kalerkantho


নেপালি শিল্পীদের প্রদর্শনী শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ মে, ২০১৮ ০১:৩৯



নেপালি শিল্পীদের প্রদর্শনী শুরু

‘হিমালয় কন্যা’ খ্যাত নেপাল প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর। দেশটির রূপ ও সৌন্দর্য তুলে ধরেছেন নেপালের চিত্রশিল্পীরা।  পাশপাশি তুলে ধরেছেন নেপালের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। নেপালি শিল্পীদের সেই চিত্রকর্মগুলো এখন শোভা পাচ্ছে শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালায়। সেখানে গতকাল সোমবার শুরু হয়েছে নেপাল আর্ট ফেয়ার। নেপাল একাডেমি অব ফাইন আর্টসের সপ্তাহব্যাপী এ আয়োজনে সহযোগিতা করছে শিল্পকলা একাডেমি। সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে নেপাল ও বাংলাদেশের মধ্যকার সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক আরো জোরদার করতে এ আয়োজন। 

গতকাল সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি সচিব নাসির উদ্দিন আহমেদ এবং নেপাল একাডেমি অব ফাইন আর্টসের উপাচার্য রাগিনী উপাধ্যায়। শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন চারুকলা বিভাগের পরিচালক আশরাফুল আলম পপলু।

প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছেণ নেপালের ৪৭ জন শিল্পী। নেপালের প্রচলিত ও সমসাময়িক চিত্রশিল্প এবং লোক ও কারু শিল্পের ৫৩টি শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে এ প্রদর্শনীতে। শিল্পকর্ম প্রদর্শনী ছাড়াও দুই দেশের শিল্পীদের অংশগ্রহণে একটি আর্টক্যাম্পও অনুষ্ঠিত হবে।

সবার জন্য উন্মুক্ত এ প্রদর্শনী আগামী ১৩ মে পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা এবং শুক্রবার বিকাল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে।

মুক্তিযুদ্ধে নারীর ভূমিকা নিয়ে গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে নারীর ভূমিকা নিয়ে অধ্যাপক সেলিমা চৌধুরী রচনা করেছেন গবেষণা গ্রন্থ ‘উইমেন ইন বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার রিডিসকভারিং ইন ম্যাডোনা সিরিজ’। জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে গতকাল এর প্রকাশনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। চিত্রশিল্পী সৈয়দ জাহাঙ্গীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্প-সমালোচক মোস্তফা জামান। আরো বক্তব্য রাখেন বইটির লেখক অধ্যাপক সেলিমা চৌধুরী ও জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক ফয়জুল লতিফ চৌধুরী।

আসাদুজ্জামান নূর বলেন, মুক্তিযুদ্ধ ছিল বাঙালি জাতির জন্য মহাসংগ্রাম যাকে কেবল মহাকাব্যের সঙ্গেই তুলনা করা যেতে পারে। একে নানা আঙ্গিক ও দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিশ্লেষণ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে নারীর ভূমিকা ছিল বিচিত্র ও অনবদ্য। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের এ আঙ্গিকটি বরাবরই ছিল উপেক্ষিত। মুক্তিযুদ্ধে নারীর ভূমিকা নিয়ে বই, গল্প ও নাটকের সংখ্যা নগণ্য। মুক্তিযুদ্ধে নারীর অবদান নিয়ে ইতিহাস, বই, গল্প ও নাটক রচনার যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে।



মন্তব্য