kalerkantho


মুম্বাই হামলার দায়

রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় নওয়াজ শরিফকে হাইকোর্টের সমন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



সরকারি নীতির কারণেই পাকিস্তানভিত্তিক সন্ত্রাসীরা ২০০৮ সালে মুম্বাইয়ে হামলা করতে সক্ষম হয়েছিল বলে মন্তব্য করায় রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের প্রতি সমন জারি করেছেন লাহোর হাইকোর্ট। আগামী ৮ অক্টোবর তাঁকে হাইকোর্টের শুনানিতে হাজির হতে হবে। একই ঘটনায় দেশটির বহুল প্রচারিত ডন পত্রিকার সাংবাদিক সাইরিল আলমেইদার বিরুদ্ধে ‘জামিন অযোগ্য’ গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করেন আদালত।

চলতি বছরের মে মাসে ডন পত্রিকাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে নওয়াজ শরিফ প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে স্বীকার করেন, পাকিস্তানে সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো সক্রিয়। তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন যে রাষ্ট্রীয় নীতি অনুমোদন করে বলেই নন-স্টেট অ্যাক্টররা (রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তি বা সংগঠন) সীমান্ত অতিক্রম করতে পারে এবং মুম্বাইয়ে গিয়ে লোকজনকে হত্যা করে।

এই স্বীকারোক্তির কারণে সম্প্রতি আমিনা মালিক নামে এক ব্যক্তি নওয়াজ শরিফ, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শাহিদ খাকান আব্বাসি ও ডন পত্রিকার সাংবাদিক সাইরিল আলমেইদার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে লাহোর হাইকোর্টে পিটিশন দায়ের করেন। একই সঙ্গে এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়ায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শহিদ খাকান আব্বাসি শপথ লঙ্ঘন করেছেন বলেও অভিযোগ আনেন আমিনা। এই আবেদনের ওপর গতকাল শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নওয়াজ শরিফ ও সাংবাদিক সাইরিল আলমেইদা আদালতে উপস্থিত হননি।

গতকাল শুনানি শেষে বিচারপতি সাইয়েদ মাজহার আলী আকবর নাকভির নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ নওয়াজ শরিফকে পরবর্তী শুনানির তারিখে (৮ অক্টোবর) হাজির হতে সমন জারি করেন। একই সঙ্গে তাঁর হাজির না হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে তাঁর আইনজীবীকে নির্দেশ দেন। এ ছাড়া সাংবাদিক আলমেইদার অনুপস্থিতির জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং জামিন অযোগ্য ওয়ারেন্ট জারি করে আগামী ৮ অক্টোবর তাঁকে হাজির করতে পাঞ্জাব পুলিশের ডিআইজিকে নির্দেশ দেন।

ইমরান খানকে নিয়ে রিট খারিজ : অন্যদিকে নির্বাচনের মনোনয়নপত্রে ইমরান খানের ‘প্রেমের সন্তানের’ তথ্য গোপন করায় তাঁকে অযোগ্য ঘোষণা করার একটি রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট। গতকাল পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারপতির একটি বেঞ্চ আদেশ দেন।

গত বছরের মে মাসে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে সুপ্রিম কোর্ট ছয় সদস্যের একটি যৌথ তদন্ত দল (জেআইটি) গঠন করে দিয়েছিল। এর পরই পিটিআই নেতা ও জাতীয় পরিষদের তৎকালীন সদস্য ইমরান খানকে অযোগ্য ঘোষণা করতে রিট আবেদন করা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। সূত্র : ডন।



মন্তব্য