kalerkantho

ঈশ্বরদীর রেললাইনে কলেজছাত্রের কবজি কাটা লাশ

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি   

২৫ মার্চ, ২০১৯ ১২:২১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঈশ্বরদীর রেললাইনে কলেজছাত্রের কবজি কাটা লাশ

পাবনা ঈশ্বরদীর মুলাডুলি ইউনিয়নের বাঘহাসলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন (মাঝগ্রাম-পাবনা রেললাইন) রেললাইনের ওপর থেকে আজ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মেহেদী হাসান সুমন (১৭) নামের এক কলেজছাত্রের হাতের কবজি কাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত সুমন পাবনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্র ও একই এলাকার আইনাল হকে মাস্টারের ছেলে। 

রেললাইনে ঢালে মহিষ চরানো রাখালদের বরাত দিয়ে এলাকাবাসী জানান, সকালে কিছু মহিষ রাখাল রেললাইনের ঢালে মহিষ চরানোর সময় রেললাইনের ওপর লাশটি পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়দের জানান। ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি সুমনের বলে শনাক্ত করেন। ডান হাতের কবজি কাটা ও ডান কানের নিচে ধারালো সরু অস্ত্রের আঘাতের গর্তের চিহ্ন দেখে ধারণা করা হচ্ছে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যার ঘটনাকে রেললাইনে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা মতে লাশটি রেললাইনের ওপর রাতের কোনো একসময় হত্যাকারীরা রেখে গেছে। 

আজ সোমবার এই রেল রুটে কোনো ট্রেন চলাচল না করার কারণে হত্যাকারীদের সেই পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে।  

নিহতের পরিবার সুত্র মতে, রবিবার রাত থেকে সুমন নিখোঁজ ছিল। আজ সকালে লোকমুখে শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে সুমনের লাশ দেখতে পাওয়া যায়। তবে কি কারণে এবং কারা সুমনকে হত্যা করেছে তা এখনো তাদের বোধগম্য নয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে। তবে নিহত সুমনের একাধিক নিকট আত্মীয়রা জানান, সম্প্রতি সুমনের নিকট থেকে তার পরিবারের লোকজন মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়েছেন। প্রেমঘটিত কারণে এই খুনের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

মুলাডুলি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সেলিম মালিথা জানান, হত্যার আসল কারণ জানা সম্ভব হয়নি। তদন্ত হলেই হত্যার আসল কারণ জানা যাবে। তবে পারিবারিকভাবে নিহত সুমনের পরিবারের সঙ্গে কারও পূর্বশত্রুতা থাকার খবর আমার জানা নেই। 

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহাউদ্দিন ফারকী জানান, রেললাইনের ওপর লাশটি পাওয়া গেছে। তাই বিষয়টি রেলওয়ে থানার নিয়ন্ত্রণে।

ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুবির দত্ত জানান, সীমানাটা ঈশ্বরদী থানার মধ্যে। তবে এটা রেলওয়ের থানার সীমানানুসারে সিরাজগঞ্জ রেলওয়ে থানার নিয়ন্ত্রণে। ঘটনাস্থলে পুলিশ রয়েছে। সিরাজগঞ্জ রেলওয়ে থানা থেকে পুলিশ আসলেই লাশটি পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া গ্রহণের জন্য হস্তান্তর করা হবে।

মন্তব্য