kalerkantho


ভিয়েতনামের পথে মার্কিন রণতরি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৫ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় পর যুক্তরাষ্ট্রের কোনো রণতরি ভিয়েতনামের উদ্দেশে যাত্রা করল। ওপরে ওপরে বলা হচ্ছে, ভিয়েতনামের সঙ্গে যুদ্ধের স্মৃতি মুছে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ রণতরি পাঠানো হয়েছে। কিন্তু বিশ্লেষকরা বলছেন, দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের একক দখলদারির একটা জবাব দিতেই ওয়াশিংটন এ রণতরি পাঠিয়েছে।

১৯৭৫ সালে শেষ হয় ভিয়েতনাম যুদ্ধ। এরপর এই প্রথম কোনো মার্কিন রণতরি ভিয়েতনামের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করল। আজ সোমবার ‘ইউএসএস কার্ল ভিনশন’ রণতরিটি ভিয়েতনামের দানাং বন্দর থেকে দুই নটিক্যাল মাইল দূরে নোঙর করার কথা। চার দিনের এ সফরে দুই দেশের সেনারা নিজেদের মধ্যে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বিনিময় করবে।

তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এটা মুদ্রার এক পিঠ। আরেক পিঠে আছে বিতর্কিত দক্ষিণ চীন সাগর। মার্কিন নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত রিয়ার অ্যাডমিরাল এবং সিএনএনের কূটনৈতিক বিশ্লেষক জন কিরবি মনে করেন, ‘দক্ষিণ চীন সাগরে পেইচিংয়ের আগ্রাসী দখলদারির মনোভাবে ভিয়েতনাম খুবই উদ্বিগ্ন। এ অবস্থায় তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এখন অপেক্ষাকৃত ভালো একটা সম্পর্ক গড়তে চায়।’

উল্লেখ্য, দক্ষিণ চীন সাগরের বেশ কয়েকটি এলাকার মালিকানা নিয়ে বিরোধ আছে। বিরোধপূর্ণ এসব এলাকা হলো স্পার্টলি, প্যারাসেল ও স্কেয়ারবোরো দ্বীপপুঞ্জ। চীনের দাবি, সব এলাকা তাদের। এমনকি স্পার্টলিতে বেশ কয়েকটি কৃত্রিম দ্বীপ বানিয়েছে তারা। বসিয়েছে সামরিক স্থাপনাও। অন্যদিকে ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই ও তাইওয়ানও বেশ কিছু এলাকা নিজেদের বলে দাবি করে আসছে। যুক্তরাষ্ট্র রাজনৈতিক কারণে শুরু থেকেই এসব দেশের পক্ষে।

চীনের বিরুদ্ধে সবচেয়ে সোচ্চার ভিয়েতনাম ও ফিলিপাইন।  সূত্র : সিএনএন।



মন্তব্য