kalerkantho


বাংলাদেশ হাই কমিশন

লন্ডনে সাড়ম্বরে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন

কালের কণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক   

২১ জুলাই, ২০১৮ ১৯:৪৮



লন্ডনে সাড়ম্বরে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৭তম এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৯তম জন্মবার্ষিকী সাড়ম্বরে পালন করল লন্ডনে বাংলাদেশ হাই কমিশন। শুক্রবার পূর্ব লন্ডনের ইমপ্রেসন অডিটরিয়ামে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোঃ নাজমুল কাওনাইন। অনুষ্ঠানে কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক, ডাক্তার, প্রকৌশলী, সাংবাদিকসহ হাই কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ সপরিবার উপস্থিত ছিলেন।

হাই কমিশনার তাঁর স্বাগত বক্তব্যে নতুন প্রজন্মকে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের জীবন ও সাহিত্যকর্মে অধিকতর আগ্রহী হওয়ার আহবান জানান। তিনি বলেন, বাঙ্গালী জাতিকে মানবতা, উদারতা, অসাম্প্রদায়িকতা, জাতীয়তাবাদ ও সর্বোপরি স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে বিশ্বকবি ও জাতীয় কবির সাহিত্য ও শিল্পকর্ম ব্যাপক প্রভাব রেখেছে। বাঙালীর সংস্কৃতি ও চেতনা জাগরণে এ দুই কবির ছিল উদ্দীপনাময় ভূমিকা।

হাইকমিশনার আরো বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে রবীন্দ্রনাথের কালজয়ী গান, কবিতা ও নাটক এবং নজরুলের বিদ্রোহী চেতনা আমাদের প্রবলভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে অসুস্থ কবি কাজী নজরুল  ইসলামকে ভারত থেকে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে নিয়ে এসেছিলেন।

বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতির লালন ও প্রসারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অসাধারণ অবদানের কথা উল্লেখ করে হাইকমিশনার বলেন, শান্তি নিকেতনে কবিগুরুর প্রতিষ্ঠিত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি ‘বাংলাদেশ ভবন’ উদ্বোধন করেন এবং পশ্চিমবঙ্গের আসানসোলের কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় গত মে মাসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে সম্মানসূচক ডি লিট ডিগ্রি প্রদান করে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান শরীফ বলেন, এ দুজন মহান কবিই তাঁদের জীবনের উল্লেখযোগ্য সময় কাটিয়েছেন তত্কালীন পূর্ব বাংলায় তথা বর্তমান বাংলাদেশে।

আলোচনাপর্ব শেষে এই দুই মহান ব্যক্তিত্বের অমর সৃষ্টি নিয়ে কবিতা আবৃত্তি, সঙ্গীতানুষ্ঠান ও নৃত্যানুষ্ঠানসহ মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।



মন্তব্য