kalerkantho

উলিপুরে পরিত্যক্ত অবস্থায় দশ টাকা মূল্যের ১৯ বস্তা চাল উদ্ধার

উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি   

১৯ মার্চ, ২০১৯ ১৬:১০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



উলিপুরে পরিত্যক্ত অবস্থায় দশ টাকা মূল্যের ১৯ বস্তা চাল উদ্ধার

ছবি : কালের কণ্ঠ

কুড়িগ্রামের উলিপুরে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেয়ার প্রাইজের দশ টাকা মূল্যের ১৯ বস্তা চাল উদ্ধারের পর তা নিয়ে লুকোচুরি শুরু হয়েছে। ঘটনার ৭ দিন পেরিয়ে গেলেও চালের মালিক শনাক্ত করতে পারেননি প্রশাসন। গভীর রাতে সরকারি চাল রহস্যজনকভাবে রাস্তা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধারের ঘটনায় জনমনে কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে। 

প্রত্যক্ষদর্শী ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (১৩ মার্চ) গভীর রাতে পৌরসভার গুনাইগাছ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেয়ার প্রাইজের দশ টাকা কেজি মূল্যের ৩০ কেজি ওজনের খাদ্য অধিদপ্তরের সিল যুক্ত ১৯ বস্তা চাল পুলিশ জব্দ করে থানায় নিয়ে আসে। এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের প্রতিনিধি হিসাবে উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক উপস্থিত ছিলেন। পরিত্যক্ত অবস্থায় চাল উদ্ধারের পর থানা প্রশাসন তা জব্দ করেন। এ দিকে ওই বিদ্যালয় সংলগ্ন উলিপুর-চিলমারী সড়কের ব্যস্ততম এলাকায় গভীর রাতে মালিক বিহীন চাল উদ্ধারের ঘটনা ও রহস্যজনকভাবে ৭দিন পেরিয়ে গেলেও চালগুলো কোথায় থেকে এলো এবং প্রকৃত মালিকানা শনাক্ত না হওয়ায় এ নিয়ে জনমনে কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা খাদ্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, হতদরিদ্রদের জন্য বছরে পাঁচ মাস উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ৪৮ জন ডিলারের মাধ্যমে ১০ টাকা মূল্যে চাল বিরতণ করা হয়ে থাকে। সে অনুযায়ী চলতি মার্চ মাসে সুবিধাভোগীদের মধ্যে ওই চাল বিতরণ করা শুরু হয়েছে। 

উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক ফজলুল হক জানান, ঘটনার দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে ইউএনও স্যার ডেকে পাঠালে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি পুলিশ খাদ্য অধিদপ্তরের সিল যুক্ত ৩০ কেজি ওজনের ১৯ বস্তা চাল আটক করেছেন। পরে চাল গুলো থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। 

উলিপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ারুল ইসলাম পরিত্যক্ত অবস্থায় চাল উদ্ধারের ঘটনা স্বীকার করে বলেন, চালগুলো জিডি মূলে জব্দ করে থানায় রাখা হয়েছে। তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।   

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল কাদের জানান, চাল আটকের ঘটনায় আইনগত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানায় বলা হয়েছে।

মন্তব্য