kalerkantho

জলঢাকায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স চলা নিষেধ!

জলঢাকা (নীলফামারী) প্রতিনিধি   

২৫ মার্চ, ২০১৯ ২১:৫৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জলঢাকায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স চলা নিষেধ!

নীলফামারীর জলঢাকায় সোমবার হতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রোগী বহনকারী দুটি সচল অ্যাম্বুলেন্স চলাচল করার জন্য নিষেধ করেছেন স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ। ফলে জরুরি সেবা নিতে আসা রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিতে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে রোগী পরিবহনের জন্য তিনটি অ্যাম্বুলেন্স আছে। ইতোমধ্যে একটি অচল হলেও দুটি সচল আছে। এসব অকটেন চালিত। জুন/১৮ হতে মার্চ/১৯ পর্যন্ত সাত লাখ ছয় হাজার ৭৭৫ টাকার অকটেন স্থানীয় ফিলিং স্টেশন থেকে সরবরাহ করা হয়। যা নভেম্বর/১৮ মাসে দুই লাখ ৮০ হাজার ও মার্চ/১৯ মাসে এক লাখ ৪০ হাজার টাকা। সর্বমোট চার লাখ ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়।

বর্তমানে মবিলসহ অন্যান্য খরচ পাঁচ লাখ ১৭ হাজার ৪৫০ টাকা বাকী আছে ফিলিং স্টেশনটিতে। এতো টাকা বাকী পরিশোধ না করলে ওই ফিলিং স্টেশন মালিক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কতৃপক্ষকে জানিয়ে দেন আর বাকী দেওয়া যাবে না। তাই ইউএইচঅ্যান্ডএফপিও স্যারের নির্দেশ অ্যাম্বুলেন্স চালানো যাবে না।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার রজব আলী বলেন, এখান থেকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতালে যাতায়াতে এক হাজার ৩৫০ টাকার অকটেন লাগে। আমরা ভাড়া বাবদ নয়’শ টাকা নিয়ে থাকি। বাকী টাকা সরকার ভুর্তকী হিসাবে দিয়ে থাকে। আমাদের অ্যাম্বুলেন্স বন্ধ থাকায় রোগীরা নানান দুর্ভোগ-বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছে।

আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. মাহাফুজুর রহমান সেনিন বলেন, এখানে হতে মাসে বিভিন্ন রোগে আগত কমপক্ষে ৮৫ জন জরুরি রোগী উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করতে হয়। এরা কম খরচে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্সেই যায়।

এ বিষয়ে সোমবার উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পণা কর্মকর্তা ডা. জেড এ সিদ্দিকী বলেন, বরাদ্দ আসলে ও পেট্রোল পাম্পের অকটেনের বাকী টাকা পরিশোধ হলে আবারো অ্যাম্বুলেন্স চলবে। 

মন্তব্য