kalerkantho


ভেনিজুয়েলা সংকট

কলম্বিয়া সীমান্তে যুক্তরাষ্ট্রের ত্রাণবাহী বিমান

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



মার্কিন সেনাবাহিনীর ত্রাণবাহী বিমানবহর কলম্বিয়ার সীমান্ত শহর কুকুতায় পৌঁছেছে। ভেনিজুয়েলার বিরোধী নেতা হুয়ান গুয়াইদোর অনুরোধে তাঁর দেশের সীমান্তে বিদেশি ত্রাণ পৌঁছল। এই ত্রাণের আড়ালে ওয়াশিংটন কার্যত সামরিক হস্তক্ষেপ করতে চায় বলে অভিযোগ করেছেন ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো।

বর্তমানে ভেনিজুয়েলায় উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে। খাবার, ওষুধের মতো প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের চরম সংকট দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে গত মাসে গুয়াইদো নিজেকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ঘোষণা দেন। স্বঘোষিত এই প্রেসিডেন্টকে যুক্তরাষ্ট্রসহ অর্ধশতাধিক রাষ্ট্র আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ক্ষমতা ছাড়তে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তাঁর প্রতি দেশটির সেনাবাহিনী ছাড়াও রাশিয়া, চীনসহ কয়েকটি দেশের সমর্থন আছে।

বিরোধী নেতা গুয়াইদো বলেছেন, ‘আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি ভেনিজুয়েলার ছয় লাখ স্বেচ্ছাসেবী সীমান্ত বেয়ে এ ত্রাণ দেশে আনবেন।’ শনিবার এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, ‘আমরা সীমান্তের দুই পারেই কাজ করব। লক্ষ্যে পৌঁছা পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম চলবেই।’

তবে ভেনিজুয়েলার অভ্যন্তরে ত্রাণ প্রবেশের অনুমতি মিললে গুয়াইদোর অবস্থান কী হবে তা এখনো পরিষ্কার নয়। যদিও ভেনিজুয়েলা ও কলম্বিয়ার মধ্যকার একটি রাস্তার সেতু এরই মধ্যে কনটেইনার দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ওই সেতু ভেনিজুয়েলা অংশে অবস্থিত।

এদিকে কুকুতায় সংবাদ সম্মেলন করে দাতব্য সংস্থা ইউএসএইডের প্রশাসক মার্ক গ্রিন বলেছেন, গুয়াইদোর অনুরোধেই ত্রাণ আনা হয়েছে। কারণ ভেনিজুয়েলায় মানবিক সংকট চরমে পৌঁছেছে। শিশুরা চরম ক্ষুধার্ত থাকছে। এ ছাড়া ভেনিজুয়েলার প্রতিটি হাসপাতালেই ওষুধের ঘাটতি রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, সামগ্রিক পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক সংকট দেখা দিয়েছে। খাবার ও ওষুধের খোঁজে ৩০ লাখ ভেনিজুয়েলান আশপাশের দেশে আশ্রয় নিয়েছে। আমরা আজ এমন এক সময়ে পৌঁছেছি যখন লাতিন আমেরিকার ইতিহাসে সর্বাধিক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। গুয়াইদোর একজন প্রতিনিধি জানিয়েছেন, ব্রাজিল ও ক্যারিবিয়ান দ্বীপে প্রচুরসংখ্যক ত্রাণ সংগ্রহ কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

সূত্র : বিবিসি।

 



মন্তব্য