি।

 

মন্তব্য