kalerkantho

নিখোঁজের দুই দিন পর মিলল মাদরাসা ছাত্রের লাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, নোয়াখালী   

২৪ মার্চ, ২০১৯ ০৩:৪৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নিখোঁজের দুই দিন পর মিলল মাদরাসা ছাত্রের লাশ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলা থেকে নিখোঁজের দুই দিন পর মেহরাজ হোসেন (৭) নামে এক মাদরাসা ছাত্রের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার সন্ধ্যায় নোয়াখালী জেলার সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের শাহাদাতপুর গ্রামের ধান ক্ষেতের আড়া থেকে লাশটি উদ্ধার করেছে সুধারাম থানা পুলিশ। নিহত মেহরাজ হোসেন বেগমগঞ্জ উপজেলার জিরতলী ইউনিয়নের প্রবাসী সোলেমানের ছেলে। 
 
নিহত শিশুর মা রুনা আক্তার বলেন, বৃহস্পতিবার মাদরাসা ছুটির পর সে বাড়ি আসার পথে নিখোঁজ হয়। মেহেরাজ বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজ করে কোথাও খুঁজে না পেয়ে শুক্রবার বিকেলে রুনা আক্তার তার ছেলে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় বেগমগঞ্জ মডেল থানায় একটি ডায়েরি করেন। 
 
তিনি আরো বলেন, শনিবার দুপুর দেড়টার সময় অপরিচিত একটি মুঠো ফোন থেকে তার মোবাইলে কল করে এক ব্যক্তি তার কাছে ছেলের মুক্তিপণ দাবি করেন। এ সময় রুনা আক্তার মুক্তিপণ বাবদ কত টাকা জানতে চাইলে পরে জানানো হবে বলে মুঠো ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। এ ঘটনার চার ঘণ্টা পর মেহেরাজের মৃত দেহ মিলল সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের শাহাদাতপুর গ্রামের একটি ধান ক্ষেতের আইলের পাশ থেকে। 
 
শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে স্থানীয় লোকজন মেহেরাজের মৃত দেহ ধান ক্ষেতের আইলের পাশে পরে থাকতে দেখে সুধারাম থানায় খবর দেয়। পরে খবর পেয়ে সুধারাম থানা পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।  
 
সুধারাম মডেল থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, অপহরণ শেষে শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা শেষে লাশ ধান ক্ষেতের আইলের পাশে ফেলে রাখে। 
 
বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মেহেরাজ নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় করা জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পুলিশ পরিদর্শক জসিম উদ্দিন বলেন, শনিবার দুপুরে অপহরণকারীরা নিহত শিশুটির মায়ের মুঠো ফোনে কল করে মুক্তিপন দাবি করলে মেহেরাজের মা তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি পুলিশকে জানায়। তিনি আরো জানান, নিখোঁজ ডায়েরির সূত্র ধরে পুলিশ অপহরণকারী ও ঘাতকদের ধরতে মাঠে নেমেছে।

মন্তব্য