kalerkantho

আমি শিক্ষক ও নিসচা আন্দোলনের পক্ষে: সাবেক ভূমিমন্ত্রী

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি   

২৩ মার্চ, ২০১৯ ২২:০৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আমি শিক্ষক ও নিসচা আন্দোলনের পক্ষে: সাবেক ভূমিমন্ত্রী

সাবেক ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরিফ ডিলু এমপি বলেছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর এমপিওভুক্তির দাবিতে শিক্ষকদের করা ন্যায্য আন্দোলন এবং নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) আন্দোলন বৈধ আন্দোলন। আমি এসব আন্দোলনের পক্ষে। কারণ আমি সারা জীবন আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। এখনো করছি। জেল, জুলুম খেটেছি। নির্যাতিত হয়েছি। তবে এসব আন্দোলনের ফসল যেন স্বাধীনতা বিরোধীরা ভোগ না করতে পারে সেদিকে সবাইকে নজর দিতে হবে।

আজ শনিবার দুপুরে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ঈশ্বরদী শাখার ত্রিবার্ষিক সম্মেলন উপলক্ষে পাবনা ঈশ্বরদীর প্লাজা সিনেমা হল কমিউনিটি সেন্টারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সাবেক মন্ত্রী আরো বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা মানবতার নেত্রী। সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কষ্টের কথা বোঝেন। অনুধাবন করেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এমপিও (মান্থলি পে অর্ডার) ভুক্ত করার দাবিতে শিক্ষকদের চলমান আন্দোলনের বিষয়টি নজরে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আশা করছি আগামী সংসদ অধিবেশনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যায়ক্রমে এমপিওভুক্ত করার কার্যক্রম শুরু হবে ইনশাল্লাহ।

তিনি আরো বলেন, নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলন দেশের জন্য প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। কারণ রাস্তায় বের হলেই গাড়িগুলোর চাকাতে পৃষ্ট হতে হবে এটা মেনে নেওয়া যায় না। তবে কোনো আন্দোলনের ফসলই যেন স্বাধীনতা বিরোধী কুচক্রী জামায়াত বিএনপি জোটের ঘরে না যায়, সেদিকে সকলকে সজাগ থাকতে হবে।

সমিতির ঈশ্বরদী শাখার সভাপতি ফজলুল হকের সভাপতিত্বে এই সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির জ্যেষ্ঠ সহ সভাপতি মো. আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক কাওছার আলী শেখ, ঈশ্বরদী উপজেলা চেয়ারম্যান মকলেছুর রহমান মিন্টু, উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা নায়েব আলী বিশ্বাস, বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল খালেক, ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বাহাউদ্দিন ফারকী, প্রেস ক্লাব সভাপতি স্বপন কুমার কুণ্ডু প্রমুখ। এর আগে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. বজলুর রহমান মিঞা।

এদিকে ত্রিবার্ষিক সম্মেলন উপলক্ষ্যে বিকেল পাঁচটায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। নির্বাচনে ১৩টি পদের বিপক্ষে ২৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। উপজেলার ৪৫ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট ৪৯৬ জন শিক্ষক কর্মচারী এই নির্বাচনে ভোট প্রদান করবেন। শেষ খবর (সন্ধ্যা পৌনে ৭ টা) পাওয়া পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলছিল।

মন্তব্য