kalerkantho


ব্রেক্সিট বিতর্ক

যুক্তরাজ্যের প্রতি সম্মান দেখাতে বললেন মে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



যুক্তরাজ্যের প্রতি সম্মান দেখাতে বললেন মে

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে যুক্তরাজ্যের আলাদা হওয়া তথা ব্রেক্সিট ইস্যু নিয়ে মতানৈক্যের জেরে কোনোভাবেই যেন যুক্তরাজ্যকে অসম্মান করা না হয়, ইইউর প্রতি সে আহ্বান জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে। গত শুক্রবার টেলিভিশনে ্প্রচারিত বিবৃতিতে তিনি এও জানিয়েছেন, উত্তর আয়ারল্যান্ডকে যুক্তরাজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করার কোনো প্রস্তাব কখনোই তিনি মানবেন না।

অস্ট্রেলিয়ার সালজবার্গে গত বৃহস্পতিবার ইইউর সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে মিলিত হয় যুক্তরাজ্য। আগামী অক্টোবরের বৈঠকের আগে ব্রেক্সিট সংক্রান্ত জটিলতা মিটিয়ে ফেলা যাবে, তেমন আশা নিয়ে বৃহস্পতিবার বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন মে। কিন্তু শুক্রবারের টেলিভিশন বত্তৃদ্ধতায় মের সুরে ছিল ক্ষোভ।

প্রধানমন্ত্রী মে বলেন, ‘এ (ব্রেক্সিট) প্রক্রিয়া চলাকালে আমি সব সময় ইইউর প্রতি সম্মান দেখিয়েছি। যুক্তরাজ্যও একই প্রত্যাশা করে। এ প্রক্রিয়ার শেষে সম্পর্কটা কেমন দাঁড়াবে, তা এ শ্রদ্ধাবোধ প্রদর্শনের ওপর নির্ভর করছে।’ এ ছাড়া সালজবার্গের বৈঠকে ইইউ সদস্যরা যুক্তরাজ্যের ব্রেক্সিট প্রস্তাব নাকচ করে দেওয়ায় মে দাবি করেছেন, এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের কারণ ইইউকে ব্যাখ্যা করতে হবে অথবা বিকল্প প্রস্তাব দিতে হবে।

বৈঠকে ইউরোপীয় পরিষদের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টাস্ক বলেছেন, যুক্তরাজ্যের ব্রেক্সিট প্রস্তাব বর্তমান পরিস্থিতিতে কাজ করবে না। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ আরো কঠোর হয়ে বলেন, যেসব ব্রিটিশ রাজনীতিক ‘মিথ্যাচার’ করে জনগণের কাছে ‘ব্রেক্সিট বিক্রি’ করেছেন, তাঁরা মাঠ থেকে সটকে পড়েছেন।

এসব বক্তব্যের জবাবে মে শুক্রবার দেওয়া বিবৃতিতে বলেন, ‘সমঝোতার এ পর্যায়ে এসে কোনো রকম ব্যাখ্যা ও বিকল্প প্রস্তাব না দিয়ে অন্য পক্ষের প্রস্তাব একেবারে বাতিল করে দেওয়াটা মেনে নেওয়া যায় না।’

উত্তর আয়ারল্যান্ড নিয়ে বিতর্কের প্রসঙ্গে মে দাবি করেন, ইইউ বিষয়টি নিয়ে যেভাবে কথা বলছে তাতে উত্তর আয়ারল্যান্ড যুক্তরাজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়ে ইউরোপীয় জোটের নীতিমালার ভেতরে থেকে যাবে। এ ধরনের প্রস্তাবে শুধু তিনি নন, বরং কোনো ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কখনো সায় দেবেন না বলে তিনি মন্তব্য করেন। সব কিছু মিলিয়ে মে বলেন, ‘(ব্রেক্সিট বিষয়ক গণভোটের প্রতি) সম্মান দেখাতে ব্যর্থ হলে কিংবা কোনো কারণে আমাদের দেশ সত্যি সত্যি দুভাগে বিভক্ত হয়ে গেলে সেটা হবে একটা বাজে চুক্তি। আর আমি সব সময় বলে এসেছি, একটা বাজে চুক্তি হওয়ার চেয়ে কোনো চুক্তি না হওয়াই ভালো।’ সূত্র : এএফপি, সিএনএন।



মন্তব্য