kalerkantho


ইইউ অগ্রহণযোগ্য ব্রেক্সিট দাবি করতে পারে না : মে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ব্রাসেলস ব্রিটেনের কাছে অগ্রহণযোগ্য কোনো দাবি করতে পারে না। ইইউ থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়ার (ব্রেক্সিট) চুক্তিতে ‘সীমান্ত কড়াকড়ি’ এড়াতে ইইউয়ের প্রধান আলোচক মিচেল বার্নিয়ারের বিতর্কিত প্রতিরোধ সমাধান (ব্যাকস্টপ সলিউশন) প্রস্তাবের বিরোধিতা করে এ সতর্কতা উচ্চারণ করলেন মে। উত্তর আয়ারল্যান্ডে বিনা পরীক্ষায় ইউরোপীয় পণ্যের প্রবাহ নিশ্চিত করতে ওই প্রস্তাব দিয়েছিলেন বার্নিয়ার, যা এক দেশে দুই নীতি হিসেবে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষুব্ধ করেছে।

অস্ট্রিয়ার সালজবুর্গে ইইউ নেতাদের ব্রেক্সিট আলোচনায় নিজের অংশগ্রহণ সামনে রেখে গতকাল বুধবার জার্মানির ‘ডাই ওয়েল্ট’ পত্রিকায় লেখা এক নিবন্ধে টেরেসা মে ইইউকে সতর্ক করে দেন। গত রাতে এই আলোচনা হওয়ার কথা, যেখানে নিজেদের প্রস্তাব তুলে ধরবেন তিনি। বৈঠকের আগে ব্রিটিশ অবস্থানের পূর্বধারণা দিতে এই নিবন্ধ তিনি লেখেন। মে বলেন, যদি ইইউ ও যুক্তরাজ্য ব্রেক্সিট চুক্তিতে পৌঁছতে পারে, তাহলে কোনো পক্ষই অগ্রহণযোগ্য দাবি করতে পারে না।

ইইউ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর দুই পক্ষই চাচ্ছে উত্তর আয়ারল্যান্ডে সীমান্ত বাণিজ্যে কড়াকড়ি এড়াতে। কিন্তু কিভাবে সেটি করা হবে তাতে একমত হতে পারছে না দুই পক্ষ। এ ব্যাপারে সীমান্ত বাণিজ্যসহ ভর্তুকি, সামাজিক ও কর্মসংস্থান নীতি ও পরিবেশগত কাঠামোর ক্ষেত্রে অভিন্ন একটি বিধিমালা প্রণয়নের প্রস্তাব দিয়েছে ব্রিটেন। তাতে পণ্যপ্রবাহে সংঘাত এড়ানোর গ্যারান্টিও দেওয়া হয়। কিন্তু ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রীর এই প্রস্তাব এড়িয়ে ইইউয়ের প্রধান আলোচক বার্নিয়ার প্রস্তাব দেন, ইইউ থেকে ব্রিটেন আলাদা হলেও উত্তর আয়ারল্যান্ড ইইউয়ের ‘একক মার্কেট’ অংশ হিসেবে এবং একই কাস্টমসের অধীনে থেকে যাবে, যাকে ‘ব্যাকস্টপ সলিউশন’ বলে অভিহিত করেছেন তিনি।

এই প্রস্তাবে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে টেরেসা মে লিখেছেন, যুক্তরাজ্যের দুটি অংশের মধ্যে বিদেশি কাস্টমস ব্যবস্থার মতো অগ্রহণযোগ্য কিছু কোনো পক্ষই অন্য পক্ষের কাছে করতে পারে না। এ ধরনের অবস্থায় পড়লে কোনো দেশই তা মানতে পারবে না। তিনি আশা করেন, যুক্তরাজ্যের অবস্থান ব্রাসেলস মূল্যায়ন করবে। একই সঙ্গে তিনি উত্তর আয়ারল্যান্ডে আইনি বাধ্যবাধকতায় নিজেদের প্রতিশ্রুতির কথাও ইইউকে স্মরণ করিয়ে দেন। সূত্র : বিবিসি, রয়টার্স।



মন্তব্য