kalerkantho

সোহাগ হত্যা

সাড়ে ৩ বছর পর রহস্য উদ্‌ঘাটন

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি    

২৪ মার্চ, ২০১৯ ১২:২১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সাড়ে ৩ বছর পর রহস্য উদ্‌ঘাটন

দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর পর লোমহর্ষক এক হত্যারহস্য উদ্‌ঘাটন করেছে মুন্সীগঞ্জের পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। আসামি সিয়ামের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী নিখোঁজ মো. সোহাগের কঙ্কাল ও কাপড়ের কিছু অংশ গত বৃহস্পতিবার খুলনা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল শনিবার আসামি সিয়াম এ হত্যার কথা স্বীকার করে মুন্সীগঞ্জ আমলি আদালত-৩-এর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাতুল রাকিবের কাছে ১৬৪ ধারায় ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন। পরে বিকেলে মুন্সীগঞ্জ পিবিআই কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ লোমহর্ষক হত্যারহস্য উদ্ঘাটনের বর্ণনা দেন পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি।

প্রেস ব্রিফিং থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সকালে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরের মধ্য কামারগাঁও গ্রামের মো. শহিদুল ইসলাম ফকিরের ছেলে সোহাগ (২০) নিজের মোটরসাইকেল নিয়ে বাসা থেকে বের হন। তিনি আর ফিরে না আসায় সোহাগের বাবা সন্দেহভাজন ৯ জনের নাম উল্লেখ করে শ্রীনগর থানায় একটি মামলা করেন। শ্রীনগর থানা পুলিশ এক বছর আট মাস তদন্ত করে অপু, পারভেজ ও সিয়াম এই তিনজনের নামে অভিযোগপত্র জমা দেন। কিন্তু সোহাগের কোনো খোঁজ না পাওয়ায় এবং আরো তদন্তের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বিবেচনায় বিজ্ঞ আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে অধিকতর তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন। ওই নির্দেশের পর মুন্সীগঞ্জ পিবিআইয়ের এসআই মো. হযরত আলী মামলাটির তদন্ত শুরু করেন। পরে সিয়ামকে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় গ্রেপ্তার করা হয়। আসামি সিয়াম জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, মোটরসাইকেল বিক্রির টাকা ছিনিয়ে নিতে সোহাগকে শ্বাসরোধ ও ছুরি দিয়ে পেটে-বুকে ঘাই দিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যার পর সোহাগের লাশ পাশের ডোবায় কচুরিপানার নিচে পুঁতে রাখা হয়।

আসামি সিয়ামের বর্ণনা মতে, পিবিআই দল খুলনার ঘটনাস্থলে গিয়ে ডোবা থেকে সোহাগের মাথার খুলিসহ শরীরের বিভিন্ন অংশের কঙ্কাল খুঁজে পায়। এ সময় সোহাগের শার্টের একটি অংশ পাওয়া যায়, যা ঘটনার সময় সোহাগের গায়ে ছিল বলে আসামি সিয়াম শনাক্ত করে।

মন্তব্য