kalerkantho


জন্মসংলগ্ন মাটি ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা

অনন্য দৃষ্টান্ত সৈয়দ শামসুল হক

তুহিন ওয়াদুদ   

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৮:১০



অনন্য দৃষ্টান্ত সৈয়দ শামসুল হক

সৃজনশীল-মননশীল উভয় ধারারই শক্তিমান লেখক সৈয়দ শামসুল হক। কুড়িগ্রাম তাঁর জন্মজেলা।

জন্মজেলা তথা জন্মাঞ্চলের প্রতি তাঁর রয়েছে অন্তর্গত টান। নিজের লেখায়-বক্তব্যে সেই ভালোবাসার আড়াল থাকে না। তাঁর লেখায় যে জলেশ্বরীর কথা ঘুরেফিরে এসেছে, তা মূলত কুড়িগ্রামের কথা। তিনি যে আধকোষা নদীর কথা বলেছেন তাও ধরলা নদী। যে ধরলার পাশেই গড়ে উঠেছে কুড়িগ্রাম।

সাহিত্যের বহুমাত্রিকতায় ঋদ্ধ সৈয়দ শামসুল হকের লেখার মূল প্রাঙ্গণজুড়ে রয়েছে দেশ ও দেশের মানুষ। রাজনীতি-মুক্তিযুদ্ধ-বঙ্গবন্ধু-সমাজ-প্রেম—সব কিছুই তাঁর রচনায় প্রবহমান। তিনি সেই প্রবাহে যুক্ত করেন নিজ অঞ্চলের অসংখ্য অনুষঙ্গ। বাংলা সাহিত্যের প্রতিনিধিত্বশীল লেখক সৈয়দ শামসুল হক গত ৭ মার্চ ২০১৬ রংপুরে এসেছিলেন। ৮ মার্চ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি ছিলেন আমন্ত্রিত। আমন্ত্রিত ছিলেন আনোয়ারা সৈয়দ হকও। ৭ তারিখে রংপুরে পৌঁছে তিনি সামান্য সময়ের জন্য প্রথমেই গিয়েছিলেন কুড়িগ্রামে।

রংপুরের একটি বেসরকারি সংস্থা আরডিআরএসের গেস্ট হাউসে রাত যাপন করেন। রাতে এস এম আব্রাহাম লিংকন ও আমি তাঁর কাছে যাই। যেতেই তিনি বললেন—রাতে আমাদের নিয়ে তিনি চায়নিজ খাবেন। অভিজাত রেস্টুরেন্ট ‘নর্থভিউ’য়ে চায়নিজ খেতে খেতে তিনি জীবনের প্রথম চায়নিজ খেতে যাওয়ার গল্প শোনালেন। নাট্যকার আলী মনসুরসহ তিনি ঢাকার প্রথম চায়নিজ ‘ক্যাফে চায়না’তে গিয়েছিলেন। আলী মনসুর নাকি বলেছিলেন, সাপ, কেঁচো, আরশোলা ছাড়া খাওয়া যায় এ রকম কী আছে। একটি খাবারের মেন্যু ধরিয়ে দিলে কোনো খাবারই সৈয়দ শামসুল হকের পছন্দ হয়নি। কিন্তু আলী মনসুর খেয়েছিলেন। খাওয়া শেষে আলী মনসুর মালিককে বলেছিলেন, খাবারের মধ্যে হলুদ, মসলা কিছু দিতে হবে। না হলে এ হোটেল চলবে না।

প্রায় অর্ধশত বছর আগের বাংলাদেশের বর্ণনা দিতে দিতে সৈয়দ শামসুল হক লক্ষ করলেন পাশের টেবিলে সাদা শাড়ি পরা মায়ের বয়সী এক মহিলা চায়নিজ খাবারের মেন্যু স্টাডি করছেন। এ দেখে তিনি বিস্মিত হয়ে মন্তব্য করেন, ‘রংপুরে বসে এ রকম দৃশ্য আনবিলিভেবল। ’

৮ মার্চ ২০১৬। সৈয়দ শামসুল হককে অনেকেই কাছে থেকে দেখার জন্য, তাঁর কথা শোনার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাস্থল ছিল সৈয়দ শামসুল হক-পিপাসু দর্শকশ্রোতায় পরিপূর্ণ। বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি পারিবারিক জীবনের কিছু অনুঘটনার অবতারণা করেন। নারীর কথা বলতে গিয়ে স্মৃতিকাতর কবি প্রথমেই তাঁর মায়ের প্রসঙ্গ নিয়ে আসেন। মায়ের কাছে তাঁর বড় হয়ে ওঠার গল্প করেন। তাঁর মা বলতেন, সৈয়দ শামসুল হক যখন গর্ভে ছিলেন, তখন মা বর্ণমালার পাঠ নিয়েছেন। সে কারণে নাকি সন্তান এত বড় লেখক হয়েছেন। একবার সৈয়দ শামসুল হকের মা ট্রেনে করে ঢাকায় যাচ্ছিলেন। এমন সময় কয়েকজন মেয়ে সৈয়দ শামসুল হকের লেখা নিয়ে আলোচনা করছিলেন। তখন কবির মা নিজের পরিচয় দিলে ওই মেয়েরা খুব যত্ন করে তাঁকে ঢাকায় নিয়ে যান। তিনি বাসায় ফিরে সাহিত্যিক সন্তানের কাছে গর্বভরে সেই গল্প শুনিয়েছেন। সেদিনের অভিজ্ঞতায় সৈয়দ শামসুল হকের মা সৈয়দ শামসুল হককে জন্ম দেওয়া সার্থক হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

নিজের কবিতা ‘দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের গান’ আবৃত্তি করার মধ্য দিয়ে যখন বক্তব্য শেষ করলেন, তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম নূর-উন-নবী, সাহিত্যিক আনোয়ারা সৈয়দ হক, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরীসহ সব দর্শকশ্রোতা একসঙ্গে দাঁড়িয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। পিনপতন নীরবতায় একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিকের এ শ্রদ্ধা পাওনাই বটে।

রংপুরের ঐতিহ্যবাহী শিল্প শতরঞ্জি। সৈয়দ শামসুল হক ও আনোয়ারা সৈয়দ হক একবার ঘুরে যেতে চান সেই পল্লী। অনুষ্ঠান শেষে যাওয়া হলো শতরঞ্জি পল্লীতে। ৫০-৬০ বছরে রংপুর শহর অনেক বদলে গেছে। সৈয়দ শামসুল হকের শহরের অলি-গলি সব চেনার কথা নয়। তার পরও আমাদের গাড়ি শতরঞ্জি পল্লীতে যাওয়ার সময়ে বাঁক নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি বলছিলেন, এই পথ পার্বতীপুরের দিকে গেছে। শতরঞ্জি পল্লীতে যাওয়ার পর সৈয়দ শামসুল হক রীতিমতো রংপুরের আঞ্চলিক ভাষায় দোকান মালিকের সঙ্গে কথা বললেন। দোকান মালিককে তিনি জিজ্ঞাসা করছিলেন ‘হামারটে (আমাদের কাছে) দাম বেশি চান নাকি। ঘাটাটা (পথটা) কোন পাশে গেইচে (গেছে)?’ এলাকার প্রতি তাঁর যে প্রাণের যোগ, সেটাই যেন ফুটে উঠছিল। শতরঞ্জি পল্লীর ইতিবৃত্তও তাঁর পরিষ্কার জানা।

সৈয়দ শামসুল হক বারবার রেলস্টেশনে যাবেন বলছিলেন। আমি ঠিক বুঝে উঠতে পারছিলাম না রেলস্টেশনে যাওয়ার এত আগ্রহ কেন তাঁর। শতরঞ্জি পল্লী থেকে আমরা দ্রুতই গেলাম রংপুর রেলস্টেশনে। কুড়িগ্রাম থেকে সৈয়দ শামসুল হক ট্রেনে করে রংপুর আসতেন বই কেনার জন্য। স্টেশনে যাওয়ার উদ্দেশ্য শুধু সে কারণে নয়। আস্তে আস্তে তাঁর রেলস্টেশনে যাওয়ার আগ্রহের কারণ উন্মোচিত হলো। আনোয়ারা সৈয়দ হককে তিনি একটি ঘটনাস্থল দেখাবেন বলে রেলস্টেশনে যাওয়া। একবার সৈয়দ শামসুল হক বাবার সঙ্গে অভিমান করে বাড়ি থেকে বের হয়ে গিয়েছিলেন। কয়েক দিন পরে যখন তিনি ফিরছিলেন, তখন রংপুর রেলস্টেশনে তাঁর বাবাকে দেখতে পান। যে জায়গায় দাঁড়িয়ে তিনি তাঁর বাবাকে দেখছিলেন আর ভাবছিলেন, বাবার সঙ্গে কথা বলবেন কি না, এমন সময় বাবা-ছেলের চোখাচোখি হতেই দুজন দুজনকে জড়িয়ে ধরেছিলেন, সেই জায়গাটি তিনি দেখান। কোথায় তাঁর বাবা আর কোথায় তিনি দাঁড়িয়েছিলেন সেই স্থান দুটি আলাদা করেও দেখাচ্ছিলেন। তাঁর জীবনের আবেগী একটি ঘটনা। সেই ঘটনাটির খুব প্রাণিত বর্ণনা দিচ্ছিলেন তিনি। তাঁর কথনে সেই সময়ের দৃশ্যকল্প ফুটে উঠেছিল।

লেখক ছোট্টবেলার বন্ধুর সঙ্গে কেমন আচরণ করেন, তা দেখার জন্য আমি অপেক্ষা করছিলাম। সৈয়দ শামসুল হকের বেঁচে থাকা একমাত্র স্কুলবন্ধু আব্দুর রহমান। রংপুরে বাড়ি করেছেন। সরকারি কলেজে ইংরেজি বিভাগে অধ্যাপনা করতেন। তিনি বন্ধুর খুব প্রশংসা করছিলেন। সন্ধ্যায় তাঁর বন্ধুর বাড়িতে যাওয়া হলো। সেখানে তাঁর বন্ধু-বন্ধুপত্নী, বন্ধুর সন্তান সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন। বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতেই শুরু হয় স্মৃতি রোমন্থন। দুই বন্ধুর হৃদ্যতাপূর্ণ স্মৃতিচারণা ছিল ভীষণ উপভোগ্য। তিনি বলছিলেন আব্দুর রহমান তাঁদের ক্লাসের ফার্স্ট বয় ছিলেন। পড়ালেখায় খুব ভালো ছিলেন। বিভিন্ন রকম প্রশ্ন করতেন। একদিন নাকি সিদ্ধ ছোলা খেতে খেতে সৈয়দ শামসুল হককে প্রশ্ন করেছিলেন, বল তো এই ছোলার বীজ হবে না কেন? আবার পরক্ষণেই বলেছিলেন—কারণ এগুলো সিদ্ধ ছোলা। ৬৫ বছর আগের বন্ধু আব্দুর রহমান। অথচ ছোট্টবেলার সেই বন্ধুর সঙ্গে একজন বড় মাপের সাহিত্যিক যেন শৈশবে ফিরে গেলেন। শিশুসুলভ কত রসিকতা করলেন। বন্ধুর জামাতার মৃত্যুর খবরে তিনিও কিছুটা শোকাচ্ছন্ন হলেন। আনোয়ারা সৈয়দ হকের সঙ্গেও পরিবারের সবার সম্পর্ক খুবই হৃদ্যতাপূর্ণ। শৈশবের বন্ধুর সঙ্গে সৈয়দ শামসুল হকের আলাপচারিতা প্রত্যক্ষ করা যেকোনো পাঠকের জন্যই সৌভাগ্যের।

রংপুর শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত শ্যামাসুন্দরী খাল। শৈশবে সৈয়দ শামসুল হককে তাঁর বাবা শ্যামাসুন্দরী খালের কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে নিয়ে গিয়ে দেখিয়েছিলেন জমিদার জানকী বল্লভ মাতা শ্যামাসুন্দরীর নামে একটি খাল খনন করছেন। সে বিষয়ে চারটি চরণ সেখানে উত্কীর্ণ করা ছিল। সৈয়দ শামসুল হক সেই চারটি চরণ মুখস্থ বলছিলেন—‘পীড়ার আকর ভূমি এই রঙ্গপুর/প্রণালী কাটিয়া তাহা করিবারে দূর/মাতা শ্যামাসুন্দরীর স্মরণের তরে/জানকী বল্লভ সুত এই কীর্ত্তি করে। ’ আনোয়ারা সৈয়দ হককে তিনি সেই ফলকটি দেখাতে চান। আমার কাছে জানতে চাইলেন সেই ফলকটি এখনো আছে কি না। আমরা সবাই সেই ফলকটির সন্ধানে গেলাম। এখনো একটি ফলকে সেই চরণগুলো উত্কীর্ণ রয়েছে। তবে সেই পুরনো ফলকটি ভেঙে নতুন একটি ফলক করা হয়েছে।

গদ্যে-কবিতায় সৈয়দ শামসুল হকের নিজ অঞ্চলের প্রতি মমত্ববোধ উপলব্ধি করা যায়। সেই সত্যতা উচ্চারিত হয়েছে বারবার। তাঁর কাব্য সমগ্রের প্রথম খণ্ডের প্রথম কবিতার প্রথম চরণে নাগেশ্বরীর কথা উল্লিখিত আছে। ‘বুনোবৃষ্টির গান’ কবিতায় তিনি লিখেছেন ‘বৃষ্টি এসে ভেজায় কখন নাগেশ্বরীর মাঠ’। তাঁর ‘নুরলদীনের সারাজীবন’ তো দেশোত্তীর্ণ। বেসরকারি সংস্থা আরডিআরএসের বিশ্রামকক্ষে এক মেয়ে বলছিলেন তাঁর লেখায় নাকি এলাকার কথা কম ফুটে উঠেছে। সৈয়দ শামসুল হক বলছিলেন, তাঁর দু-একটি লেখা ছাড়া সব লেখায়ই তিনি এলাকার কথাই বলেছেন। সেই লেখা রূপ পেয়েছে দৈশিক পটভূমির অখণ্ড চিত্রে। সৈয়দ শামসুল হকের তিন বছর বয়সের স্মৃতিও মনে আছে। নদীর ভাঙন তাঁদের বাড়ির কাছাকাছি যখন এসেছিল, তখন তাঁর বয়স মাত্র তিন বছর। সেই সময় তাঁর বাবা ‘নদী সব খাবে’ কথাটি বলেছিলেন। তিন বছরের শিশু সৈয়দ শামসুল হকের সেই কথা এখনো মনে আছে। সেই বিবেচনায় বলা যায়, শৈশব-কৈশোরের অসংখ্য স্মৃতিও তাঁর লেখায় আবর্তিত হয়েছে।

সৈয়দ শামসুল হক সমাহিত হতে চেয়েছেন কুড়িগ্রামের মাটিতে। সৈয়দ শামসুল হকের আগে কুড়িগ্রামে আর কখনোই এত মেধাবী মানুষ জন্মগ্রহণ করেছে কি না আমাদের জানা নেই। বাংলাদেশে প্রায় ৬০ বছর ধরে বাংলা সাহিত্যে আধিপত্য বিস্তার করে থাকা লেখকের সংখ্যাও খুবই নগণ্য। সেই উচ্চমার্গীয় ব্যক্তিত্ব সৈয়দ শামসুল হক যখন বলেন, তিনি সমাহিত হতে চান কুড়িগ্রামের মাটিতে, তখন আর বলার অপেক্ষা রাখে না জন্মজেলার সঙ্গে তাঁর প্রাণের যোগ কত বৃহৎ পর্যায়ের। কুড়িগ্রাম জেলার সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠে সৈয়দ শামসুল হককে সমাহিত করার জায়গাও নির্দিষ্ট করে রাখা হয়েছে। আমাদের মা যেমন আমাদের মাতৃভূমিকে ভালোবাসতে শেখায়, তেমনি জন্মজেলার প্রতি ভালোবাসা আমাদের দেশকেই যেন ভালোবাসতে শেখায়। মৃত্যুর পর মানুষ মাটি ও মহাকালের অংশ হয়। সৈয়দ শামসুল হক কুড়িগ্রামের মাটির সঙ্গেই মিশে থাকতে চেয়েছেন।

সৈয়দ শামসুল হক রিভার ভিউ হাই স্কুলের ছাত্র ছিলেন। স্কুলটির শতবর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, স্কুলের রাস্তায় এখনো তাঁর পায়ের ছাপ লেগে আছে। ছোট্টবেলায় যে মাটিতে তাঁর পায়ের ছাপ লেগে আছে সেই মাটিতেই তিনি মিশে থাকার ইচ্ছা পোষণ করেছেন। জন্মঘনিষ্ঠ মাটির প্রতি, মাটিঘনিষ্ঠ মানুষের প্রতি তাঁর যে প্রেম, সেই প্রেমের অমরত্বই আমাদেরও কামনা।

বেসরকারি সংস্থা আরডিআরএসের গেস্ট হাউসের মনোরম শান্তস্নিগ্ধ পরিবেশ দেখে আনোয়ারা সৈয়দ হক বলেছিলেন, সৈয়দ শামসুল হকসহ দুজনেই কয়েক দিনের জন্য লেখার কাজে এসে থাকবেন। সৈয়দ শামসুল হক বর্তমানে চিকিৎসাধীন। আমরা চাই সৈয়দ শামসুল হক সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসুন। গেস্ট হাউসে বসে লিখুন অন্য কোনো কালজয়ী লেখা। জলেশ্বরী কিংবা আধকোষা নদী তাঁর অপেক্ষায় আছে, অপেক্ষায় আছে তাঁর অসংখ্য ভক্ত-পাঠক।


মন্তব্য