kalerkantho

পররাষ্ট্র ও অর্থমন্ত্রীকে চিঠি

মিয়ানমারের শীর্ষ জেনারেলদের ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়েছেন মার্কিন সিনেটররা

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

২২ মার্চ, ২০১৯ ০৪:০৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মিয়ানমারের শীর্ষ জেনারেলদের ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়েছেন মার্কিন সিনেটররা

মিয়ানমারের সেনাপ্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অংসহ শীর্ষ জেনারেলদের ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও ও অর্থমন্ত্রী স্টিভেন মুচিনকে চিঠি পাঠিয়েছেন প্রভাবশালী চার মার্কিন সিনেটর। তাঁদের মধ্যে ডেমোক্রেট দলের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা সিনেটর ডিক ডারবিন ও  রিপাবলিকান সিনেটর টড ইয়াংও রয়েছেন।

চিঠিতে তাঁরা লিখেছেন, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমার বাহিনী যে নিপীড়ন চালিয়েছে তার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের আরো করণীয় আছে। রোহিঙ্গা হত্যা ও যৌন সহিংসতার বৈশ্বিক নিন্দা সত্ত্বেও মিয়ানমার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ‘বিশ্বাসযোগ্য কোনো প্রমাণ’ দেখাতে পারেনি।

সিনেটররা মিয়ানমারের সেনাপ্রধানসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা আরোপের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে লিখেছেন, এর মাধ্যমে মৌলিক মানবাধিকার লংঘনের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের অসহিষ্ণু নীতির প্রতিফলন ঘটবে।

সিনেটররা লিখেছেন, রোহিঙ্গা ও অন্যান্য সংখ্যালঘু নৃগোষ্ঠীর মানবাধিকার লঙ্ঘের তথ্য-প্রমাণ সত্ত্বেও মিয়ানমারের ওই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এখন ওই কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে তা গুরুতর মানবাধিকার লংঘনের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন বিষয়ে জোরালো বার্তা দেবে।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ দপ্তর গত বছর আগস্ট মাসে রোহিঙ্গা হত্যাযজ্ঞের সঙ্গে সম্পৃক্ত মিয়ানমারের চারজন সামরিক অধিনায়কের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। সিনেটররা এ উদ্যোগ যথেষ্ট নয় বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁরা মিয়ানমারের সেনাপ্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অংসহ শীর্ষ জেনারেলদের ওপর ‘ম্যাগনিটস্কি অ্যাক্টের’ আওতায় নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়েছেন। এর আওতায় মানবাধিকার লংঘনকারীদের যুক্তরাষ্ট্রে সম্পদ (যদি থাকে) বাজেয়াপ্ত হয় এবং তাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আর্থিক লেনদেন করতে পারে না। এ ছাড়া মানবাধিকার লংঘনকারী বিদেশিরা যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে পারে না।

মন্তব্য