kalerkantho

যমুনার ভাঙনে বিলীন অর্ধশতাধিক ঘরবাড়িসহ ফসলি জমি

বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি   

১৬ এপ্রিল, ২০১৯ ১৬:২৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



যমুনার ভাঙনে বিলীন অর্ধশতাধিক ঘরবাড়িসহ ফসলি জমি

বর্ষা শুরুর আগেই সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে ব্রাহ্মণগ্রাম থেকে পাচিল পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যমুনা নদীতে ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এই এলাকায় প্রায় অর্ধশতাধিক ঘর-বাড়ি, ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙন রোধে স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

স্থানীয় এলাকাবাসী বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে যমুনা নদীতে ভাঙন শুরু হয়। দিনে দিনে ভাঙনের তীব্রতা বাড়তে থাকে। বিশেষ করে এনায়েতপুর থানার ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় ভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে। মূহুর্তের মধ্যে ঘর-বাড়ি ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় অর্ধশতাধিক ঘর-বাড়ি, ফসলি জমি, মসজিদ, কবরস্থান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের মুখে পড়েছে আরো শতাধিক ঘর বাড়ি, ফসলি জমি। অনেকে ঘর ভেঙে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। বর্ষা শুরুর আগেই যমুনা নদীতে তীব্র ভাঙনের কারণে এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

খুকনী ইউনিয়ন পরিষদের ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বর সোহরাব আলী বলেন, প্রতি বছর নদী ভাঙছে। এবছর ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। বর্ষ শুরুর আগেই নদীতে ভাঙনের কারণে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ভাঙন রোধে স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ পানি উন্নয়ন বোর্ড আশ্বাস দিলেও তা কাজ হয়নি। ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এনায়েতপুর কাপড়ের হাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম জানান, এনায়েতপুরে ভাঙন রোধে ৬শ' কোটি টাকার একপি প্রকল্প তৈরি করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পের অর্থ বরাদ্দ পেলেই ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য