kalerkantho


বইমেলার ৫ম দিনে বই এসেছে ২৭টি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২২:৪৭



বইমেলার ৫ম দিনে বই এসেছে ২৭টি

অমর একুশে গ্রন্থমেলার ৫ম দিন। মেলায় আজ নতুন বই এসেছে ২৭টি এবং ৭টি নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

 
গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় আহসান হাবীব জন্মশতবর্ষ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কবি তুষার দাশ। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন ড. অনু হোসেন ও ড. তারেক রেজা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক জুলফিকার মতিন।  
শতবর্ষী এক ফলদ বৃক্ষের জন্মবার্ষিকীতে তাঁর সৃজনশীলতার বয়ান শিরোনামের প্রবন্ধ উপস্থাপন করে প্রাবন্ধিক বলেন, আহসান হাবীব কবি, শতবর্ষী এক ফলদ বৃক্ষই যেন। তাঁর শতবর্ষ হয়ে গেলো, তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো যেন ধীরে ধীরে আরো বেশি আলোপ্রদায়ী একেকটি পরশপাথরে পরিণত হতে চলেছে। তরুণ ও তারুণ্যের এক উজ্জ্বল প্রতীক হিসেবে তাঁর জীবন ও জীবনযাপনের অনুপম সব কাহিনি এখনও আমাদের স্মৃতির মুঠোয়। তিনি বলেন, কাব্যবিচারের ক্ষেত্রে আহসান হাবীবকে আমরা চিনে নিয়েছি চল্লিশের দশকের একজন প্রধান কবি হিসেবে। তাঁর অজস্র সহযাত্রী ছিলেন, তাঁদের প্রত্যেকেরই নিজস্ব চরিত্রবৈশিষ্ট্য ছিলো- যেমন আহসান হাবীবের ছিলো প্রখর তারুণ্য। তাঁর জীবনযাপন ও কবিতায় সেই তারুণ্যের অসামান্য বলিষ্ঠ প্রকাশ আমরা প্রত্যক্ষ করেছি।  
আলোচকবৃন্দ বলেন, আহসান হাবীব যেমন তাঁর সময়ের সন্তান এবং তেমনি তিনি সময় থেকে এগিয়েও ছিলেন। দেশভাগ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, স্বাধীনতার সংগ্রাম, ক্ষুধা ও আশা ইত্যাদি সব সমসাময়িক অনুষঙ্গ আহসান হাবীব তাঁর কবিতায় বাক্সময় করেছেন সুনিপুণ শিল্প দক্ষতায়। প্রেমের কবিতাতেও আহসান হাবীব অসামান্য। ব্যক্তিগত নিবেদনের বৃত্ত ভেদ করে প্রেমের কবিতাকে তিনি নতুন মাত্রা দান করেছেন।  
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক জুলফিকার মতিন বলেন, আহসান হাবীব কবি হিসেবে অনন্যসাধারণ। পাশাপাশি কথাসাহিত্য ও শিশুতোষ রচনাতেও তাঁর স্বাতন্ত্র্যের স্বাক্ষর মুদ্রিত রয়েছে। জন্মশতবর্ষে আহসান হাবীব নতুন মূল্যায়ন দাবি করেন।  
সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন সালমা আকবর, ফাহিম হোসেন চৌধুরী, লাইসা আহমেদ লিসা, অণিমা রায়। যন্ত্রাণুষঙ্গে ছিলেন রবীন্দ্রনাথ পাল (তবলা), মো. হাসান আলী (বাঁশি), সুমন রেজা খান (কী-বোর্ড) এবং নাজমুল আলম খান (মন্দিরা)।


মন্তব্য